০৬:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ভয়াল ২৯ এপ্রিলের ৩৩ বছর আজ 

আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল। কুতুবদিয়া, মহেশখালী, ধলঘাটার উপকূলীয় এলাকায় স্বজন হারানোর দিন। ১৯৯১ সালের এই দিনে চট্টগ্রামের অন্যান্য উপকূলীয় অঞ্চলের মতো ‘ম্যারি অ্যান’ নামক মহাপ্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে লন্ডভন্ড হয়ে  উপকূলীয় এলাকা।
দুঃসহ স্মৃতি বিজড়িত সেই প্রলয়-কাণ্ডের দীর্ঘ ৩৩ বছর পূর্ণ হলো আজ। অপরিকল্পিতভাবে সমুদ্রের চর দখল ও প্যারাবন ধ্বংসে চরম ঝুঁকিতে রয়েছে প্রত্যন্ত এ এই উপকূলীয় অঞ্চল। প্রতি বর্ষা মৌসুমে ঘূর্ণিঝড় কিংবা জলোচ্ছ্বাসের খবর শুনলেই আতঙ্কে নির্ঘুম রাত পার করেন এ অঞ্চলের বাসিন্দারা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৯৯১’র সেই প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে ঘণ্টায় ২৬০ কি.মি. বাতাসে ক্ষতিগ্রস্ত হয় প্রায় সাড়ে ২১ হাজার পরিবার।
দীর্ঘ ২০ ফুট উচ্চতার পানির স্রোতে মারা যায় প্রায় ৩১ হাজার গবাদিপশু। বাতাসে উড়িয়ে নেয় ৪৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
বলা হয়, সে সময়ে ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কী বার্তা মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচার হলেও অবহেলায় আশ্রয় কেন্দ্রে যায়নি অনেকে। এতে প্রাণ হারিয়েছে সাড়ে ১০ হাজার ও আহত হয়েছে সেখানকার প্রায় আড়াই হাজার মানুষ।
এছাড়া উপকূলীয় এ জনপদের চতুর্দিকে বিধ্বস্ত হয় সিংহভাগ বেড়িবাঁধ। দ্বীপের সর্ব দক্ষিণের খুদিয়ারটেক নামক একটি গ্রাম সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যায় সাগরে। সব মিলিয়ে প্রলয়ংকরী ওই ঘূর্ণিঝড়ে কুতুবদিয়ায় তৎকালীন সময়ে প্রায় ২৫৯.৩২ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে বেসরকারি তথ্যমতে প্রাণহানির ঘটনা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরো বেশি বলে ধারণা স্থানীয়দের।
প্রতি বর্ষ পরিক্রমায় আজকের এ দিনে অবিস্মরণীয় সেই স্মৃতিগুলো স্মরণ করে এখনো চিৎকার করে কাঁদে দ্বীপের স্বজনহারা মানুষগুলো।
ভয়াল ২৯ এপ্রিলের ৩৩ বছর পূর্ণ হলেও স্থানীয়দের জানমালের সুরক্ষায় এখনো নির্মাণ হয়নি টেকসই বেড়িবাঁধ। আবার কবে ২৯ এপ্রিলের মতো ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয় সেই আতঙ্কে স্থানীয়রা।
এদিকে প্রতি বছরের ন্যায় আজকের এই দিনে ঘুর্ণিঝড়ে নিহতদের স্মরণে বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে দিনটি স্মরণ করবে স্বজনহারা পরিবারসহ উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন।

পঞ্চম প্রজন্মের ডিএম প্রযুক্তি নিয়ে এলো বিওয়াইডি

ভয়াল ২৯ এপ্রিলের ৩৩ বছর আজ 

আপডেট সময় : ০১:৪২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৪
আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল। কুতুবদিয়া, মহেশখালী, ধলঘাটার উপকূলীয় এলাকায় স্বজন হারানোর দিন। ১৯৯১ সালের এই দিনে চট্টগ্রামের অন্যান্য উপকূলীয় অঞ্চলের মতো ‘ম্যারি অ্যান’ নামক মহাপ্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে লন্ডভন্ড হয়ে  উপকূলীয় এলাকা।
দুঃসহ স্মৃতি বিজড়িত সেই প্রলয়-কাণ্ডের দীর্ঘ ৩৩ বছর পূর্ণ হলো আজ। অপরিকল্পিতভাবে সমুদ্রের চর দখল ও প্যারাবন ধ্বংসে চরম ঝুঁকিতে রয়েছে প্রত্যন্ত এ এই উপকূলীয় অঞ্চল। প্রতি বর্ষা মৌসুমে ঘূর্ণিঝড় কিংবা জলোচ্ছ্বাসের খবর শুনলেই আতঙ্কে নির্ঘুম রাত পার করেন এ অঞ্চলের বাসিন্দারা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৯৯১’র সেই প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে ঘণ্টায় ২৬০ কি.মি. বাতাসে ক্ষতিগ্রস্ত হয় প্রায় সাড়ে ২১ হাজার পরিবার।
দীর্ঘ ২০ ফুট উচ্চতার পানির স্রোতে মারা যায় প্রায় ৩১ হাজার গবাদিপশু। বাতাসে উড়িয়ে নেয় ৪৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
বলা হয়, সে সময়ে ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কী বার্তা মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচার হলেও অবহেলায় আশ্রয় কেন্দ্রে যায়নি অনেকে। এতে প্রাণ হারিয়েছে সাড়ে ১০ হাজার ও আহত হয়েছে সেখানকার প্রায় আড়াই হাজার মানুষ।
এছাড়া উপকূলীয় এ জনপদের চতুর্দিকে বিধ্বস্ত হয় সিংহভাগ বেড়িবাঁধ। দ্বীপের সর্ব দক্ষিণের খুদিয়ারটেক নামক একটি গ্রাম সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যায় সাগরে। সব মিলিয়ে প্রলয়ংকরী ওই ঘূর্ণিঝড়ে কুতুবদিয়ায় তৎকালীন সময়ে প্রায় ২৫৯.৩২ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে বেসরকারি তথ্যমতে প্রাণহানির ঘটনা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরো বেশি বলে ধারণা স্থানীয়দের।
প্রতি বর্ষ পরিক্রমায় আজকের এ দিনে অবিস্মরণীয় সেই স্মৃতিগুলো স্মরণ করে এখনো চিৎকার করে কাঁদে দ্বীপের স্বজনহারা মানুষগুলো।
ভয়াল ২৯ এপ্রিলের ৩৩ বছর পূর্ণ হলেও স্থানীয়দের জানমালের সুরক্ষায় এখনো নির্মাণ হয়নি টেকসই বেড়িবাঁধ। আবার কবে ২৯ এপ্রিলের মতো ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয় সেই আতঙ্কে স্থানীয়রা।
এদিকে প্রতি বছরের ন্যায় আজকের এই দিনে ঘুর্ণিঝড়ে নিহতদের স্মরণে বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে দিনটি স্মরণ করবে স্বজনহারা পরিবারসহ উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন।