০৬:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজশাহী বিমানবন্দর ব্যবহারে আগ্রহ রাশিয়ার

পরমাণু জ্বালানিসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম রাশিয়া থেকে কার্গো বিমানে করে সরাসরি রাজশাহী আনতে চায় পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। এজন্য রাজশাহীর শাহমখদুম বিমানবন্দর ব্যবহার করতে চায় তারা। পরে বিমানবন্দর থেকে তা নেওয়া হবে রূপপুরে। এ জন্য শাহ মখদুম বিমানবন্দরে কার্গো বিমান অবতরণের উপযোগী করে এর রানওয়ে সংস্কার করতে হবে। এতে খরচ হবে ২ হাজার কোটি টাকা। আগামী সপ্তাহে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরে এ বিষয়ে একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। জানা গেছে, রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে কয়েক মাস আগে। এখন চলছে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ।

আগামী বছর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র (আরএনপিপি) থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এই প্রকল্পের নির্মাণকাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। তাই পুরোদমে বিদুৎ উৎপাদন শুরুর আগে চলতি বছরের অক্টোবর মাসে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে। এদিকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির জন্য রাশিয়া থেকে ঢাকায় মালামাল আনার পর পাবনায় পাঠানো কষ্টকর হয়ে পড়েছে। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সড়কপথে সরঞ্জামাদি নিতে হচ্ছে।

পাশাপাশি ঝুঁকিও থাকছে। এ অবস্থায় রাশিয়া থেকে আসা কার্গো বিমান সরাসরি রাজশাহী শাহ মখদুম বিমানবন্দরে যাওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে। রাজশাহী বিমানবন্দর প্রস্তুত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে। নির্দেশনার আলোকে চলতি বছরের ২০ মার্চ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় একটি চিঠি পাঠিয়েছে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষকে। বেবিচক চেয়ারম্যান ৭ মার্চ বিষয়টি আমলে নিয়ে বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। বেবিচকের সূত্রে জানা গেছ, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে একটি মিটিং আহ্বান করা হয়েছে। যে ধরনের বিমান নামবে, সেখানে ব্যাপক সংস্কার কাজ করতে হবে। আলোচনার পর এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে। জানা গেছে, রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে বাণিজ্যিক উৎপাদনের প্রথম দিন থেকে পরবর্তী তিন বছর জ্বালানির জন্য কোনো অর্থ পরিশোধ করতে হবে না বাংলাদেশকে। প্রথমবার জ্বালানি লোড করার পর তা দিয়ে এক টানা ১২ মাস পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে। এরপর প্রতি বছর একবার করে মোট জ্বালানির এক-তৃতীয়াংশ করে জ্বালানি পরিবর্তনের পর নতুন জ্বালানি লোড করা হবে। তবে তিন বছর পর ১৮ মাস অন্তর নিয়ম মেনে জ্বালানি পরিবর্তন করা হবে। রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতায় পরমাণু শক্তি কমিশন বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের কাজ শেষ পর্যায়ে। ২০২৫ সালে প্রথম ইউনিট থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রস্তুতিমূলক সব কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে এগিয়ে চলেছে। পরে দ্বিতীয় ইউনিটটি উৎপাদনে যাবে পরের বছর ২০২৬ সালে। প্রকল্পটি চালু করার সময় যে বিদ্যুৎ প্রয়োজন হবে, তা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড থেকে নেওয়া হবে। প্রকল্প এলাকায় এই বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রস্তুতির কাজও এগিয়ে চলছে। এর প্রথম অংশের কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। অক্টোবরের আগে বাকি কাজও শেষ হবে।

চূড়ান্তভাবে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাওয়ার আগে আগামী অক্টোবরে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, আমরা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করার দিকে যাচ্ছি। অক্টোবরে প্রথম ইউনিট পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে। আমাদের টিমওয়ার্ক ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে। নির্মাণকাজ থেকে শুরু করে জ্বালানি আসা পর্যন্ত সব কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আরো বিশেষজ্ঞ তৈরির জন্য লোক পাঠানো হচ্ছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র চালুর পর তারা কাজ করবেন। দেশের সবচেয়ে বড় একক প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এটি নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ১ হাজার ৩৫০ কোটি মার্কিন ডলার, যা বর্তমান বাজারমূল্যে প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১১০ টাকা ধরে)। মোট ব্যয়ের প্রায় ৮০ শতাংশ অর্থ রাশিয়া ঋণ হিসেবে দিচ্ছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরমাণু শক্তি কমিশন। এ প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট নির্মাণ করছে রাশিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট। পারমাণবিক জ্বালানি উৎপাদন করছে রোসাটমের সহযোগী প্রতিষ্ঠান টিভিইএল ফুয়েল কোম্পানি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের থেকে পারমাণবিক জ্বালানি কেনে। রাশিয়ার প্রযুক্তি ও আর্থিক সহযোগিতায় পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে নির্মিত হচ্ছে দেশে প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে দেশটির রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন (রোসাটম)। এই প্রকল্পে রাশিয়ার উদ্ভাবিত থ্রিজি (+) ভিভিইআর ১২০০ রিয়‍্যাক্টর স্থাপন করা হয়েছে। এই প্রকল্পের জ্বালানিও সরবরাহ করবে রাশিয়া। গত বছর অক্টোবরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি হিসেবে ইউরেনিয়াম বুঝে পেয়েছে বাংলাদেশ।

রাজশাহী বিমানবন্দর ব্যবহারে আগ্রহ রাশিয়ার

আপডেট সময় : ১২:১৯:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৪

পরমাণু জ্বালানিসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম রাশিয়া থেকে কার্গো বিমানে করে সরাসরি রাজশাহী আনতে চায় পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। এজন্য রাজশাহীর শাহমখদুম বিমানবন্দর ব্যবহার করতে চায় তারা। পরে বিমানবন্দর থেকে তা নেওয়া হবে রূপপুরে। এ জন্য শাহ মখদুম বিমানবন্দরে কার্গো বিমান অবতরণের উপযোগী করে এর রানওয়ে সংস্কার করতে হবে। এতে খরচ হবে ২ হাজার কোটি টাকা। আগামী সপ্তাহে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরে এ বিষয়ে একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। জানা গেছে, রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে কয়েক মাস আগে। এখন চলছে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ।

আগামী বছর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র (আরএনপিপি) থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এই প্রকল্পের নির্মাণকাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। তাই পুরোদমে বিদুৎ উৎপাদন শুরুর আগে চলতি বছরের অক্টোবর মাসে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে। এদিকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির জন্য রাশিয়া থেকে ঢাকায় মালামাল আনার পর পাবনায় পাঠানো কষ্টকর হয়ে পড়েছে। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সড়কপথে সরঞ্জামাদি নিতে হচ্ছে।

পাশাপাশি ঝুঁকিও থাকছে। এ অবস্থায় রাশিয়া থেকে আসা কার্গো বিমান সরাসরি রাজশাহী শাহ মখদুম বিমানবন্দরে যাওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে। রাজশাহী বিমানবন্দর প্রস্তুত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে। নির্দেশনার আলোকে চলতি বছরের ২০ মার্চ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় একটি চিঠি পাঠিয়েছে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষকে। বেবিচক চেয়ারম্যান ৭ মার্চ বিষয়টি আমলে নিয়ে বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। বেবিচকের সূত্রে জানা গেছ, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে একটি মিটিং আহ্বান করা হয়েছে। যে ধরনের বিমান নামবে, সেখানে ব্যাপক সংস্কার কাজ করতে হবে। আলোচনার পর এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে। জানা গেছে, রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে বাণিজ্যিক উৎপাদনের প্রথম দিন থেকে পরবর্তী তিন বছর জ্বালানির জন্য কোনো অর্থ পরিশোধ করতে হবে না বাংলাদেশকে। প্রথমবার জ্বালানি লোড করার পর তা দিয়ে এক টানা ১২ মাস পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে। এরপর প্রতি বছর একবার করে মোট জ্বালানির এক-তৃতীয়াংশ করে জ্বালানি পরিবর্তনের পর নতুন জ্বালানি লোড করা হবে। তবে তিন বছর পর ১৮ মাস অন্তর নিয়ম মেনে জ্বালানি পরিবর্তন করা হবে। রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতায় পরমাণু শক্তি কমিশন বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের কাজ শেষ পর্যায়ে। ২০২৫ সালে প্রথম ইউনিট থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রস্তুতিমূলক সব কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে এগিয়ে চলেছে। পরে দ্বিতীয় ইউনিটটি উৎপাদনে যাবে পরের বছর ২০২৬ সালে। প্রকল্পটি চালু করার সময় যে বিদ্যুৎ প্রয়োজন হবে, তা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড থেকে নেওয়া হবে। প্রকল্প এলাকায় এই বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রস্তুতির কাজও এগিয়ে চলছে। এর প্রথম অংশের কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। অক্টোবরের আগে বাকি কাজও শেষ হবে।

চূড়ান্তভাবে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাওয়ার আগে আগামী অক্টোবরে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, আমরা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করার দিকে যাচ্ছি। অক্টোবরে প্রথম ইউনিট পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে। আমাদের টিমওয়ার্ক ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে। নির্মাণকাজ থেকে শুরু করে জ্বালানি আসা পর্যন্ত সব কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আরো বিশেষজ্ঞ তৈরির জন্য লোক পাঠানো হচ্ছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র চালুর পর তারা কাজ করবেন। দেশের সবচেয়ে বড় একক প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এটি নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ১ হাজার ৩৫০ কোটি মার্কিন ডলার, যা বর্তমান বাজারমূল্যে প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১১০ টাকা ধরে)। মোট ব্যয়ের প্রায় ৮০ শতাংশ অর্থ রাশিয়া ঋণ হিসেবে দিচ্ছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরমাণু শক্তি কমিশন। এ প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট নির্মাণ করছে রাশিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট। পারমাণবিক জ্বালানি উৎপাদন করছে রোসাটমের সহযোগী প্রতিষ্ঠান টিভিইএল ফুয়েল কোম্পানি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের থেকে পারমাণবিক জ্বালানি কেনে। রাশিয়ার প্রযুক্তি ও আর্থিক সহযোগিতায় পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে নির্মিত হচ্ছে দেশে প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে দেশটির রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন (রোসাটম)। এই প্রকল্পে রাশিয়ার উদ্ভাবিত থ্রিজি (+) ভিভিইআর ১২০০ রিয়‍্যাক্টর স্থাপন করা হয়েছে। এই প্রকল্পের জ্বালানিও সরবরাহ করবে রাশিয়া। গত বছর অক্টোবরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি হিসেবে ইউরেনিয়াম বুঝে পেয়েছে বাংলাদেশ।