০২:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সেতুর ল্যাম্পপোস্টের তারের পর এবার রিফ্লেক্টর লাইট চুরি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের হরিপুরে তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত মাওলানা ভাসানী সেতু
উদ্বোধনের একদিন পরেই ল্যাম্পপোস্টের বিদ্যুতের তার চুরির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সেতুর
রিফ্লেক্টর লাইট চুরি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ৯২৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হলেও সেতু ও
সড়ক পারাপারে ন্যূনতম নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী ও যানবাহন সেতু
দিয়ে চলাচল করছে। হাজার হাজার দর্শনার্থী আসছে। অথচ সন্ধ্যা হলেই অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে
সেতুটি। গত ২০ আগস্ট সেতু উদ্বোধনের পর রাতে লাইট জ্বলে না ওঠায় তার চুরির বিষয়টি সবার
নজরে আসে। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সেতুর রিফ্লেক্টর লাইট চুরি হয়ে গেছে। সেতু
এলাকায় নিরাপত্তাহীনতার কারণে সড়ক দুর্ঘটনার পাশাপাশি চুরি, ছিনতাই ছাড়াও ডাকাতির
মতো ঘটনা ঘটতে পারে। হরিপুর এলাকার আরমান ইসলাম বলেন, সেতুটি উদ্বোধনের আগেই তার
চুরি হয়েছে। গত ২০ আগস্ট (উদ্বোধনের দিন) সন্ধ্যায় কর্তৃপক্ষ ল্যাম্পপোস্টের লাইট চেক করতে
গিয়ে দেখেন সেতুর ওই পাড়ের (চিলমারী অংশ) কিছু লাইট জ্বললেও সেতু থেকে এপারের ৪০ থেকে
৫০টি ল্যাম্পপোস্টে কোনো লাইটে আলো ছিল না। পরদিন সকালে সেতু সংলগ্ন সংযোগ সড়কের
দুটি ল্যাম্পপোস্টের গোড়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহের সংযোগ স্থান থেকে মাটি খুড়ে তার কেটে নিয়ে
যাওয়ার বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। এবার সেতুর প্রায় সবগুলো রিফ্লেক্টর লাইট চুরি হয়ে গেল।
রিফ্লেক্টর লাইট চুরির বিষয়ে গাইবান্ধা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশল উজ্জ্বল চৌধুরী বলেন,
স্থানীয় পুলিশকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সেতুর ল্যাম্পপোস্টের বিদ্যুৎ
সংযোগের তার চুরির বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করা হয়েছে। সেতুর
সিকিউরিটি ইনচার্জ নুর আলম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। দুষ্কৃতকারীদের ধরতে পুলিশ চেষ্টা
করছে। ইতিমধ্যে নতুন করে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ারও কাজ চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সেতুর ল্যাম্পপোস্টের তারের পর এবার রিফ্লেক্টর লাইট চুরি

আপডেট সময় : ০১:১৫:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের হরিপুরে তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত মাওলানা ভাসানী সেতু
উদ্বোধনের একদিন পরেই ল্যাম্পপোস্টের বিদ্যুতের তার চুরির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সেতুর
রিফ্লেক্টর লাইট চুরি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ৯২৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হলেও সেতু ও
সড়ক পারাপারে ন্যূনতম নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী ও যানবাহন সেতু
দিয়ে চলাচল করছে। হাজার হাজার দর্শনার্থী আসছে। অথচ সন্ধ্যা হলেই অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে
সেতুটি। গত ২০ আগস্ট সেতু উদ্বোধনের পর রাতে লাইট জ্বলে না ওঠায় তার চুরির বিষয়টি সবার
নজরে আসে। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সেতুর রিফ্লেক্টর লাইট চুরি হয়ে গেছে। সেতু
এলাকায় নিরাপত্তাহীনতার কারণে সড়ক দুর্ঘটনার পাশাপাশি চুরি, ছিনতাই ছাড়াও ডাকাতির
মতো ঘটনা ঘটতে পারে। হরিপুর এলাকার আরমান ইসলাম বলেন, সেতুটি উদ্বোধনের আগেই তার
চুরি হয়েছে। গত ২০ আগস্ট (উদ্বোধনের দিন) সন্ধ্যায় কর্তৃপক্ষ ল্যাম্পপোস্টের লাইট চেক করতে
গিয়ে দেখেন সেতুর ওই পাড়ের (চিলমারী অংশ) কিছু লাইট জ্বললেও সেতু থেকে এপারের ৪০ থেকে
৫০টি ল্যাম্পপোস্টে কোনো লাইটে আলো ছিল না। পরদিন সকালে সেতু সংলগ্ন সংযোগ সড়কের
দুটি ল্যাম্পপোস্টের গোড়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহের সংযোগ স্থান থেকে মাটি খুড়ে তার কেটে নিয়ে
যাওয়ার বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। এবার সেতুর প্রায় সবগুলো রিফ্লেক্টর লাইট চুরি হয়ে গেল।
রিফ্লেক্টর লাইট চুরির বিষয়ে গাইবান্ধা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশল উজ্জ্বল চৌধুরী বলেন,
স্থানীয় পুলিশকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সেতুর ল্যাম্পপোস্টের বিদ্যুৎ
সংযোগের তার চুরির বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করা হয়েছে। সেতুর
সিকিউরিটি ইনচার্জ নুর আলম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। দুষ্কৃতকারীদের ধরতে পুলিশ চেষ্টা
করছে। ইতিমধ্যে নতুন করে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ারও কাজ চলছে।