০৯:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বুটেক্স কেন্দ্রীয় উপাসনালয়ের শুভ উদ্বোধন 

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য কেন্দ্রীয় উপাসনালয় উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ সোমবার (২৫ মার্চ) সকালে নবনির্মিত এই ধর্মীয় কেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কাবেরী মজুমদার। উদ্বোধন শেষে সকাল ১১‌টায় উপাসনালয়ে মাঙ্গলিক পূজো শুরু হয়। ঘট স্থাপন, চিত্রপটে প্রাণ প্রতিষ্ঠা, ভোগ আরতি, পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ ও সবশেষে সনাতনীদের মাঝে প্রসাদ বিতরণের মাধ্যমে পূজা সম্পন্ন হয়।
এ সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বুটেক্স ছাত্রলীগের সভাপতি তরিকুল ইসলাম টিপু, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) মিরাজুল ইসলাম মিরান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
উপাসনালয় উন্নয়নের কাজের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় হতে এই অর্থবছরে কোনো অনুদান দেওয়া হয়নি। যার কারণে সনাতনী শিক্ষার্থীরা নিজেদের অর্থায়নে সংস্করণের কাজ যেমন রুম রং করা, আসন বানানো, চিত্রপট, কার্পেটসহ আনুষঙ্গিক কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার জানায়, সনাতনী শিক্ষার্থীদের নিজেদের অর্থায়নে উপাসনালয়ের এই সংস্করণের কাজ‌ খুবই প্রশংসনীয়। তিনি পরবর্তী উন্নয়ন কার্যক্রমে ছাত্রদের সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়াও জীবনে আধ্যাত্মিকতার প্রয়োজনীয়তা এবং পড়াশোনার পাশাপাশি ধর্মচর্চার প্রতি অনুরক্ত থাকার জন্য সকল শিক্ষার্থীদের দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৫তম ব্যাচের ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী জয় পাল জানান, দীর্ঘ সময় পর আমাদের উপাচার্যের সদিচ্ছার কারণে প্রার্থনা কক্ষটি পেয়েছি। কক্ষটি আয়তনে ছোট হওয়ায় কারণে আজকে পূজা-অর্চনা করতে সমস্যা হয়েছে। আমাদের সনাতনী শিক্ষার্থীদের দাবি হলো আমাদের উপাসনার জন্য একটি স্থায়ী মন্দির তৈরি করা। মন্দির প্রতিষ্ঠা না হলেও‌ যাতে একটি বড় আয়তনের প্রার্থনা কক্ষ দেওয়া হয় যেখানে কমপক্ষে একশত জন‌ ভালোভাবে প্রার্থনা করতে পারে।
জনপ্রিয় সংবাদ

বুটেক্স কেন্দ্রীয় উপাসনালয়ের শুভ উদ্বোধন 

আপডেট সময় : ০৭:৩৬:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য কেন্দ্রীয় উপাসনালয় উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ সোমবার (২৫ মার্চ) সকালে নবনির্মিত এই ধর্মীয় কেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কাবেরী মজুমদার। উদ্বোধন শেষে সকাল ১১‌টায় উপাসনালয়ে মাঙ্গলিক পূজো শুরু হয়। ঘট স্থাপন, চিত্রপটে প্রাণ প্রতিষ্ঠা, ভোগ আরতি, পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ ও সবশেষে সনাতনীদের মাঝে প্রসাদ বিতরণের মাধ্যমে পূজা সম্পন্ন হয়।
এ সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বুটেক্স ছাত্রলীগের সভাপতি তরিকুল ইসলাম টিপু, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) মিরাজুল ইসলাম মিরান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
উপাসনালয় উন্নয়নের কাজের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় হতে এই অর্থবছরে কোনো অনুদান দেওয়া হয়নি। যার কারণে সনাতনী শিক্ষার্থীরা নিজেদের অর্থায়নে সংস্করণের কাজ যেমন রুম রং করা, আসন বানানো, চিত্রপট, কার্পেটসহ আনুষঙ্গিক কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার জানায়, সনাতনী শিক্ষার্থীদের নিজেদের অর্থায়নে উপাসনালয়ের এই সংস্করণের কাজ‌ খুবই প্রশংসনীয়। তিনি পরবর্তী উন্নয়ন কার্যক্রমে ছাত্রদের সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়াও জীবনে আধ্যাত্মিকতার প্রয়োজনীয়তা এবং পড়াশোনার পাশাপাশি ধর্মচর্চার প্রতি অনুরক্ত থাকার জন্য সকল শিক্ষার্থীদের দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৫তম ব্যাচের ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী জয় পাল জানান, দীর্ঘ সময় পর আমাদের উপাচার্যের সদিচ্ছার কারণে প্রার্থনা কক্ষটি পেয়েছি। কক্ষটি আয়তনে ছোট হওয়ায় কারণে আজকে পূজা-অর্চনা করতে সমস্যা হয়েছে। আমাদের সনাতনী শিক্ষার্থীদের দাবি হলো আমাদের উপাসনার জন্য একটি স্থায়ী মন্দির তৈরি করা। মন্দির প্রতিষ্ঠা না হলেও‌ যাতে একটি বড় আয়তনের প্রার্থনা কক্ষ দেওয়া হয় যেখানে কমপক্ষে একশত জন‌ ভালোভাবে প্রার্থনা করতে পারে।