দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে সরকার শুধু ক্রিকেট বা ফুটবলে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সার্ফিংসহ সব ধরনের খেলাধুলার উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে কক্সবাজারে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে অনেক খেলোয়াড়কে বেতনের আওতায় আনা হয়েছে এবং আর্থিকভাবে দুর্বল ফেডারেশনগুলোকেও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতে অষ্টম জাতীয় সার্ফিং প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করতে গিয়ে একথা বলেন।
৩ এপ্রিল, শুক্রবার সকালে লাবনী পয়েন্টে জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে বিশেষ অতিথি ছিলেন কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল, বাংলাদেশ সার্ফিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) এ কে এম মুজাহিদ উদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি খন্দকার সাইফুল ইসলাম, স্পন্সর প্রতিষ্ঠান কিউটের কর্ণধার কাজী রাজীব উদ্দিন আহমেদ চপল এবং সার্ফিং অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন।
দুই দিনের এই আসরে তিনটি ক্যাটাগরিতে পুরুষ ও নারী বিভাগে অংশ নিয়েছেন ৭০ জন দেশি সার্ফার। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন যে এই আয়োজন দেশে সার্ফিং খেলাকে আরও জনপ্রিয় ও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করবে।
পরে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামের অবকাঠামো, স্পোর্টস ভিলেজ এলাকা, বিকেএসপি এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কার্যালয়ের কার্যক্রমও পরিদর্শন করেন
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে কক্সবাজারের মাঠে আন্তর্জাতিক ম্যাচ ফেরানো কিছুটা কঠিন। তবে আমরা এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য বেশ কিছু সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। তিনি আরও জানান, কক্সবাজারকে কেবল পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে নয়, বরং ‘স্পোর্টস ট্যুরিজম’-এর একটি বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার। স্টেডিয়ামের গ্যালারি ও অবকাঠামো আধুনিকায়ন করে দর্শকদের জন্য বিশ্বমানের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
শু/সবা
এম জসিম উদ্দিন, কক্সবাজার 






















