দীর্ঘ ৩৫ বছর পর দেশের কোনো নির্বাচিত পুরুষ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে অংশ নিতে যাচ্ছেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন-এর সঙ্গে একই জামাতে তার এই অংশগ্রহণকে দেশের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ইতিহাসে এক বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
১৯৮৯-৯০ সালে কাজী জাফর আহমদ ছিলেন দেশের শেষ পুরুষ প্রধানমন্ত্রী। এরপর দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় পর এই প্রথম কোনো পুরুষ প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করবেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী শুক্রবার বা শনিবার সারা দেশে ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আয়োজনে জাতীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, স্বাধীন ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী সরাসরি এই জামাতে অংশ নিচ্ছেন। দীর্ঘদিন পর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে একজন পুরুষ প্রধানমন্ত্রীকে একই জামাতে নামাজ আদায় করতে দেখা যাবে, যা একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।
সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম জানান, প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায়ের সম্মতি দিয়েছেন। তার সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে ফখরুদ্দীন আহমদ এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ঈদের জামাতে অংশ নিলেও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৯৯০ সালের পর এবারই প্রথম এই অংশগ্রহণ ঘটছে।
জাতীয় ঈদগাহে প্রায় ৩৫ হাজার মানুষের নামাজের ব্যবস্থা থাকলেও নারী-পুরুষ মিলিয়ে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ নামাজ আদায় করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে। নারীদের জন্য আলাদা নামাজের স্থান ও ওজুর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
ঈদগাহের নিরাপত্তায় পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। ভিভিআইপিদের নিরাপত্তায় স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) সক্রিয় থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
নগরবাসীকে জাতীয় ঈদগাহে এসে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
শু/সবা
সবুজ বাংলা ডিজিটাল রিপোর্ট 






















