০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যাত্রীবাহী বিমান তৈরির প্রথম কারখানা নির্মাণ করল ইরান

প্রথমবারের মতো যাত্রীবাহী বিমান তৈরির কারখানা নির্মাণ করেছে ইরান। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ মোহাম্মাদি বখশ এ কথা জানিয়েছেন।
গত মঙ্গলবার রাজধানী তেহরানে এক আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর অবকাশে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ঘোষণা দেন তিনি।
মোহাম্মাদি বখশ বলেন, “আজকে আমরা ঘোষণা দিচ্ছি যে, আমাদের হাতে এখন যাত্রীবাহী বিমান তৈরির কারখানা রয়েছে।” তিনি এই কারখানার নাম ‘সি মোরগ’ বলে ঘোষণা করেন।
মোহাম্মাদি বখশ জানান, বিমান তৈরির এই কারখানা নির্মাণের সঙ্গে ইরানের সড়ক ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিল্প, খনি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যুক্ত ছিল।
ইরান ১৯৯০ সালের দিক থেকে যুদ্ধ বিমান তৈরি করে আসছে। এরইমধ্যে ইরান আজারাখ্শ এবং সাইকেহ নামে দুই ধরনের যুদ্ধবিমান তৈরি করেছে।
২০১৫ সালে ইরান দুই আসনবিশিষ্ট সাইকেহ বিমান তৈরি করে। এছাড়া, ২০২০ সালে ইরানের বিমান বাহিনী কাওসার নামে একটি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ব্যবহারের জন্য হাতে পেয়েছে। এ বিমানও ইরানের বিশেষজ্ঞরা তৈরি করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আইসিবিতে শুরু হলো প্রাণিস্বাস্থ্য ও মৎস্য খাতের প্রদর্শনী

যাত্রীবাহী বিমান তৈরির প্রথম কারখানা নির্মাণ করল ইরান

আপডেট সময় : ০৫:৩১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৩

প্রথমবারের মতো যাত্রীবাহী বিমান তৈরির কারখানা নির্মাণ করেছে ইরান। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ মোহাম্মাদি বখশ এ কথা জানিয়েছেন।
গত মঙ্গলবার রাজধানী তেহরানে এক আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর অবকাশে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ঘোষণা দেন তিনি।
মোহাম্মাদি বখশ বলেন, “আজকে আমরা ঘোষণা দিচ্ছি যে, আমাদের হাতে এখন যাত্রীবাহী বিমান তৈরির কারখানা রয়েছে।” তিনি এই কারখানার নাম ‘সি মোরগ’ বলে ঘোষণা করেন।
মোহাম্মাদি বখশ জানান, বিমান তৈরির এই কারখানা নির্মাণের সঙ্গে ইরানের সড়ক ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিল্প, খনি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যুক্ত ছিল।
ইরান ১৯৯০ সালের দিক থেকে যুদ্ধ বিমান তৈরি করে আসছে। এরইমধ্যে ইরান আজারাখ্শ এবং সাইকেহ নামে দুই ধরনের যুদ্ধবিমান তৈরি করেছে।
২০১৫ সালে ইরান দুই আসনবিশিষ্ট সাইকেহ বিমান তৈরি করে। এছাড়া, ২০২০ সালে ইরানের বিমান বাহিনী কাওসার নামে একটি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ব্যবহারের জন্য হাতে পেয়েছে। এ বিমানও ইরানের বিশেষজ্ঞরা তৈরি করেছেন।