০৪:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বান্দরবানে ৩০০নং আসনে নৌকা প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল

যতই সামনে আগাচ্ছে ততই বাড়ছে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের উৎসবের আমেজ। প্রতীক বরাদ্ধ পরপরই প্রচার প্রচারণায় মাঠে নেমে পড়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামিলীগ দলের নৌকা প্রার্থী বীর বাহাদুর উশৈসিং। গত রবিবার জেলা প্রশাসক রিটার্নিং কর্মকর্তা নৌকা প্রতীক বরাদ্ধ দেওয়ার পরই মাঠে প্রচারণা শুরু করেছে।
অন্যদিকে নৌকা প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি লাঙ্গল প্রার্থী এসএম শহিদুল ইসলামকে এখনো মাঠে প্রচারণা করতে দেখা যায়নি। জেলা কিংবা উপজেলাতে তার লাঙ্গল প্রতীকে পোষ্টারের চিত্র দেখা মেলেনি। তবে মাঠ পর্যায়ের দলের কয়েকজন কর্মীকে নিয়ে গ্রামে গ্রামে গিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামিলীগ ও জাতীয় পার্টি ছাড়া নির্বাচনের আর কোন দল অংশ নেননি৷ স্বতন্ত্র হিসেবে ডামিং প্রার্থী মঙ্যেয়ে প্রু নির্বাচনে অংশ নিলেও পরে তিনি মনোনয়ন পত্র প্রত্যহার করেছেন। এই পর্যন্ত পার্বত্য জেলা ৩০০ নং বান্দরবানের আসনের  আওয়ামিলীগের প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি ।
আগামী ৭ই জানুয়ারি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলা শহরের বয়ছে উৎসবের আমেজ। শহরে কিংবা গ্রাম মহল্লায় ছেয়ে গেছে নৌকা প্রতীকের পোষ্টারের ছবি। আনন্দের মিছিল বের করেছে যুবলীগ, কৃষকলীগ, ছাত্রলীগ সহ অনান্য সংগঠনের নেতাকর্মীরা। প্রতীক বরাদ্ধ পরই আওয়ামিলীগের নৌকা প্রার্থী বীর বাহাদুর উশৈসিং প্রচার প্রচারণা শুরু করেছেন দুর্গম এলাকার থানচি উপজেলার থেকে। এরপর রুমা উপজেলার প্রচার প্রচারণা শুরু করেছেন। ধাপে ধাপে ৭টি উপজেলার প্রচার প্রচারণা করবেন বলে দলের নেতাকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে।
জেলা নির্বাচন কমিশন অফিসের তথ্যমতে, বান্দরবান জেলার ৭টি উপজেলা ও ২টি পৌরসভা ও  ৩৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই জেলার। এর আয়তন ৪ হাজার ৪শ ৭৯ দশমিক শুণ্য এক । নির্বাচনী আসনের আয়তন ৪ হাজার ৪শ ৭৯ দশমিক শুণ্য এক । বান্দরবান সংসদীয় আসনে মোট ভোটার দুই লাখ ৮৮ হাজার ২৯ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার এক লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৬ এবং পুরুষ ভোটার এক লাখ ৪৮ হাজার ৫৮৪ জন।
নির্বাচন সূত্রে আরো জানা যায়,  মোট ভোটকেন্দ্র ১৮২টি। জেলা থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ১২টি কেন্দ্রে হেলিকপ্টারে নির্বাচনি সরঞ্জাম পৌঁছানো হবে। এছাড়া ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচার- প্রচারণা শুরু করেছে প্রার্থীরা। যা চলবে আগামী ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত।
সর্বশেষ পার্বত্য জেলার ৩০০নং আসনে বান্দরবানের ছয়বার নির্বাচিত আওয়ামীলীগের  প্রার্থী বীর বাহাদুর উশৈসিং। তিনি ১৯৯১ সালে, ১৯৯৬ সালে, ২০০১ সালে, ২০০৮ সালে, ২০১৪ সালে ও সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর ষষ্ঠ বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং ২০১৯ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে একই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দ্বাদশ সাংসদ নির্বাচনে ৭ম বারের মতো দলীয় মনোনয়ন পেয়ে আলোচনায় আসেন।  এবারেও বীর বাহাদুর উশৈসিং ৭ম বারের মতন আবারো  নৌকা নির্বাচিত হবে এবং বান্দরবানকে স্মার্ট জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে নৌকা ছাড়া বিকল্প নাই বলে জানান আওয়ামিলীগের নেতাকর্মীরা।
অন্যদিকে জাতীয় পার্টির আনোয়ার হোসেন মঞ্জু দলের বান্দরবানের ৩০০নং আসনের লাঙ্গল প্রার্থী এটিএম শহিদুল ইসলাম। তিনি এই প্রথম নির্বাচনের অংশ নিয়েছেন। তবে তাকে অন্যতম প্রতিদ্বন্ধী মনে করা হলেও ভোটারদের কাছে তেমন পরিচিত নয় । তিনি জাতীয় পার্টির লামার সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছেন এবং বসবাস করেন, উপজেলাটির নুনার বিল এলাকায়।
বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহ মোজাহিদ উদ্দিন বলেন, ‘রাজনৈতিক দলের সব প্রার্থী ও অনুসারীকে নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে প্রচারণা চালাতে হবে। আজ থেকে প্রচারণা শুরু হচ্ছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রবাসীদের সুসংবাদ দিলেন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

বান্দরবানে ৩০০নং আসনে নৌকা প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল

আপডেট সময় : ১২:২২:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৩
যতই সামনে আগাচ্ছে ততই বাড়ছে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের উৎসবের আমেজ। প্রতীক বরাদ্ধ পরপরই প্রচার প্রচারণায় মাঠে নেমে পড়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামিলীগ দলের নৌকা প্রার্থী বীর বাহাদুর উশৈসিং। গত রবিবার জেলা প্রশাসক রিটার্নিং কর্মকর্তা নৌকা প্রতীক বরাদ্ধ দেওয়ার পরই মাঠে প্রচারণা শুরু করেছে।
অন্যদিকে নৌকা প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি লাঙ্গল প্রার্থী এসএম শহিদুল ইসলামকে এখনো মাঠে প্রচারণা করতে দেখা যায়নি। জেলা কিংবা উপজেলাতে তার লাঙ্গল প্রতীকে পোষ্টারের চিত্র দেখা মেলেনি। তবে মাঠ পর্যায়ের দলের কয়েকজন কর্মীকে নিয়ে গ্রামে গ্রামে গিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামিলীগ ও জাতীয় পার্টি ছাড়া নির্বাচনের আর কোন দল অংশ নেননি৷ স্বতন্ত্র হিসেবে ডামিং প্রার্থী মঙ্যেয়ে প্রু নির্বাচনে অংশ নিলেও পরে তিনি মনোনয়ন পত্র প্রত্যহার করেছেন। এই পর্যন্ত পার্বত্য জেলা ৩০০ নং বান্দরবানের আসনের  আওয়ামিলীগের প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি ।
আগামী ৭ই জানুয়ারি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলা শহরের বয়ছে উৎসবের আমেজ। শহরে কিংবা গ্রাম মহল্লায় ছেয়ে গেছে নৌকা প্রতীকের পোষ্টারের ছবি। আনন্দের মিছিল বের করেছে যুবলীগ, কৃষকলীগ, ছাত্রলীগ সহ অনান্য সংগঠনের নেতাকর্মীরা। প্রতীক বরাদ্ধ পরই আওয়ামিলীগের নৌকা প্রার্থী বীর বাহাদুর উশৈসিং প্রচার প্রচারণা শুরু করেছেন দুর্গম এলাকার থানচি উপজেলার থেকে। এরপর রুমা উপজেলার প্রচার প্রচারণা শুরু করেছেন। ধাপে ধাপে ৭টি উপজেলার প্রচার প্রচারণা করবেন বলে দলের নেতাকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে।
জেলা নির্বাচন কমিশন অফিসের তথ্যমতে, বান্দরবান জেলার ৭টি উপজেলা ও ২টি পৌরসভা ও  ৩৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই জেলার। এর আয়তন ৪ হাজার ৪শ ৭৯ দশমিক শুণ্য এক । নির্বাচনী আসনের আয়তন ৪ হাজার ৪শ ৭৯ দশমিক শুণ্য এক । বান্দরবান সংসদীয় আসনে মোট ভোটার দুই লাখ ৮৮ হাজার ২৯ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার এক লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৬ এবং পুরুষ ভোটার এক লাখ ৪৮ হাজার ৫৮৪ জন।
নির্বাচন সূত্রে আরো জানা যায়,  মোট ভোটকেন্দ্র ১৮২টি। জেলা থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ১২টি কেন্দ্রে হেলিকপ্টারে নির্বাচনি সরঞ্জাম পৌঁছানো হবে। এছাড়া ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচার- প্রচারণা শুরু করেছে প্রার্থীরা। যা চলবে আগামী ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত।
সর্বশেষ পার্বত্য জেলার ৩০০নং আসনে বান্দরবানের ছয়বার নির্বাচিত আওয়ামীলীগের  প্রার্থী বীর বাহাদুর উশৈসিং। তিনি ১৯৯১ সালে, ১৯৯৬ সালে, ২০০১ সালে, ২০০৮ সালে, ২০১৪ সালে ও সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর ষষ্ঠ বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং ২০১৯ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে একই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দ্বাদশ সাংসদ নির্বাচনে ৭ম বারের মতো দলীয় মনোনয়ন পেয়ে আলোচনায় আসেন।  এবারেও বীর বাহাদুর উশৈসিং ৭ম বারের মতন আবারো  নৌকা নির্বাচিত হবে এবং বান্দরবানকে স্মার্ট জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে নৌকা ছাড়া বিকল্প নাই বলে জানান আওয়ামিলীগের নেতাকর্মীরা।
অন্যদিকে জাতীয় পার্টির আনোয়ার হোসেন মঞ্জু দলের বান্দরবানের ৩০০নং আসনের লাঙ্গল প্রার্থী এটিএম শহিদুল ইসলাম। তিনি এই প্রথম নির্বাচনের অংশ নিয়েছেন। তবে তাকে অন্যতম প্রতিদ্বন্ধী মনে করা হলেও ভোটারদের কাছে তেমন পরিচিত নয় । তিনি জাতীয় পার্টির লামার সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছেন এবং বসবাস করেন, উপজেলাটির নুনার বিল এলাকায়।
বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহ মোজাহিদ উদ্দিন বলেন, ‘রাজনৈতিক দলের সব প্রার্থী ও অনুসারীকে নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে প্রচারণা চালাতে হবে। আজ থেকে প্রচারণা শুরু হচ্ছে।