০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে দিশেহারা মহেশখালীর নিম্ন আয়ের মানুষ

মহেশখালীতে প্রায় চার লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। অধিকাংশ মানুষ কৃষি ও জেলে
পেশার সাথে সম্পৃক্ত। আবার কিছু মানুষ দিনমজুর কাজ করে জীবিকা নির্বাহ
করে থাকে। অভাব আর দারিদ্রের কশাঘাতে আজকের জনজীবন দুঃখ ও হাহাকারে
পরিপূর্ণ তার উপর চেপে বসেছে দ্রব্যমূল্য উর্ধ্বগতি। দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির ফলে
বাজারে এখন হাত ঠেকানোই দায় হয়ে পড়েছে নিম্নমধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত এমন
কী মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষেরও। গত কয়েক মাসে আটা-ময়দাসহ অন্যান্য
জিনিসপত্রের দাম কেজিতে ১৫-২০ টাকা করে বেড়েছে। এ ছাড়াও শিশু খাদ্য সহ
মাছ-মুরগির খাদ্য ইত্যাদির মূল্য বেড়েছে অনিয়ন্ত্রিত হারে। যার প্রভাব পড়ছে
উৎপন্ন পণ্যেগুলোতেও। বিশেষ করে সরকার পতনের পর থেকে চাল, ডাল, মাছ, মাংস,
তেল, তরিতরকারী, ফলমূলসহ সকল নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম আগেকার তুলনায়
অনেক বৃদ্ধি হওয়ায় সাধারণ জনগণের ক্রয় ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে। ফলে
জনজীবন হয়ে উঠেছে অতিষ্ট।
খবর নিয়ে জানা গেছে, ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে বিভিন্ন অজুহাতে
নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বাড়িয়ে সাধারণ মানুষকে বিপাকে ফেলছে। একবার
যে পন্যের দাম বাড়ে তা আর কমে না। সাধারণ মানুষের অভিমত ভোক্তাদের অধিকার
সংরক্ষণের জন্য কনজিউমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(ক্যাব) প্রতিষ্ঠিত হলেও
বাজারের উপর সরকারের সিরিয়াস নিয়ন্ত্রণ না থাকায় হু হু করে বেড়ে চলেছে নিত্য
প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দাম। নিম্ন আয়ের মানুষ যা আয় করছে তার পুরোটাই শেষ
হয়ে যাচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করতে। স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা
ইত্যাদির জন্য ব্যয় করার মতো অর্থ তাদের হাতে থাকছে না, থাকছেনা সঞ্চিত করার
মতো কোন অর্থ।
পুটিবিলা থেকে বাজার করতে আসা হেলাল বিন বাদশা বলেন কিছু অসাধু
ব্যবসায়ীদের জন্য দ্রব্যমূল্য লাগামহীন ভাবে বাড়ে। অতিরিক্ত মুনাফার আশায় অনেকে
অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়িয়ে দেন। তারা পণ্য মজুদ
করে কৃত্রিম সংকট করেন বলেই দ্রব্যমূল্য হঠাৎ দামের পরিবর্তন হয় ঘনঘন।
গোরকঘাটা রাখাইনপাড়ার বাসিন্দা শাহীন আরফাত বলেন স্থানীয় প্রশাসনের
উচিৎ দ্রব্যের দাম যাতে সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে না চলে যায় তার জন্য
নানামুখি উদ্যোগ গ্রহণ করা এবং মনিটরিং এর মাধ্যমে আইন প্রণয়ন করা।
গোরকঘাটা বাজারের মাছ বাজার ও সবজি বাজারের সিন্ডিকেট চক্রের কারণে মাছ
তারকারী, সবজির দাম বড় মহেশখালী বাজারের থেকে বেশী। পাশাপাশি বেড়েছে
মুদি মালের দামও। মনিটরিং এর মাধ্যমে বেশী মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের
প্রশাসনিকভাবে ব্যবস্থা নিয়ে দোকানের সামনে বাধ্যতামূলক নিত্যপ্রয়োজনীয়

পণ্যের মূল্য তালিকা টাঙ্গিয়ে রাখালে মানুষ উচিৎ মুল্যে পন্য ক্রয় করতে পারতো বলে
আমার বিশ্বাস।

জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে দিশেহারা মহেশখালীর নিম্ন আয়ের মানুষ

আপডেট সময় : ০৩:২৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মহেশখালীতে প্রায় চার লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। অধিকাংশ মানুষ কৃষি ও জেলে
পেশার সাথে সম্পৃক্ত। আবার কিছু মানুষ দিনমজুর কাজ করে জীবিকা নির্বাহ
করে থাকে। অভাব আর দারিদ্রের কশাঘাতে আজকের জনজীবন দুঃখ ও হাহাকারে
পরিপূর্ণ তার উপর চেপে বসেছে দ্রব্যমূল্য উর্ধ্বগতি। দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির ফলে
বাজারে এখন হাত ঠেকানোই দায় হয়ে পড়েছে নিম্নমধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত এমন
কী মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষেরও। গত কয়েক মাসে আটা-ময়দাসহ অন্যান্য
জিনিসপত্রের দাম কেজিতে ১৫-২০ টাকা করে বেড়েছে। এ ছাড়াও শিশু খাদ্য সহ
মাছ-মুরগির খাদ্য ইত্যাদির মূল্য বেড়েছে অনিয়ন্ত্রিত হারে। যার প্রভাব পড়ছে
উৎপন্ন পণ্যেগুলোতেও। বিশেষ করে সরকার পতনের পর থেকে চাল, ডাল, মাছ, মাংস,
তেল, তরিতরকারী, ফলমূলসহ সকল নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম আগেকার তুলনায়
অনেক বৃদ্ধি হওয়ায় সাধারণ জনগণের ক্রয় ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে। ফলে
জনজীবন হয়ে উঠেছে অতিষ্ট।
খবর নিয়ে জানা গেছে, ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে বিভিন্ন অজুহাতে
নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বাড়িয়ে সাধারণ মানুষকে বিপাকে ফেলছে। একবার
যে পন্যের দাম বাড়ে তা আর কমে না। সাধারণ মানুষের অভিমত ভোক্তাদের অধিকার
সংরক্ষণের জন্য কনজিউমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(ক্যাব) প্রতিষ্ঠিত হলেও
বাজারের উপর সরকারের সিরিয়াস নিয়ন্ত্রণ না থাকায় হু হু করে বেড়ে চলেছে নিত্য
প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দাম। নিম্ন আয়ের মানুষ যা আয় করছে তার পুরোটাই শেষ
হয়ে যাচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করতে। স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা
ইত্যাদির জন্য ব্যয় করার মতো অর্থ তাদের হাতে থাকছে না, থাকছেনা সঞ্চিত করার
মতো কোন অর্থ।
পুটিবিলা থেকে বাজার করতে আসা হেলাল বিন বাদশা বলেন কিছু অসাধু
ব্যবসায়ীদের জন্য দ্রব্যমূল্য লাগামহীন ভাবে বাড়ে। অতিরিক্ত মুনাফার আশায় অনেকে
অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়িয়ে দেন। তারা পণ্য মজুদ
করে কৃত্রিম সংকট করেন বলেই দ্রব্যমূল্য হঠাৎ দামের পরিবর্তন হয় ঘনঘন।
গোরকঘাটা রাখাইনপাড়ার বাসিন্দা শাহীন আরফাত বলেন স্থানীয় প্রশাসনের
উচিৎ দ্রব্যের দাম যাতে সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে না চলে যায় তার জন্য
নানামুখি উদ্যোগ গ্রহণ করা এবং মনিটরিং এর মাধ্যমে আইন প্রণয়ন করা।
গোরকঘাটা বাজারের মাছ বাজার ও সবজি বাজারের সিন্ডিকেট চক্রের কারণে মাছ
তারকারী, সবজির দাম বড় মহেশখালী বাজারের থেকে বেশী। পাশাপাশি বেড়েছে
মুদি মালের দামও। মনিটরিং এর মাধ্যমে বেশী মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের
প্রশাসনিকভাবে ব্যবস্থা নিয়ে দোকানের সামনে বাধ্যতামূলক নিত্যপ্রয়োজনীয়

পণ্যের মূল্য তালিকা টাঙ্গিয়ে রাখালে মানুষ উচিৎ মুল্যে পন্য ক্রয় করতে পারতো বলে
আমার বিশ্বাস।