০৮:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দাগনভূঞায় শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষক

দাগনভূঞা উপজেলায় শীতকালীন সবজির চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। কনকনে শীত উপেক্ষা করে সবজি ক্ষেতে ব্যস্ত কৃষক-কৃষাণীরা। ভোর থেকে সবজি পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক। ক্ষেত থেকে তুলছেন মুলা, লালশাক, পুঁইশাক, বেগুন, লাউ, কুমড়া, মরিচ, টমেটোসহ নানা রকমের সবজি। সরেজমিনে উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের বাতশিরি এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, সবজি ক্ষেতের পরিচর্যা করছেন ও উপযোগী সবজি তুলছেন কৃষক আবু ইউছুফ। তিনি এবার প্রায় ২০ শতক জমিতে সবজি চাষ করেছেন। এ জমিতে মুলাশাক,  পালং শাক, লালশাক, মটরশুটি, লাউশাক, পুঁইশাকসহ নানা রকমের শাক-সবজি ফলান তিনি। এসব সবজি ক্ষেতে কোনো কৃষককে দেখা গেছে, সবজি গাছের গোঁড়া ঠিক করছেন। মাটি আলগা করে নেড়েচেড়ে দিচ্ছেন। আবার কেউ হেলে পড়া কোনো গাছ চোখে পড়লে ঠিক করে দিচ্ছেন। এভাবে শীতকালীন রকমারি সবজি নিয়ে কৃষকরা দিনের সিংহভাগ সময় ক্ষেতেই পার করছেন। পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে এসকল সবজি স্থানীয় হাট-বাজারগুলোতে বিক্রি করছেন।
এলাকার কয়েকজন বলেন, এখানকার কৃষকরা ভোর থেকেই কোদাল, নিড়ানি, বালতি, স্প্রে মেশিন ইত্যাদি নিয়ে বেরিয়ে পড়েন সবজি পরিচর্যায়।
কৃষক আবু ইউছুফ বলেন, বন্যায় অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফসলের। ঘুরে দাঁড়ানো চেষ্টা করছি। জমি থেকে টাটকা সবজি কিনতে বিকেলে এলাকার অনেকেই আসেন। শীতকালীন সবজি চাষে উপজেলা কৃষি বিভাগ সহযোগিতা করেছেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করছেন। কৃষক আবু ইউছুফের মতো এলাকার অন্যান্য কৃষকরা জমি থেকে সবজি তুলছেন এবং স্থানীয় হাট-বাজারগুলোতে বিক্রি করছেন।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, শীতকালীন এসব সবজিতে পোঁকা বা রোগের আক্রমণ ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মহিউদ্দিন মজুমদার বলেন, কৃষকদের প্রণোদনা ও পরামর্শ দেওয়াসহ নানাভাবে কৃষি বিভাগ সহযোগিতা করে আসছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

নালিতাবাড়ী সীমান্তের চোরাকারবার সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার

দাগনভূঞায় শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষক

আপডেট সময় : ০৪:১৮:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৪
দাগনভূঞা উপজেলায় শীতকালীন সবজির চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। কনকনে শীত উপেক্ষা করে সবজি ক্ষেতে ব্যস্ত কৃষক-কৃষাণীরা। ভোর থেকে সবজি পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক। ক্ষেত থেকে তুলছেন মুলা, লালশাক, পুঁইশাক, বেগুন, লাউ, কুমড়া, মরিচ, টমেটোসহ নানা রকমের সবজি। সরেজমিনে উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের বাতশিরি এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, সবজি ক্ষেতের পরিচর্যা করছেন ও উপযোগী সবজি তুলছেন কৃষক আবু ইউছুফ। তিনি এবার প্রায় ২০ শতক জমিতে সবজি চাষ করেছেন। এ জমিতে মুলাশাক,  পালং শাক, লালশাক, মটরশুটি, লাউশাক, পুঁইশাকসহ নানা রকমের শাক-সবজি ফলান তিনি। এসব সবজি ক্ষেতে কোনো কৃষককে দেখা গেছে, সবজি গাছের গোঁড়া ঠিক করছেন। মাটি আলগা করে নেড়েচেড়ে দিচ্ছেন। আবার কেউ হেলে পড়া কোনো গাছ চোখে পড়লে ঠিক করে দিচ্ছেন। এভাবে শীতকালীন রকমারি সবজি নিয়ে কৃষকরা দিনের সিংহভাগ সময় ক্ষেতেই পার করছেন। পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে এসকল সবজি স্থানীয় হাট-বাজারগুলোতে বিক্রি করছেন।
এলাকার কয়েকজন বলেন, এখানকার কৃষকরা ভোর থেকেই কোদাল, নিড়ানি, বালতি, স্প্রে মেশিন ইত্যাদি নিয়ে বেরিয়ে পড়েন সবজি পরিচর্যায়।
কৃষক আবু ইউছুফ বলেন, বন্যায় অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফসলের। ঘুরে দাঁড়ানো চেষ্টা করছি। জমি থেকে টাটকা সবজি কিনতে বিকেলে এলাকার অনেকেই আসেন। শীতকালীন সবজি চাষে উপজেলা কৃষি বিভাগ সহযোগিতা করেছেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করছেন। কৃষক আবু ইউছুফের মতো এলাকার অন্যান্য কৃষকরা জমি থেকে সবজি তুলছেন এবং স্থানীয় হাট-বাজারগুলোতে বিক্রি করছেন।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, শীতকালীন এসব সবজিতে পোঁকা বা রোগের আক্রমণ ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মহিউদ্দিন মজুমদার বলেন, কৃষকদের প্রণোদনা ও পরামর্শ দেওয়াসহ নানাভাবে কৃষি বিভাগ সহযোগিতা করে আসছে।