০৮:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রংপুরে জিংক সমৃদ্ধ ফসলের চাষ সম্প্রসারণে আলোচনা সভা

 

রংপুরে জিংক সমৃদ্ধ ফসলের চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রবিবার রংপুর আরডিআরএস মিলনায়তনে কানাডা সরকারের আর্থিক সহায়তায় হার্ভেস্টপ্লসের সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রংপুর তাজহাট কৃষি ইন্সিটিটিউটের অধ্যক্ষ কৃষিবিদ মো.বেলাল উদ্দিন। আরডিআরএস এর হেড অব মাইক্রোফিন্যান্স রবীন চন্দ্র মন্ডলের সভাপতিত্বে অনষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মো. রিয়াজ উদ্দিন, বিএ ডিসি’র উপ পরিচালক মো. মাসুদ সুলতান, অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ এনামূল হক, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ পরিচালক ডা. সাইদুল ইসলাম, মেট্রোপলিটন কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সরিফুল ইসলাম প্রমূখ।

 

 

বক্তাগণ বলেন, জিংকের ঘাটতি শিশুদের শারীরিক ও মানষিক বৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করে, বন্ধ্যাত্ব, টাকপড়া, মায়েদের সমস্যা, রোগের সংক্রমণ, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, হরমোন বৃদ্ধিতে ও অন্যান্য জটিলতা সৃষ্টি করে। প্রকল্পের টিম লিডার ডক্টর এ কে এম সালাহ উদ্দিন জিংক প্রকল্পের কার্যক্রম ও গুরুত্ব স¤পর্কে অবগত করেন। তিনি বলেন, দেশে দস্তা ধানের চাষ ধীরে ধীরে কৃষকদের কাছে জনপ্রিয় করতে ও পুষ্টি গুণে ধানের মান স¤পন্ন বীজের চাহিদা বেড়েছে। ব্রি-৭৪, ৮৪, ১০০, ১০২ ও বঙ্গবন্ধু-১০০ জাতের ধান জিঙ্ক পরিপূর্ণ যা মানবদেহের পুষ্টি মেটাতে পারে। সাশ্রয়ী ও অধিক উৎপাদন হওয়ায় কৃষক এ ধান চাষে আগ্রহী হচ্ছে। অনুষ্ঠানে কৃষি কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠানের গবেষক, বীজ ব্যবসায়ী, কৃষক, আডিআরএস কর্মীসহ ৫০ জন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুরে জিংক সমৃদ্ধ ফসলের চাষ সম্প্রসারণে আলোচনা সভা

আপডেট সময় : ০৫:১৩:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪

 

রংপুরে জিংক সমৃদ্ধ ফসলের চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রবিবার রংপুর আরডিআরএস মিলনায়তনে কানাডা সরকারের আর্থিক সহায়তায় হার্ভেস্টপ্লসের সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রংপুর তাজহাট কৃষি ইন্সিটিটিউটের অধ্যক্ষ কৃষিবিদ মো.বেলাল উদ্দিন। আরডিআরএস এর হেড অব মাইক্রোফিন্যান্স রবীন চন্দ্র মন্ডলের সভাপতিত্বে অনষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মো. রিয়াজ উদ্দিন, বিএ ডিসি’র উপ পরিচালক মো. মাসুদ সুলতান, অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ এনামূল হক, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ পরিচালক ডা. সাইদুল ইসলাম, মেট্রোপলিটন কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সরিফুল ইসলাম প্রমূখ।

 

 

বক্তাগণ বলেন, জিংকের ঘাটতি শিশুদের শারীরিক ও মানষিক বৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করে, বন্ধ্যাত্ব, টাকপড়া, মায়েদের সমস্যা, রোগের সংক্রমণ, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, হরমোন বৃদ্ধিতে ও অন্যান্য জটিলতা সৃষ্টি করে। প্রকল্পের টিম লিডার ডক্টর এ কে এম সালাহ উদ্দিন জিংক প্রকল্পের কার্যক্রম ও গুরুত্ব স¤পর্কে অবগত করেন। তিনি বলেন, দেশে দস্তা ধানের চাষ ধীরে ধীরে কৃষকদের কাছে জনপ্রিয় করতে ও পুষ্টি গুণে ধানের মান স¤পন্ন বীজের চাহিদা বেড়েছে। ব্রি-৭৪, ৮৪, ১০০, ১০২ ও বঙ্গবন্ধু-১০০ জাতের ধান জিঙ্ক পরিপূর্ণ যা মানবদেহের পুষ্টি মেটাতে পারে। সাশ্রয়ী ও অধিক উৎপাদন হওয়ায় কৃষক এ ধান চাষে আগ্রহী হচ্ছে। অনুষ্ঠানে কৃষি কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠানের গবেষক, বীজ ব্যবসায়ী, কৃষক, আডিআরএস কর্মীসহ ৫০ জন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।