১২:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সোনারগাঁয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবক নিহতের ঘটনায় দুইজন গ্রেফতার

র‍্যাব-১১, সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জ এবং র‍্যাব-৯, সিপিএসসি, সিপিসি-১, সিলেট এর একটি যৌথ বিশেষ আভিযানিক দল মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সোনারগাঁয়ে যুবক নিহতের ঘটনায় প্রধান আসামী জসিম ও তার ছেলে ফাহাদকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর মডেল থানার বিশ্বরোড এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার দুপুরে র‌্যাব-১১’র মিডিয়া অফিসার মেঝর অনাবিল ইমাম হত্যা মামলার দুই আসামীর গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁর পশ্চিম কান্দারগাঁও এলাকায় বালু ভরাট, ঠিকাদারি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে পারভেজ হোসেন (২৮) নামের একজন রাজমিস্ত্রি নিহত হয়। নিহতের বাবা, দুই ভাইসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়। গতকাল ১৬ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের পূর্ব ও পশ্চিম কান্দারগাঁও গ্রামের জাকির হোসেন ও জসীম উদ্দিনের মধ্যে বালু ভরাট, ঠিকাদারি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। কান্দারগাঁও থেকে সোনারগাঁ উপজেলায় যাতায়াতের জন্য একটি রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে শুক্রবার জুম্মার নামাজের আগে মসজিদের ভেতরে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতন্ডা হয়। নামাজ শেষে উভয় পক্ষের লোকজন দেশি অস্ত্র টেঁটা, রামদা ও লাঠি নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় জাকিরের চাচাতো ভাই পারভেজ টেঁটাবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যায়। পারভেজের ওপর হামলা ঠেকাতে গিয়ে তার বাবা মোতালেব, বড় ভাই রিটন, ছোট ভাই হৃদয়সহ জাকিরের ভাই রুহুল আমিন ও আক্তার হোসেন মারাত্মক আহত হয়। অন্যদিকে জসীম উদ্দিনের পক্ষের দেলোয়ার, জামান, কামাল ও মহসিন আহত হয়। এরই প্রেক্ষিতে নিহত পারভেজের ভাই হৃদয় মিয়া (২৪) বাদী হয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে সোনারগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সাথে জড়িত পলাতক আসামীদেরকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‍্যাব-১১, সিপিএসসি কোম্পানি, নারায়ণগঞ্জ এর একটি চৌকশ গোয়েন্দা টীম যথাযথ গুরুত্বের সাথে তাদের অবস্থান সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতারের চেষ্টা করে। পরবর্তীতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে চা ল্যকর হত্যাকান্ডে জড়িত প্রধান আসামী জসিম (৪৮) ও তার ছেলে ফাহাদ (২৩)কে গ্রেফতার করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনারগাঁয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবক নিহতের ঘটনায় দুইজন গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৫:৪০:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

র‍্যাব-১১, সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জ এবং র‍্যাব-৯, সিপিএসসি, সিপিসি-১, সিলেট এর একটি যৌথ বিশেষ আভিযানিক দল মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সোনারগাঁয়ে যুবক নিহতের ঘটনায় প্রধান আসামী জসিম ও তার ছেলে ফাহাদকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর মডেল থানার বিশ্বরোড এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার দুপুরে র‌্যাব-১১’র মিডিয়া অফিসার মেঝর অনাবিল ইমাম হত্যা মামলার দুই আসামীর গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁর পশ্চিম কান্দারগাঁও এলাকায় বালু ভরাট, ঠিকাদারি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে পারভেজ হোসেন (২৮) নামের একজন রাজমিস্ত্রি নিহত হয়। নিহতের বাবা, দুই ভাইসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়। গতকাল ১৬ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের পূর্ব ও পশ্চিম কান্দারগাঁও গ্রামের জাকির হোসেন ও জসীম উদ্দিনের মধ্যে বালু ভরাট, ঠিকাদারি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। কান্দারগাঁও থেকে সোনারগাঁ উপজেলায় যাতায়াতের জন্য একটি রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে শুক্রবার জুম্মার নামাজের আগে মসজিদের ভেতরে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতন্ডা হয়। নামাজ শেষে উভয় পক্ষের লোকজন দেশি অস্ত্র টেঁটা, রামদা ও লাঠি নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় জাকিরের চাচাতো ভাই পারভেজ টেঁটাবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যায়। পারভেজের ওপর হামলা ঠেকাতে গিয়ে তার বাবা মোতালেব, বড় ভাই রিটন, ছোট ভাই হৃদয়সহ জাকিরের ভাই রুহুল আমিন ও আক্তার হোসেন মারাত্মক আহত হয়। অন্যদিকে জসীম উদ্দিনের পক্ষের দেলোয়ার, জামান, কামাল ও মহসিন আহত হয়। এরই প্রেক্ষিতে নিহত পারভেজের ভাই হৃদয় মিয়া (২৪) বাদী হয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে সোনারগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সাথে জড়িত পলাতক আসামীদেরকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‍্যাব-১১, সিপিএসসি কোম্পানি, নারায়ণগঞ্জ এর একটি চৌকশ গোয়েন্দা টীম যথাযথ গুরুত্বের সাথে তাদের অবস্থান সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতারের চেষ্টা করে। পরবর্তীতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে চা ল্যকর হত্যাকান্ডে জড়িত প্রধান আসামী জসিম (৪৮) ও তার ছেলে ফাহাদ (২৩)কে গ্রেফতার করা হয়।