০৫:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইবিতে অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সম্ভাবনা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘Higher Study & Research Opportunities in Australia’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। (রবিবার) ১৩ এপ্রিল দুপুর ১টায় আইসিটি বিভাগের ১০২ নম্বর কক্ষে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারটি আয়োজন করে IEEE Islamic University Student Branch এবং Students Association of ICT (SAICT)।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল ল্যাবের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু উবাইদা ও জয়িতা মোদকের যৌথ সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মঞ্জুরুল হক। সেমিনারে কী-নোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং অস্ট্রেলিয়ার চার্লস স্টার্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর এআই অ্যান্ড ডিজিটাল হেলথ টেকনোলজির পরিচালক ড. মোহাম্মদ আলী মনি।

সেমিনারে কী-নোট স্পিকার ড. মোহাম্মদ আলী মনি তাঁর শিক্ষা ও গবেষণাজীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন এবং শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী হওয়ার জন্য বাস্তবসম্মত দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।বিদেশে স্কলারশিপের বিভিন্ন ধরন, সেগুলো খুব সহজে পাওয়ার উপায়, শিক্ষার্থীদের জন্য করণীয় কার্যাবলী, স্কলারশিপ পাওয়ার পরে কি কি করতে হবে, স্কলারশিপের মেয়াদ কতদিন থাকে, সরকারের পক্ষ থেকে কি কি সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয় সেসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য ড. নকীব নসরুল্লাহ তাঁর বক্তব্যে বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উচ্চশিক্ষার সুযোগ গ্রহণে উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অবশ্যই বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য চেষ্টা করা উচিৎ এবং ফ্যাকাল্টির প্রত্যেক শিক্ষকদের বলতে চাই, আপনারা শিক্ষার্থীদের গবেষণার প্রতি উৎসাহিত করেন। উচ্চশিক্ষার জন্য আস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে যেতে ভালো রিসার্চপেপার তৈরি করা সহ যাবতীয় প্রক্রিয়া এবং পরামর্শ দিয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবেন।

উল্লেখ্য, ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইন্সটিটিউট অব ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স (আই-ইইই) বিশ্বের ইঞ্জিনিয়ারদের সর্ববৃহৎ সংগঠন। সংগঠনটি বিশ্বব্যাপী প্রকৌশল ও প্রযুক্তির উন্নতি সাধনে নানাবিধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। প্রকৌশল পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গের পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকৌশল শিক্ষায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করে সংগঠনটি। ২০১৯ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আই-ইইই স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ যাত্রা শুরু করে। একই বছর দেশসেরা উদীয়মান ব্রাঞ্চ হওয়ার গৌরব অর্জন করে আই-ইইই ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ এবং ২০২৪ সালের আই-ইইই কম্পিউটার সোসাইটি বাংলাদেশ চ্যাপ্টার কর্তৃক দেশসেরা স্টুডেন্ট চ্যাপ্টারের পুরস্কার অর্জন করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইবিতে অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সম্ভাবনা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৪:৫১:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘Higher Study & Research Opportunities in Australia’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। (রবিবার) ১৩ এপ্রিল দুপুর ১টায় আইসিটি বিভাগের ১০২ নম্বর কক্ষে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারটি আয়োজন করে IEEE Islamic University Student Branch এবং Students Association of ICT (SAICT)।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল ল্যাবের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু উবাইদা ও জয়িতা মোদকের যৌথ সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মঞ্জুরুল হক। সেমিনারে কী-নোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং অস্ট্রেলিয়ার চার্লস স্টার্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর এআই অ্যান্ড ডিজিটাল হেলথ টেকনোলজির পরিচালক ড. মোহাম্মদ আলী মনি।

সেমিনারে কী-নোট স্পিকার ড. মোহাম্মদ আলী মনি তাঁর শিক্ষা ও গবেষণাজীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন এবং শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী হওয়ার জন্য বাস্তবসম্মত দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।বিদেশে স্কলারশিপের বিভিন্ন ধরন, সেগুলো খুব সহজে পাওয়ার উপায়, শিক্ষার্থীদের জন্য করণীয় কার্যাবলী, স্কলারশিপ পাওয়ার পরে কি কি করতে হবে, স্কলারশিপের মেয়াদ কতদিন থাকে, সরকারের পক্ষ থেকে কি কি সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয় সেসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য ড. নকীব নসরুল্লাহ তাঁর বক্তব্যে বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উচ্চশিক্ষার সুযোগ গ্রহণে উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অবশ্যই বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য চেষ্টা করা উচিৎ এবং ফ্যাকাল্টির প্রত্যেক শিক্ষকদের বলতে চাই, আপনারা শিক্ষার্থীদের গবেষণার প্রতি উৎসাহিত করেন। উচ্চশিক্ষার জন্য আস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে যেতে ভালো রিসার্চপেপার তৈরি করা সহ যাবতীয় প্রক্রিয়া এবং পরামর্শ দিয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবেন।

উল্লেখ্য, ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইন্সটিটিউট অব ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স (আই-ইইই) বিশ্বের ইঞ্জিনিয়ারদের সর্ববৃহৎ সংগঠন। সংগঠনটি বিশ্বব্যাপী প্রকৌশল ও প্রযুক্তির উন্নতি সাধনে নানাবিধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। প্রকৌশল পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গের পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকৌশল শিক্ষায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করে সংগঠনটি। ২০১৯ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আই-ইইই স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ যাত্রা শুরু করে। একই বছর দেশসেরা উদীয়মান ব্রাঞ্চ হওয়ার গৌরব অর্জন করে আই-ইইই ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ এবং ২০২৪ সালের আই-ইইই কম্পিউটার সোসাইটি বাংলাদেশ চ্যাপ্টার কর্তৃক দেশসেরা স্টুডেন্ট চ্যাপ্টারের পুরস্কার অর্জন করে।