বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১১তম আসর আসন্ন। বিপিএলের গভর্নিং কাউন্সিল এবার আর্থিক স্বচ্ছতায় সবচেয়ে জোর দেওয়ার কথা বলেছে। অথচ বিসিবি বেধে নেওয়া নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংক জামানত দিতে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো গড়িমসি করছে। কর্তাদের প্রতিশ্রুত কিছুই এখন পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি।
বিসিবি থেকে নিয়মিত ব্রিফ না করায় ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি, ব্যাংক জামানত নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে জনমনে। ফ্র্যাঞ্চাইজিদের দুর্বলতা আড়াল করতে বিসিবি থেকেই বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। ১০ দিন আগে থেকে বলা হয়েছে, বেশির ভাগ ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যাংক জামানত ও চেকের মাধ্যমে ১০ কোটি টাকা দিয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি পাঁচ কোটি টাকার ব্যাংক জামানত দিয়েছে। আরেকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি ১০ কোটি টাকার চেক দিয়েছে বলে খবর। এ ব্যাপারে জানতে চেয়ে ইফতেখার রহমান মিঠুকে ফোন করা হলে তিনি সাড়া দেননি।
এবারের বিপিএলের খেলোয়াড়দের নিলামের তারিখ তিনবার পরিবর্তন করা হয়েছে। ৩০ নভেম্বর নিলামের দিন ঠিক করা হলেও এখন পর্যন্ত খেলোয়াড় তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। সরাসরি সাইনিং ক্রিকেটার নিয়েও রয়েছে ধোঁয়াশা। কেউ জানে না বিদেশি ক্রিকেটারদের তালিকায় কোন মানের খেলোয়াড় রয়েছে। সেখানে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি নেওয়ায়।
বিপিএলকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করতে আন্তর্জাতিক স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান আইএমজিকে নিয়োগ দিয়েছে। বিসিবির হযবরল অবস্থা থেকে আইএমজি কর্মকর্তারাও বুঝতে পারছে না কীভাবে বিপিএলের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। টিভি সম্প্রচার স্বত্ব, ইনস্টেডিয়া, টিম স্পন্সর নিয়ে দেখা দিয়েছে জটিলতা। বিসিবির সিদ্ধান্ত ঝুলে থাকায় ফ্র্যাঞ্চাইজিরাও কার্যক্রম এগিয়ে নিতে পারছে না।
এমআর/সবা


























