০৬:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চমেক হাসপাতালে একসঙ্গে ৪ শিশুর জন্ম

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে একসঙ্গে চার শিশুর জন্ম দিয়েছে এক মা। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে জন্ম নেন ২ ছেলে ও ২ কন্যাশিশু। হাসপাতাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অপারেশনের নেতৃত্ব দেন চমেক হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক, রিপ্রোডাক্টিভ এন্ডোক্রাইনোলজি ও ইনফার্টিলিটি ইউনিটের প্রধান ডা. তাসলিমা বেগম। চিকিৎসকরা জানান, এটি কোয়াড্রাপলেট প্রেগন্যান্সি, অর্থাৎ একই সময়ে মা চারটি শিশু গর্ভধারণ করেছিলেন। প্লাসেন্টা ছিল কোয়াড্রিকোরিওনিক ও কোয়াড্রিএমনিওটিক।

শিশুদের ওজন কম হলেও মা ও শিশুরা সুস্থ আছেন। ওজনের বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে: একজন শিশুর ওজন ১.৪ কেজি, আরেকজনের ১.৩ কেজি এবং দুইজনের ১.২ কেজি। সাধারণত সুস্থ নবজাতকের স্বাভাবিক ওজন ২.৮–২.৯ কেজি হয়। শিশুদের বর্তমানে হাসপাতালের এনআইসিইউতে রাখা হয়েছে।

এর আগে এ বছরই দেশে একাধিক বহুবিধ গর্ভধারণের ঘটনা ঘটেছে। গত ২৭ এপ্রিল চমেক হাসপাতালে ফেনীর গৃহবধূ নাহিদা আক্তার রিক্তা তিন কন্যা ও দুই ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। এছাড়া ১০ মে কক্সবাজারের গৃহবধূ মরিয়ম নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ছয় সন্তান জন্ম দেন, যার মধ্যে পাঁচটি কন্যা ও একটি ছেলে।

ডা. তাসলিমা বেগম জানান, এই ধরনের কোয়াড্রাপলেট প্রেগন্যান্সি খুবই জটিল, তবে সময়মতো চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মা ও শিশুদের সুস্থ রাখা সম্ভব হয়েছে।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

চমেক হাসপাতালে একসঙ্গে ৪ শিশুর জন্ম

আপডেট সময় : ০৬:৪১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে একসঙ্গে চার শিশুর জন্ম দিয়েছে এক মা। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে জন্ম নেন ২ ছেলে ও ২ কন্যাশিশু। হাসপাতাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অপারেশনের নেতৃত্ব দেন চমেক হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক, রিপ্রোডাক্টিভ এন্ডোক্রাইনোলজি ও ইনফার্টিলিটি ইউনিটের প্রধান ডা. তাসলিমা বেগম। চিকিৎসকরা জানান, এটি কোয়াড্রাপলেট প্রেগন্যান্সি, অর্থাৎ একই সময়ে মা চারটি শিশু গর্ভধারণ করেছিলেন। প্লাসেন্টা ছিল কোয়াড্রিকোরিওনিক ও কোয়াড্রিএমনিওটিক।

শিশুদের ওজন কম হলেও মা ও শিশুরা সুস্থ আছেন। ওজনের বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে: একজন শিশুর ওজন ১.৪ কেজি, আরেকজনের ১.৩ কেজি এবং দুইজনের ১.২ কেজি। সাধারণত সুস্থ নবজাতকের স্বাভাবিক ওজন ২.৮–২.৯ কেজি হয়। শিশুদের বর্তমানে হাসপাতালের এনআইসিইউতে রাখা হয়েছে।

এর আগে এ বছরই দেশে একাধিক বহুবিধ গর্ভধারণের ঘটনা ঘটেছে। গত ২৭ এপ্রিল চমেক হাসপাতালে ফেনীর গৃহবধূ নাহিদা আক্তার রিক্তা তিন কন্যা ও দুই ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। এছাড়া ১০ মে কক্সবাজারের গৃহবধূ মরিয়ম নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ছয় সন্তান জন্ম দেন, যার মধ্যে পাঁচটি কন্যা ও একটি ছেলে।

ডা. তাসলিমা বেগম জানান, এই ধরনের কোয়াড্রাপলেট প্রেগন্যান্সি খুবই জটিল, তবে সময়মতো চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মা ও শিশুদের সুস্থ রাখা সম্ভব হয়েছে।

এমআর/সবা