০৮:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে সাংবাদিক মাসুদকে প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ

জামালপুরে সাংবাদিক মাসুদুর রহমানকে  মাদকসেবনকারী রনি মিয়া জয় ও তার স্ত্রী অনিতা প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়ায় তদন্তের আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত।

সোমবার (১৯ জানুয়ারী) দুপুর ১২ টায় অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এর বিচারক সাইফুর রহমান এ আবেদন মঞ্জুর করেন।

জানা যায়, জামালপুর শহরের সিংহজানী রোড কাচারীপাড়া আতাউর রহমান মন্টুর বাসার ৩য় তলা ভাড়া থাকতেন সাংবাদিক মাসুদ। ২০২৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে জামালপুর থানার একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে ২১ অক্টোবর জামিনে মুক্তি লাভ করেন মাসুদ। মুক্তি পেয়ে ২৮ অক্টোবর তিনি তার ভাড়াটিয়া বাসায় গেলে মাসুদুর রহমানের রুমের ভিতর রক্ষিত একটি ওয়ালটন ল্যাপটপ,  ১টি স্যামস্যাং গ্যালাক্সি (A13), আরেকটি ব্যবহৃত ভিভো (Y20) মোবাইল ও আমার টেবিলের ২য় ড্রয়ারে রক্ষিত নগদ ৪৪,৭২০/-(চোয়াল্লিশ হাজার সাতশত বিশ) টাকা তার বাসায় নাই। পরে তিনি আঙ্গুরী বেগম নামে ঐ বাসার এক নারীকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি মাসুদুর রহমানকে জানান, ১৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে ভাটারা ইউনিয়নের নান্নু মিয়ার ছেলে রনি মিয়া জয় এবং তার স্ত্রী রুমে গিয়ে সব কিছু নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে সাংবাদিক মাসুদুর রহমান থানায় লিখিত অভিযোগ করলে জামালপুর মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক ১ টি ল্যাপটপ ও ২ টি মোবাইল উদ্ধার করে দেন।  পাশাপাশি বাসা থেকে নেওয়া টাকা এবং ভিভো মোবাইল ২৫ ডিসেম্বর এর মধ্যে দিবে বলে সময় বেধে দেন। ৩ নভেম্বর জয় সহ কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তিরা দেশীয় মদ খেয়ে আমার বাসায় গিয়ে খারাপ ভাষা ব্যবহার করলে পুলিশে সংবাদ দিলে জয় পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সরিষাবাড়ীর তৌকির আহম্মেদ হাসু সাংবাদিক তার চাচাত ভাই পরিচয় দিয়ে মামলা না করার অনুরোধ এবং চুরি যাওয়া মালামাল মডেল প্রেস ক্লাবের সিদ্ধান্ত দেওয়া ২৫ ডিসেম্বর এর মধ্যে পরিশোধ এর আশ্বাস দিয়ে আপোষ মিমাংসা করেন। যার প্রেক্ষিতে থানায় দেওয়া অভিযোগটি প্রত্যাহার করেন মাসুদুর রহমান। অভিযোগ প্রত্যাহারের পর মোবাইল ও আমার নগদ টাকা না দিয়া সময় পার হলেও আজ না কাল বলে সময় কালক্ষেপন করছে জয় ও তার স্ত্রী অনিতা। গত ২ জানুয়ারী আনুমানিক রাত ৯ টায় সাংবাদিক মাসুদুর রহমান তার মোবাইল ও নগদ টাকা চাইলে তাকে প্রাণ নাশের হুমকি দেন রনি মিয়া জয় ও তার স্ত্রী অনিতা।

এ বিষয়ে সাংবাদিক মাসুদুর রহমান জানান, আমি বাসায় না থাকার সময় আমার অনুমতি না নিয়ে আমার বাসায় প্রবেশ করে মোবাইল ও নগদ টাকা চুরি করিয়া নিয়ে যায় জয় ও তার স্ত্রী।  এ নিয়ে বিচার হয়েছে। ২৫ ডিসেম্বর এর মধ্যে সব কিছু ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও আমার নগদ টাকা ও মোবাইল চাইলে তাহারা আমাকে একেক সময় একেক কথাবার্তা বলতে থাকে। গত ২ জানুয়ারী রাত ৯ টা ২৫ মিনিটে জয় ও তার স্ত্রী অনিতা আমাকে প্রাণ নাশের হমকি প্রদান করেন। আমি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি। থানা থেকে তদন্তের জন্য আদালতে আবেদন করলে আদালত মঞ্জুর করে তদন্তের নির্দেশ প্রদান করেছেন। আমি বিচার চাই।

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে সাংবাদিক মাসুদকে প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৭:০০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

জামালপুরে সাংবাদিক মাসুদুর রহমানকে  মাদকসেবনকারী রনি মিয়া জয় ও তার স্ত্রী অনিতা প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়ায় তদন্তের আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত।

সোমবার (১৯ জানুয়ারী) দুপুর ১২ টায় অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এর বিচারক সাইফুর রহমান এ আবেদন মঞ্জুর করেন।

জানা যায়, জামালপুর শহরের সিংহজানী রোড কাচারীপাড়া আতাউর রহমান মন্টুর বাসার ৩য় তলা ভাড়া থাকতেন সাংবাদিক মাসুদ। ২০২৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে জামালপুর থানার একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে ২১ অক্টোবর জামিনে মুক্তি লাভ করেন মাসুদ। মুক্তি পেয়ে ২৮ অক্টোবর তিনি তার ভাড়াটিয়া বাসায় গেলে মাসুদুর রহমানের রুমের ভিতর রক্ষিত একটি ওয়ালটন ল্যাপটপ,  ১টি স্যামস্যাং গ্যালাক্সি (A13), আরেকটি ব্যবহৃত ভিভো (Y20) মোবাইল ও আমার টেবিলের ২য় ড্রয়ারে রক্ষিত নগদ ৪৪,৭২০/-(চোয়াল্লিশ হাজার সাতশত বিশ) টাকা তার বাসায় নাই। পরে তিনি আঙ্গুরী বেগম নামে ঐ বাসার এক নারীকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি মাসুদুর রহমানকে জানান, ১৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে ভাটারা ইউনিয়নের নান্নু মিয়ার ছেলে রনি মিয়া জয় এবং তার স্ত্রী রুমে গিয়ে সব কিছু নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে সাংবাদিক মাসুদুর রহমান থানায় লিখিত অভিযোগ করলে জামালপুর মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক ১ টি ল্যাপটপ ও ২ টি মোবাইল উদ্ধার করে দেন।  পাশাপাশি বাসা থেকে নেওয়া টাকা এবং ভিভো মোবাইল ২৫ ডিসেম্বর এর মধ্যে দিবে বলে সময় বেধে দেন। ৩ নভেম্বর জয় সহ কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তিরা দেশীয় মদ খেয়ে আমার বাসায় গিয়ে খারাপ ভাষা ব্যবহার করলে পুলিশে সংবাদ দিলে জয় পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সরিষাবাড়ীর তৌকির আহম্মেদ হাসু সাংবাদিক তার চাচাত ভাই পরিচয় দিয়ে মামলা না করার অনুরোধ এবং চুরি যাওয়া মালামাল মডেল প্রেস ক্লাবের সিদ্ধান্ত দেওয়া ২৫ ডিসেম্বর এর মধ্যে পরিশোধ এর আশ্বাস দিয়ে আপোষ মিমাংসা করেন। যার প্রেক্ষিতে থানায় দেওয়া অভিযোগটি প্রত্যাহার করেন মাসুদুর রহমান। অভিযোগ প্রত্যাহারের পর মোবাইল ও আমার নগদ টাকা না দিয়া সময় পার হলেও আজ না কাল বলে সময় কালক্ষেপন করছে জয় ও তার স্ত্রী অনিতা। গত ২ জানুয়ারী আনুমানিক রাত ৯ টায় সাংবাদিক মাসুদুর রহমান তার মোবাইল ও নগদ টাকা চাইলে তাকে প্রাণ নাশের হুমকি দেন রনি মিয়া জয় ও তার স্ত্রী অনিতা।

এ বিষয়ে সাংবাদিক মাসুদুর রহমান জানান, আমি বাসায় না থাকার সময় আমার অনুমতি না নিয়ে আমার বাসায় প্রবেশ করে মোবাইল ও নগদ টাকা চুরি করিয়া নিয়ে যায় জয় ও তার স্ত্রী।  এ নিয়ে বিচার হয়েছে। ২৫ ডিসেম্বর এর মধ্যে সব কিছু ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও আমার নগদ টাকা ও মোবাইল চাইলে তাহারা আমাকে একেক সময় একেক কথাবার্তা বলতে থাকে। গত ২ জানুয়ারী রাত ৯ টা ২৫ মিনিটে জয় ও তার স্ত্রী অনিতা আমাকে প্রাণ নাশের হমকি প্রদান করেন। আমি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি। থানা থেকে তদন্তের জন্য আদালতে আবেদন করলে আদালত মঞ্জুর করে তদন্তের নির্দেশ প্রদান করেছেন। আমি বিচার চাই।

শু/সবা