০৫:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কলেজছাত্র হৃদয়কে জবাই করে হত্যার সাথে জড়িত গ্রেপ্তার ২

পরিচয় শনাক্ত করতে না পারার জন্য শরীররে মাংস আলাদা করা হয়
চট্টগ্রাম ব্যুরো 
চট্টগ্রামের রাউজানে কলেজছাত্র শিবলী সাদিকে হৃদয়কে (১৯) অপহরণের পর জবাই করে হত্যার ঘটনায় জবাইকারীসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৭। তারা হল- উচিংথোয়াই মারমা (২৩) ও তার সহযোগী ক্যাসাই অং মারমা (৩৬)। এদের মধ্যে উচিংথোয়াই মারমা হৃদয়কে জবাই করেছে বলে জানায় র‌্যাব। এর আগে শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানাধীন নতুনব্রিজ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রবিবার (১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর চান্দগাঁও র‍্যাব-৭ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য জানান, র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব আলম। তিনি আরো বলেন, মুরগিকে পর্যাপ্ত খাবার না দিয়ে বিক্রি করে দিতো খামারে কর্মরত শ্রমিকরা। এ নিয়ে প্রতিবাদ করে পোল্ট্রি খামারের ম্যানেজার শিবলী সাদিক হৃদয় (১৯)। এ কারণে খামারে কর্মরত ওই শ্রমিকদের সঙ্গে কয়েক দফা বাকবিতণ্ডা হয় তার। তখন থেকে শ্রমিকরা সিদ্ধান্ত নেয়- হৃদয়কে উচিৎ শিক্ষা দেবে। এ জন্য তাকে খামার থেকে অপহরণ করে পাহাড়ে নিয়ে যায়। হৃদয়কে গলা কেটে হত্যার পর মরদেহ কলা পাতা দিয়ে ঢেকে রাখে হত্যাকারীরা। শুধু তাই নয়, মরদেহ যাতে শনাক্ত করতে না পারে সেজন্য ছুরি দিয়ে শরীর থেকে মাংসও পৃথক করে ফেলেন তারা। র‌্যাব সদস্যদের হাতে গ্রেফতার হওয়া উচিংথোয়াই মারমা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, হৃদয়কে অপহরণের একদিন পর ২৯ আগস্ট বিকালে রঙিন পাহাড়ের চূড়ায় নিয়ে হত্যা করা হয়। উচিংথোয়াই মারমা নিজেই ছুরি দিয়ে হৃদয়ের গলা কাটে। তার সহযোগী ক্যাসাই অং চৌধুরীসহ আরও চারজন হৃদয়ের হাত-পা এবং মুখ চেপে ধরে। অপহরণের সঙ্গে জড়িত ছিল শুধুমাত্র খামারে কর্মরত শ্রমিকরা। এদের মধ্যে উমংচিং মারমা ও অং থুই মারমা হৃদয়কে অপহরণের পরিকল্পনা করে। উচিংথোয়াই মারমা তার অন্যতম সহযোগী ক্যাসাই অং চৌধুরীকে বান্দরবান থেকে চট্টগ্রামে কাজ আছে বলে ডেকে আনে এবং তাদেরকে দিয়ে হৃদয়কে হত্যা করানো হয়। এরপর শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। মাংস খাওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকরা র‌্যাব-৭ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, হৃদয়কে হত্যার পর মাংস খেয়ে ফেলেছে- এমন একটি খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হয়েছে। কিন্তু আসামিরা জানায়,  পরিচয় শনাক্ত করতে না পারার জন্য নিষ্ঠুর হত্যাকারীরা তার শরীর থেকে মাংস  আলাদা করেন।

শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে বিক্ষোভ মিছিল

কলেজছাত্র হৃদয়কে জবাই করে হত্যার সাথে জড়িত গ্রেপ্তার ২

আপডেট সময় : ০৬:০২:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০২৩
পরিচয় শনাক্ত করতে না পারার জন্য শরীররে মাংস আলাদা করা হয়
চট্টগ্রাম ব্যুরো 
চট্টগ্রামের রাউজানে কলেজছাত্র শিবলী সাদিকে হৃদয়কে (১৯) অপহরণের পর জবাই করে হত্যার ঘটনায় জবাইকারীসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৭। তারা হল- উচিংথোয়াই মারমা (২৩) ও তার সহযোগী ক্যাসাই অং মারমা (৩৬)। এদের মধ্যে উচিংথোয়াই মারমা হৃদয়কে জবাই করেছে বলে জানায় র‌্যাব। এর আগে শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানাধীন নতুনব্রিজ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রবিবার (১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর চান্দগাঁও র‍্যাব-৭ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য জানান, র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব আলম। তিনি আরো বলেন, মুরগিকে পর্যাপ্ত খাবার না দিয়ে বিক্রি করে দিতো খামারে কর্মরত শ্রমিকরা। এ নিয়ে প্রতিবাদ করে পোল্ট্রি খামারের ম্যানেজার শিবলী সাদিক হৃদয় (১৯)। এ কারণে খামারে কর্মরত ওই শ্রমিকদের সঙ্গে কয়েক দফা বাকবিতণ্ডা হয় তার। তখন থেকে শ্রমিকরা সিদ্ধান্ত নেয়- হৃদয়কে উচিৎ শিক্ষা দেবে। এ জন্য তাকে খামার থেকে অপহরণ করে পাহাড়ে নিয়ে যায়। হৃদয়কে গলা কেটে হত্যার পর মরদেহ কলা পাতা দিয়ে ঢেকে রাখে হত্যাকারীরা। শুধু তাই নয়, মরদেহ যাতে শনাক্ত করতে না পারে সেজন্য ছুরি দিয়ে শরীর থেকে মাংসও পৃথক করে ফেলেন তারা। র‌্যাব সদস্যদের হাতে গ্রেফতার হওয়া উচিংথোয়াই মারমা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, হৃদয়কে অপহরণের একদিন পর ২৯ আগস্ট বিকালে রঙিন পাহাড়ের চূড়ায় নিয়ে হত্যা করা হয়। উচিংথোয়াই মারমা নিজেই ছুরি দিয়ে হৃদয়ের গলা কাটে। তার সহযোগী ক্যাসাই অং চৌধুরীসহ আরও চারজন হৃদয়ের হাত-পা এবং মুখ চেপে ধরে। অপহরণের সঙ্গে জড়িত ছিল শুধুমাত্র খামারে কর্মরত শ্রমিকরা। এদের মধ্যে উমংচিং মারমা ও অং থুই মারমা হৃদয়কে অপহরণের পরিকল্পনা করে। উচিংথোয়াই মারমা তার অন্যতম সহযোগী ক্যাসাই অং চৌধুরীকে বান্দরবান থেকে চট্টগ্রামে কাজ আছে বলে ডেকে আনে এবং তাদেরকে দিয়ে হৃদয়কে হত্যা করানো হয়। এরপর শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। মাংস খাওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকরা র‌্যাব-৭ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, হৃদয়কে হত্যার পর মাংস খেয়ে ফেলেছে- এমন একটি খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হয়েছে। কিন্তু আসামিরা জানায়,  পরিচয় শনাক্ত করতে না পারার জন্য নিষ্ঠুর হত্যাকারীরা তার শরীর থেকে মাংস  আলাদা করেন।