০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ইবির মেধাবী শিক্ষার্থীর মৃত্যু

ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। ওই শিক্ষার্থীর নাম সামিয়া আক্তার ফুল। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের প্রথম স্থান অধিকারী শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার (১৪ মে) সকালে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার বাসা পাবনা জেলার সদর উপজেলায়। ৩ ভাইবোনের মধ্যে সে দ্বিতীয়। গণিত বিভাগের সভাপতি তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সহপাঠী সূত্রে জানা যায়, এডমিশন টেস্টের সময় থেকেই সামিয়া অসুস্থ ছিল। তবে তখন ক্যান্সার ধরা না পড়লেও এবছর রোজার মাস থেকে সে আবারো অসুস্থ হয়ে যায়। চিকিৎসাকালীন সময়ে তার কাশির সাথে ব্লাড যাচ্ছিলো, রক্তের ক্রিয়েটিনিন বেড়ে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় রক্ত জমাট বাধছিল। সর্বশেষে বমির পাশাপাশি সে শক্ত কোনো খাবারও খেতে পারছিলো না। এছাড়াও সে এনিমিয়াতেও আক্রান্ত ছিল।

সামিয়ার মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও বিভাগের পক্ষ থেকে শোক জানানো হয়েছে। বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. সজীব আলী বলেন, সে বিভাগের প্রথম বর্ষের পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিল। রোজার আগে সে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে যাবে বলে জানায়। কিন্তু আজ সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছে। তার মতো এমন এক মেধাবী শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে আমরা গভীর শোকাহত। তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।

ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবেলায় কতটুকু প্রস্তুত পবিপ্রবি?

ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ইবির মেধাবী শিক্ষার্থীর মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৪:৪৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪

ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। ওই শিক্ষার্থীর নাম সামিয়া আক্তার ফুল। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের প্রথম স্থান অধিকারী শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার (১৪ মে) সকালে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার বাসা পাবনা জেলার সদর উপজেলায়। ৩ ভাইবোনের মধ্যে সে দ্বিতীয়। গণিত বিভাগের সভাপতি তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সহপাঠী সূত্রে জানা যায়, এডমিশন টেস্টের সময় থেকেই সামিয়া অসুস্থ ছিল। তবে তখন ক্যান্সার ধরা না পড়লেও এবছর রোজার মাস থেকে সে আবারো অসুস্থ হয়ে যায়। চিকিৎসাকালীন সময়ে তার কাশির সাথে ব্লাড যাচ্ছিলো, রক্তের ক্রিয়েটিনিন বেড়ে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় রক্ত জমাট বাধছিল। সর্বশেষে বমির পাশাপাশি সে শক্ত কোনো খাবারও খেতে পারছিলো না। এছাড়াও সে এনিমিয়াতেও আক্রান্ত ছিল।

সামিয়ার মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও বিভাগের পক্ষ থেকে শোক জানানো হয়েছে। বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. সজীব আলী বলেন, সে বিভাগের প্রথম বর্ষের পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিল। রোজার আগে সে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে যাবে বলে জানায়। কিন্তু আজ সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছে। তার মতো এমন এক মেধাবী শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে আমরা গভীর শোকাহত। তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।