০৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে ধানুয়া কামালপুর স্থল বন্দর দিয়ে পূনরায় আমদানি শুরু

দীর্ঘ ছয় মাস বন্ধ থাকার পর জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জের ধানুয়া কামালপুর স্থল বন্দর দিয়ে পুনরায় পাথর আমদানি শুরু হয়েছে।

গত রোববার দুপুর ১২ টায় ভারত থেকে ২০টি পাথর বোঝাই ট্রাক এই বন্দরে প্রবেশের মধ্য দিয়ে পাথর আমদানি শুরু হয়। পরে বন্দর থেকে শুল্ক কর্মকর্তাদের তদারকিতে ট্রাক গুলো খালাস করা হয়।

প্রথম দিনে প্রতিটি ট্রাকে ১২ মেট্রিক টন করে ২০ টি ট্রাকে ২৪০ মেট্রিক টন পাথর বন্দর দিয়ে আমদানি করা হয়। এখন থেকে সরকারি ছুটির বাইরে প্রতিদিন পাথর আমদানি হবে বলে জানিয়েছেন বন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা। দীর্ঘদিন পর এই বন্দর দিয়ে পাথর আমদানি শুরু হওয়ায় খুশির আমেজ বিরাজ করছে বন্দরের ব্যবসায়ী, আমদানি-রপ্তানীকারক সমিতি ও শ্রমিকদের মধ্যে।

তবে স্থানীয়রা জানান, পূর্বের মত চাঁদাবাজী ও শুল্ক ফাঁকি দিতে গিয়ে যেন পুনরায় বন্দরের আমদানি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে না যায় সেদিকে খেয়াল করে ব্যবসা-বাণিজ্য চালানো উচিত।

ধানুয়া কামালপুর আমদানি-রপ্তানীকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. পলাশ জানান, দীর্ঘ ছয় মাস বন্ধ থাকার পর পুনরায় পাথর আমদানি শুরু হওয়ায় আগের মতই প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে বন্দরের কার্যক্রম। ফলে বেকার শ্রমিকরা পুনরায় কাজে ফিরবে এবং ব্যবসায়ীরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন।

আমদানি-রপ্তানীকারক সমিতির আরেক নেতা গোলাম রসুল সেতু জানান, ধানুয়া কামালপুর স্থল বন্দর দিয়ে ৩৪টি পণ্য আমদানির অনুমোদন থাকার পরও শুধুমাত্র পাথর আমদানি করা হয় এই বন্দর দিয়ে। তিনি দেশের আমদানি-রপ্তানীকরক ও ব্যবসায়ীদের এই বন্দরে ব্যবসা করার আহবান জানান।

অত্র বন্দরের শুল্ক বিভাগের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, নানা জটিলতায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার আবারও পাথর আসতে শুরু করেছে। আশাকরি এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে ধানুয়া কামালপুর স্থল বন্দর দিয়ে পূনরায় আমদানি শুরু

আপডেট সময় : ০৪:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪

দীর্ঘ ছয় মাস বন্ধ থাকার পর জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জের ধানুয়া কামালপুর স্থল বন্দর দিয়ে পুনরায় পাথর আমদানি শুরু হয়েছে।

গত রোববার দুপুর ১২ টায় ভারত থেকে ২০টি পাথর বোঝাই ট্রাক এই বন্দরে প্রবেশের মধ্য দিয়ে পাথর আমদানি শুরু হয়। পরে বন্দর থেকে শুল্ক কর্মকর্তাদের তদারকিতে ট্রাক গুলো খালাস করা হয়।

প্রথম দিনে প্রতিটি ট্রাকে ১২ মেট্রিক টন করে ২০ টি ট্রাকে ২৪০ মেট্রিক টন পাথর বন্দর দিয়ে আমদানি করা হয়। এখন থেকে সরকারি ছুটির বাইরে প্রতিদিন পাথর আমদানি হবে বলে জানিয়েছেন বন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা। দীর্ঘদিন পর এই বন্দর দিয়ে পাথর আমদানি শুরু হওয়ায় খুশির আমেজ বিরাজ করছে বন্দরের ব্যবসায়ী, আমদানি-রপ্তানীকারক সমিতি ও শ্রমিকদের মধ্যে।

তবে স্থানীয়রা জানান, পূর্বের মত চাঁদাবাজী ও শুল্ক ফাঁকি দিতে গিয়ে যেন পুনরায় বন্দরের আমদানি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে না যায় সেদিকে খেয়াল করে ব্যবসা-বাণিজ্য চালানো উচিত।

ধানুয়া কামালপুর আমদানি-রপ্তানীকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. পলাশ জানান, দীর্ঘ ছয় মাস বন্ধ থাকার পর পুনরায় পাথর আমদানি শুরু হওয়ায় আগের মতই প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে বন্দরের কার্যক্রম। ফলে বেকার শ্রমিকরা পুনরায় কাজে ফিরবে এবং ব্যবসায়ীরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন।

আমদানি-রপ্তানীকারক সমিতির আরেক নেতা গোলাম রসুল সেতু জানান, ধানুয়া কামালপুর স্থল বন্দর দিয়ে ৩৪টি পণ্য আমদানির অনুমোদন থাকার পরও শুধুমাত্র পাথর আমদানি করা হয় এই বন্দর দিয়ে। তিনি দেশের আমদানি-রপ্তানীকরক ও ব্যবসায়ীদের এই বন্দরে ব্যবসা করার আহবান জানান।

অত্র বন্দরের শুল্ক বিভাগের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, নানা জটিলতায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার আবারও পাথর আসতে শুরু করেছে। আশাকরি এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।