ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, জুলাই সনদ দেশের সব রাজনৈতিক দলের দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে প্রণীত একটি ঐকমত্যভিত্তিক দলিল, যা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশার প্রতিফলন। গণভোটের মাধ্যমে জনগণও এ সনদের প্রতি সম্মতি দিয়েছে। তাই সনদের নির্দেশনা অনুযায়ী ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করা এখন আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে নির্বাচনোত্তর দলীয় পর্যালোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভাটি অনুষ্ঠিত হয় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দলের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ পাঠানো এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়।
সভায় চরমোনাই পীর বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিভিন্ন আসনে নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কোথাও প্রার্থীর এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার, কোথাও ভোটের শিটে কাটাকাটি কিংবা অকারণে ভোট বাতিলের মতো ঘটনার অভিযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, এসব অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়ে সুষ্ঠু ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র উদঘাটন করতে হবে। যেখানে অনিয়মের প্রমাণ মিলবে, সেখানে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচন নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমদ, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।
শু/সবা





















