০৬:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শ্রীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে নির্বাচনী প্রচারণা

গাজীপুরের শ্রীপুরে দ্বিতীয় ধাপে আগামী ২১ মে অনুষ্ঠাতব্য উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে উৎসবমুখর অবস্থা বিরাজ করছে। প্রার্থীরা দিন-রাত এক করে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ব্যানার ফেস্টুনের পাশাপাশি চলছে মাইকিংও।
বৃহস্পতিবার (২রা মে) দুপুর ১২টা থেকে শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আনারস  প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব আবদুল জলিল  দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বর্ধিত সভা, পথ সভা ও জনসংযোগ করছেন। উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখে আগামী দিনে দৃশ্যমান শিক্ষানগরী থেকে স্মার্ট উপজেলা  গড়তে আবারও আনারস  মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আবদুল জলিল। তিনি জানান, আনারস শ্রীপুরের জনগণের প্রতীক। তাদের আশার প্রতীক, স্বপ্নের প্রতীক। তাদের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পূরণ হবে আনারস প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার মাধ্যমে। এ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আরও জানান, আনারস জিতলে, জিতে যাবে শ্রীপুরের প্রতিটি মানুষ। আমার শ্রীপুরবাসীকে আমি তাদের নাগরিক অধিকার বুঝিয়ে দিতে চাই। উপজেলাজুড়ে নির্বাচনী উত্তাপ শুরু হয়েছে।
প্রতীক বরাদ্দের পর তা আরও ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে। প্রতীকে খুশি জলিলের  কর্মী সমর্থকেরাও। তারা বলছে, খুবই সুন্দর প্রতীক পেয়েছি। প্রতীক পাওয়ার পর  থেকে ভোটের দিন গণনা শুরু হলো। এই আনারস এখন থেকে আমাদের শ্রীপুরের উন্নয়নের প্রতীক।আব্দুল জলিল সাংবাদিকদের  বলেন,আমি আওয়ামী লীগের একজন কর্মী।দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসেবে কাজ করছি।এর আগেও তেলিহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে চারবার দায়িত্ব পালন করেছি।শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে  বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে এবারও নির্বাচন করছি।আমি নির্বাচিত হলে শ্রীপুরকে সন্ত্রাশ,চাঁদাবাজ মুক্ত করবো।জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চাই। এ নির্বাচনে শ্রীপুর উপজেলাবাসী তথা ভোটারেরা বরাবরের মতো তাকেই নির্বাচিত করবে বলে তিনি অশাবাদী। অপরদিকে প্রতীক পেয়েই প্রচারে নেমেছেন গাজীপুর- ৩ আসেন সংসদ সদস্য ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী টুসির বড় ভাই  শ্রীপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ঘোড়া প্রতীকের  চেয়ারম্যান প্রার্থী এডভোকেট জামিল হাসান দুর্জয়।
তিনি  কর্মী-সমর্থকদের সাথে নিয়ে দিনভর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে  গণসংযোগ করেন। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঘোড়া প্রতীকের  নির্বাচনী অফিসের উদ্বোধন করেন। সেই সঙ্গে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে কলস প্রতীকে নির্বাচন করছেন শ্রীপুর উপজেলা যুব মহিলালীগের সভাপতি হালিমা খাতুন মৌসুমি সরকার। উৎবমুখর পরিবেশে কলস  প্রতীক পেয়েই কর্মী-সমর্থকদের সাথে নিয়ে  নির্বাচনী  প্রচারে নেমেছেন শ্রীপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হালিমা খাতুন মৌসুমি সরকার।
শুক্রবার  সকাল থেকে কাঙ্ক্ষিত কলস  প্রতীক নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাইলেন মৌসুমি সরকার। তিনি  শ্রীপুর উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি এবং  মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী।মৌসুমি সরকার বলেন, আমি ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে সার্বক্ষনিক শ্রীপুরবাসীর খেদমতে নিজেকে নিয়োজিত রাখব এবং তাদের সুখ-দু:খে পাশে থাকবো। আমি কখনো কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দিব না। স্মার্ট শ্রীপুর গড়ার লক্ষ্যে তিনি সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।
উল্লেখ্য, তফশিল অনুযায়ী আগামী ২১ মে শ্রীপুর উপজেলায় ব্যালটপেপার পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে রাশিয়ান বিনিয়োগের আহ্বান ঢাকা চেম্বারের

শ্রীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে নির্বাচনী প্রচারণা

আপডেট সময় : ০৬:০০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ মে ২০২৪
গাজীপুরের শ্রীপুরে দ্বিতীয় ধাপে আগামী ২১ মে অনুষ্ঠাতব্য উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে উৎসবমুখর অবস্থা বিরাজ করছে। প্রার্থীরা দিন-রাত এক করে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ব্যানার ফেস্টুনের পাশাপাশি চলছে মাইকিংও।
বৃহস্পতিবার (২রা মে) দুপুর ১২টা থেকে শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আনারস  প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব আবদুল জলিল  দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বর্ধিত সভা, পথ সভা ও জনসংযোগ করছেন। উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখে আগামী দিনে দৃশ্যমান শিক্ষানগরী থেকে স্মার্ট উপজেলা  গড়তে আবারও আনারস  মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আবদুল জলিল। তিনি জানান, আনারস শ্রীপুরের জনগণের প্রতীক। তাদের আশার প্রতীক, স্বপ্নের প্রতীক। তাদের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পূরণ হবে আনারস প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার মাধ্যমে। এ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আরও জানান, আনারস জিতলে, জিতে যাবে শ্রীপুরের প্রতিটি মানুষ। আমার শ্রীপুরবাসীকে আমি তাদের নাগরিক অধিকার বুঝিয়ে দিতে চাই। উপজেলাজুড়ে নির্বাচনী উত্তাপ শুরু হয়েছে।
প্রতীক বরাদ্দের পর তা আরও ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে। প্রতীকে খুশি জলিলের  কর্মী সমর্থকেরাও। তারা বলছে, খুবই সুন্দর প্রতীক পেয়েছি। প্রতীক পাওয়ার পর  থেকে ভোটের দিন গণনা শুরু হলো। এই আনারস এখন থেকে আমাদের শ্রীপুরের উন্নয়নের প্রতীক।আব্দুল জলিল সাংবাদিকদের  বলেন,আমি আওয়ামী লীগের একজন কর্মী।দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসেবে কাজ করছি।এর আগেও তেলিহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে চারবার দায়িত্ব পালন করেছি।শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে  বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে এবারও নির্বাচন করছি।আমি নির্বাচিত হলে শ্রীপুরকে সন্ত্রাশ,চাঁদাবাজ মুক্ত করবো।জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চাই। এ নির্বাচনে শ্রীপুর উপজেলাবাসী তথা ভোটারেরা বরাবরের মতো তাকেই নির্বাচিত করবে বলে তিনি অশাবাদী। অপরদিকে প্রতীক পেয়েই প্রচারে নেমেছেন গাজীপুর- ৩ আসেন সংসদ সদস্য ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী টুসির বড় ভাই  শ্রীপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ঘোড়া প্রতীকের  চেয়ারম্যান প্রার্থী এডভোকেট জামিল হাসান দুর্জয়।
তিনি  কর্মী-সমর্থকদের সাথে নিয়ে দিনভর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে  গণসংযোগ করেন। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঘোড়া প্রতীকের  নির্বাচনী অফিসের উদ্বোধন করেন। সেই সঙ্গে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে কলস প্রতীকে নির্বাচন করছেন শ্রীপুর উপজেলা যুব মহিলালীগের সভাপতি হালিমা খাতুন মৌসুমি সরকার। উৎবমুখর পরিবেশে কলস  প্রতীক পেয়েই কর্মী-সমর্থকদের সাথে নিয়ে  নির্বাচনী  প্রচারে নেমেছেন শ্রীপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হালিমা খাতুন মৌসুমি সরকার।
শুক্রবার  সকাল থেকে কাঙ্ক্ষিত কলস  প্রতীক নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাইলেন মৌসুমি সরকার। তিনি  শ্রীপুর উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি এবং  মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী।মৌসুমি সরকার বলেন, আমি ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে সার্বক্ষনিক শ্রীপুরবাসীর খেদমতে নিজেকে নিয়োজিত রাখব এবং তাদের সুখ-দু:খে পাশে থাকবো। আমি কখনো কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দিব না। স্মার্ট শ্রীপুর গড়ার লক্ষ্যে তিনি সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।
উল্লেখ্য, তফশিল অনুযায়ী আগামী ২১ মে শ্রীপুর উপজেলায় ব্যালটপেপার পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।