০৭:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রংপুরে আ.লীগ ও ছাত্রলীগের কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ

সাধারণ শিক্ষার্থী-পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষে রংপুর মহানগর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। বিক্ষুদ্ধ কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা নগরীর জাহাজ কো¤পানি মোড়, শাপলা চত্বর, বোরোবি সংলগ্ন পার্ক মোড়, তাজহাট থানা মোড়সহ বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। ১৮ জুলাই বৃহ¯পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দেকে জাহাজ কো¤পানি মোড়ে একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। এসময় ট্রাফিক সিগন্যাল বাতি, সিটি টিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করেন আন্দোলনকারীরা। এরপর পৌনে ৬টার দিকে জাহাজ কো¤পানি মোড়ের পাশে বাটার গলিতে জেলা ছাত্রলীগের কার্যালয় এবং জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও আসবাবপত্রে আগুন দেওয়া হয়। এসময় ছবি তুলতে গেলে সাংবাদিকদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন আন্দোলনকারীদের। এতে তিন সাংবাদিক আহত হয়েছে। সকাল থেকে দফায় দফায় নগরীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে রংপুর জিলা স্কুল মোড়ে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে দুপুর ১টার দিকে বিশাল মিছিল বের করা হয়। মিছিলে সংহতি জানিয়ে অভিভাবক ও সরকার সংস্কার সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। হাজার হাজার মানুষের অংশগ্রহণে মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে বোরোবি সংলগ্ন পার্ক মোড় হয়ে মডার্ণ মোড়ে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে অবস্থান নেন। সেখান থেকে তাজহাট থানা ঘেরাও করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এসময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পুলিশ। এদিকে সন্ধ্যা ৬টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা বিশাল মিছিল বের করেন। নগরীর সিটি পার্ক মার্কেট থেকে মিছিলটি শুরু হয়। মিছিল থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলন নিহত শিক্ষার্থীদের পক্ষে বিভিন্ন শ্লোগান দেন নেতাকর্মীরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুরে আ.লীগ ও ছাত্রলীগের কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ

আপডেট সময় : ১১:১৩:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪

সাধারণ শিক্ষার্থী-পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষে রংপুর মহানগর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। বিক্ষুদ্ধ কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা নগরীর জাহাজ কো¤পানি মোড়, শাপলা চত্বর, বোরোবি সংলগ্ন পার্ক মোড়, তাজহাট থানা মোড়সহ বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। ১৮ জুলাই বৃহ¯পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দেকে জাহাজ কো¤পানি মোড়ে একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। এসময় ট্রাফিক সিগন্যাল বাতি, সিটি টিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করেন আন্দোলনকারীরা। এরপর পৌনে ৬টার দিকে জাহাজ কো¤পানি মোড়ের পাশে বাটার গলিতে জেলা ছাত্রলীগের কার্যালয় এবং জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও আসবাবপত্রে আগুন দেওয়া হয়। এসময় ছবি তুলতে গেলে সাংবাদিকদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন আন্দোলনকারীদের। এতে তিন সাংবাদিক আহত হয়েছে। সকাল থেকে দফায় দফায় নগরীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে রংপুর জিলা স্কুল মোড়ে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে দুপুর ১টার দিকে বিশাল মিছিল বের করা হয়। মিছিলে সংহতি জানিয়ে অভিভাবক ও সরকার সংস্কার সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। হাজার হাজার মানুষের অংশগ্রহণে মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে বোরোবি সংলগ্ন পার্ক মোড় হয়ে মডার্ণ মোড়ে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে অবস্থান নেন। সেখান থেকে তাজহাট থানা ঘেরাও করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এসময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পুলিশ। এদিকে সন্ধ্যা ৬টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা বিশাল মিছিল বের করেন। নগরীর সিটি পার্ক মার্কেট থেকে মিছিলটি শুরু হয়। মিছিল থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলন নিহত শিক্ষার্থীদের পক্ষে বিভিন্ন শ্লোগান দেন নেতাকর্মীরা।