০২:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএফআরআইয়ে ‘বার্ষিক গবেষণা অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা প্রণয়ন’ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) ময়মনসিংহে “বার্ষিক গবেষণা অগ্রগতি (২০২৪-২৫) পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা প্রণয়ন (২০২৫-২৬)” শীর্ষক কর্মশালা আয়োজন করেছে। কর্মশালার উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. ফরিদা আখতার। প্রধান অতিথি ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের।

ড. ফরিদা আখতার বলেন, “মুক্ত জলাশয়ের মাছের উৎপাদন কমে যাচ্ছে। আমাদের শুধু বদ্ধ জলাশয়ের মাছ নয়, মুক্ত জলাশয়ের মাছের উৎপাদন বাড়ানোও জরুরি। হাওরে ট্যুরিজম, জমি ভরাট এবং কীটনাশকের প্রভাবের গবেষণা প্রয়োজন। অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।”

সচিব আবু তাহের জাকের বলেন, “নতুন ও উন্নত জাতের মাছের প্রজনন ক্ষেত্র তৈরি, সমুদ্র ও নদীতে আহরণের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিজ্ঞানীদের যথাযথ সম্মান নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।”

 

বিএফআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিএফআরআইয়ের ৫টি কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র থেকে আগত বিজ্ঞানীরা ৫০টি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। গবেষকরা জানান, সুবর্ণ রুই, দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ, রাঁজপুটি উদ্ভাবন, কুঁচিয়া ও কৈ মাছের চাষ প্রযুক্তি, ডিএনএ বারকোডিং, মাছের ভ্যাকসিন উদ্ভাবনসহ উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, মেকং নদীর জায়ান্ট পাঙ্গাস এবং বিলুপ্তপ্রায় মহাশোল মাছের কৃত্রিম প্রজনন ও চাষ প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটে সফলভাবে প্রবর্তিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব গবেষণা দেশের মাছের উৎপাদন বাড়ানো ছাড়াও জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএফআরআইয়ে ‘বার্ষিক গবেষণা অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা প্রণয়ন’ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৬:৪০:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) ময়মনসিংহে “বার্ষিক গবেষণা অগ্রগতি (২০২৪-২৫) পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা প্রণয়ন (২০২৫-২৬)” শীর্ষক কর্মশালা আয়োজন করেছে। কর্মশালার উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. ফরিদা আখতার। প্রধান অতিথি ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের।

ড. ফরিদা আখতার বলেন, “মুক্ত জলাশয়ের মাছের উৎপাদন কমে যাচ্ছে। আমাদের শুধু বদ্ধ জলাশয়ের মাছ নয়, মুক্ত জলাশয়ের মাছের উৎপাদন বাড়ানোও জরুরি। হাওরে ট্যুরিজম, জমি ভরাট এবং কীটনাশকের প্রভাবের গবেষণা প্রয়োজন। অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।”

সচিব আবু তাহের জাকের বলেন, “নতুন ও উন্নত জাতের মাছের প্রজনন ক্ষেত্র তৈরি, সমুদ্র ও নদীতে আহরণের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিজ্ঞানীদের যথাযথ সম্মান নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।”

 

বিএফআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিএফআরআইয়ের ৫টি কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র থেকে আগত বিজ্ঞানীরা ৫০টি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। গবেষকরা জানান, সুবর্ণ রুই, দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ, রাঁজপুটি উদ্ভাবন, কুঁচিয়া ও কৈ মাছের চাষ প্রযুক্তি, ডিএনএ বারকোডিং, মাছের ভ্যাকসিন উদ্ভাবনসহ উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, মেকং নদীর জায়ান্ট পাঙ্গাস এবং বিলুপ্তপ্রায় মহাশোল মাছের কৃত্রিম প্রজনন ও চাষ প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটে সফলভাবে প্রবর্তিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব গবেষণা দেশের মাছের উৎপাদন বাড়ানো ছাড়াও জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এমআর/সবা