০৭:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষে শহর রণক্ষেত্র

সারাদেশের ন্যায় সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার করে আইন প্রণয়ণের এক দফা দাবিতে জামালপুরে সড়ক, রেলপথ অবরোধসহ আন্দোলনকারী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশ ও সাধারণ শিক্ষার্থীসহ অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার  দিকে কোটা সংস্কার আন্দোলনে থাকা শিক্ষার্থীরা শহরের রেলগেইটপাড় এলাকায় জড়ো হয়। এসময় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা।
বেলা ১২ টার দিকে শিক্ষার্থীরা লাল নিশান হাতে নিয়ে রেলপথ অবরোধ করে। এসময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা দেওয়ানগঞ্জগামী আন্ত:নগর তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনটি আটকে পড়ে।
আন্দোলনকে ঘিরে পুলিশ, বিজিবি ও র‍্যাবসহ অন্যান্য সদস্যরা ছিল সতর্ক অবস্থায়। দুপুর ২টার দিকে জেলা পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান বিপিএম আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলতে চাইলে তারা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।
পরে পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ লেগে যায়। একপর্যায়ে পুলিশ টিয়ারগ্যাস, রাবার বুলেট ও ফাকা গুলিছুড়ে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। দীর্ঘসময় চলে পুলিশ-শিক্ষার্থীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। পরে আইনশৃঙ্খলা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় ৭ পুলিশ সদস্যসহ ২০ জন আহত হয়েছে। আটক করা হয়েছে ৪ শিক্ষার্থীকে।
জামালপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহরাব হোসেন সাংবাদিকদের জানান, শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে পুলিশ নিরাপত্তার স্বার্থে ভূমিকা রেখেছিলেন। বেলা ২ টার দিকে পুলিশ সুপার আন্দোলনকারীদের সাথে কথা বলার জন্য এসেছিলেন। কিন্তু তারা স্যারের সাথে কথা না বলে তার উপর হামলা করে। এসময় আমাদের কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়। এ ঘটনায় আন্দোলনকারী ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলেও জানান তিনি।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বিকেল ৪টার দিকে আন্তঃনগর ট্রেন তিস্তা এক্সপ্রেস দেওয়ানগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষে শহর রণক্ষেত্র

আপডেট সময় : ০৭:২২:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪

সারাদেশের ন্যায় সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার করে আইন প্রণয়ণের এক দফা দাবিতে জামালপুরে সড়ক, রেলপথ অবরোধসহ আন্দোলনকারী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশ ও সাধারণ শিক্ষার্থীসহ অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার  দিকে কোটা সংস্কার আন্দোলনে থাকা শিক্ষার্থীরা শহরের রেলগেইটপাড় এলাকায় জড়ো হয়। এসময় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা।
বেলা ১২ টার দিকে শিক্ষার্থীরা লাল নিশান হাতে নিয়ে রেলপথ অবরোধ করে। এসময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা দেওয়ানগঞ্জগামী আন্ত:নগর তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনটি আটকে পড়ে।
আন্দোলনকে ঘিরে পুলিশ, বিজিবি ও র‍্যাবসহ অন্যান্য সদস্যরা ছিল সতর্ক অবস্থায়। দুপুর ২টার দিকে জেলা পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান বিপিএম আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলতে চাইলে তারা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।
পরে পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ লেগে যায়। একপর্যায়ে পুলিশ টিয়ারগ্যাস, রাবার বুলেট ও ফাকা গুলিছুড়ে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। দীর্ঘসময় চলে পুলিশ-শিক্ষার্থীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। পরে আইনশৃঙ্খলা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় ৭ পুলিশ সদস্যসহ ২০ জন আহত হয়েছে। আটক করা হয়েছে ৪ শিক্ষার্থীকে।
জামালপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহরাব হোসেন সাংবাদিকদের জানান, শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে পুলিশ নিরাপত্তার স্বার্থে ভূমিকা রেখেছিলেন। বেলা ২ টার দিকে পুলিশ সুপার আন্দোলনকারীদের সাথে কথা বলার জন্য এসেছিলেন। কিন্তু তারা স্যারের সাথে কথা না বলে তার উপর হামলা করে। এসময় আমাদের কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়। এ ঘটনায় আন্দোলনকারী ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলেও জানান তিনি।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বিকেল ৪টার দিকে আন্তঃনগর ট্রেন তিস্তা এক্সপ্রেস দেওয়ানগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।