চট্টগ্রামে নগরের পাঁচলাইশ থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেলের খোঁজে নেমে মো. আবিদ হোসেন শ্রাবণ নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে ওই যুবকের তথ্যমতে, মোটরসাইকেলটি হাটহাজারী থেকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তারের যুবকের বিরুদ্ধে এক বা দুটি মামলা নয়; ১৯টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে বিভিন্ন থানায়।শনিবার (১২ এপ্রিল) সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোমবার (১৪ এপ্রিল) দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে চট্টগ্রাম–কাপ্তাই সড়কের হাটহাজারী ধোপপুল এলাকার ডিজে মুন্নার সাউন্ডের দোকানের সামনে থেকে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।গ্রেপ্তার মো. আবিদ হোসেন শ্রাবণ নগরের ২ নম্বর গেট কসমোপলিটন এলাকার রাবার কোম্পানি বিল্ডিংয়ের মো. আমির হোসেন খুকুর ছেলে। তার বিরুদ্ধে সিএমপির (চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ) কোতোয়ালী থানায় ৬টি, পাঁচলাইশে ৪টি, চকবাজারে ৩টি, ডবলমুরিংয়ে ২টি এবং পাহাড়তলী, হালিশহর, আকবরশাহ ও বন্দরে যথাক্রমে একটি করে চারটিসহ মোট ১৯টি মামলা রয়েছে।পুলিশ জানায়, গত ৮ এপ্রিল দুপুরে মোহাম্মদ নোমান (২৭) পাঁচলাইশের হামজারবাগ শাহজাহান হাউজিং সোসাইটিস্থ কামাল ম্যানশন বিল্ডিংয়ের সামনে রাস্তার ওপর মোটরসাইকেলটি পার্কিং করে টিউশনিতে যায়। টিউশন শেষে ঘটনাস্থলে ফিরে দেখেন তার মোটরসাইকেলটি যথাস্থানে নেই। এ ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় তিনি (নোমান) মামলা দায়ের করেন। পরে সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে আসামি মো. আবিদ হোসেন শ্রাবণকে শনাক্ত করা হয়।গ্রেপ্তারের পর দুদিনের পুলিশ রিমান্ডে তিনি জানান, সহযোগীদের সহযোগিতায় মোটরসাইকেল চুরি করেছে। এরপর সেটি হাটহাজারীর ডিজে মুন্নার সাউন্ডের দোকানের সামনে রাখেন। পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান জানিয়েছেন, মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় মামলা দায়েরের পর সিসিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে আসামিকে শনাক্ত করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যমতে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে চুরি, দস্যুতা, এমনকি খুনের চেষ্টার অভিযোগে নগরের কোতোয়ালী, পাঁচলাইশ, চকবাজারসহ বিভিন্ন থানায় ১৯টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন ওসি মোহাম্মদ সোলাইমান।




















