০৬:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নড়াইলে রোডস্ এ্যান্ড হাইওয়ে( পি ডাব্লিউ ডি) এর উদ্যোগে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

নড়াইলে রোডস্ এ্যান্ড হাইওয়ে( পি ডাব্লিউ ডি) এর উদ্যোগে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেই লক্ষ্যে সোমবার (২ অক্টোবর) সকাল থেকে টার্মিনাল পেট্রোল পাম্পের পূর্ব পাশ থেকে আলাদাতপুর মসজিদ পর্যন্ত রাস্তার দুপাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কাজ করা হয়।

স্থানীয় দোকান মালিকেরা জানান, আমাদের কোন প্রকার নোটিশ না দিয়ে হঠাৎ করেই তারা এ কাজ শুরু করে। এতে আমাদের লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।আমরা সুষ্ঠু বিচার চাই।

মুরগি ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, কোন পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই আমাদের দোকান ভেঙেছে। মালামাল সরিয়ে নেওয়ার কোন সময় পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। আমার চল্লিশ হাজার টাকার একটা যন্ত্র নষ্ট হয়েছে। কয়েক মিনিট সময় দিলে আমার এ ক্ষতি হতোনা।

ঢাকা ফার্নিচার এর মালিক তুষার শেখ অভিযোগ করেন, পূর্বে তারা কোনো নোটিশ তো দেয় ই নি বরং কাজ শুরু করার সময় আমাকে আমার মালামাল সরাতে দুই মিনিট ও সময় দেয়া হয়নি। আমাদের ঘর থেকে বের হতে পর্যন্ত না দিয়ে, আমরা ঘরে ভিতর থাকা অবস্থায় সব কিছু ভেঙে ফেলেছে। আমার প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা এই ঘটনার ক্ষতিপূরণ ও বিচার দাবী করি।

স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম পিন্টু বলেন, এগুলো আমাদের ১৯৬২ সালের সম্পত্তি। কোন লিখিত না দিয়ে তারা হঠাৎ ভাঙতে শুরু করে। এর আগে তারা দোকানের দেওয়ালে একটা লাল দাগের ক্রস চিহ্ন দিয়ে গিয়েছিল। সেই দাগ অনুযায়ি আমার দোকান ১ হাতের মতো ভাঙার কথা। কিন্তু প্রায় সম্পুর্ন দোকানই ভেঙে ফেলেছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

ইবির বঙ্গবন্ধু হলের পকেট গেট বন্ধ করে দিল প্রশাসন 

নড়াইলে রোডস্ এ্যান্ড হাইওয়ে( পি ডাব্লিউ ডি) এর উদ্যোগে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

আপডেট সময় : ০৮:৪১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অক্টোবর ২০২৩

নড়াইলে রোডস্ এ্যান্ড হাইওয়ে( পি ডাব্লিউ ডি) এর উদ্যোগে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেই লক্ষ্যে সোমবার (২ অক্টোবর) সকাল থেকে টার্মিনাল পেট্রোল পাম্পের পূর্ব পাশ থেকে আলাদাতপুর মসজিদ পর্যন্ত রাস্তার দুপাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কাজ করা হয়।

স্থানীয় দোকান মালিকেরা জানান, আমাদের কোন প্রকার নোটিশ না দিয়ে হঠাৎ করেই তারা এ কাজ শুরু করে। এতে আমাদের লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।আমরা সুষ্ঠু বিচার চাই।

মুরগি ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, কোন পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই আমাদের দোকান ভেঙেছে। মালামাল সরিয়ে নেওয়ার কোন সময় পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। আমার চল্লিশ হাজার টাকার একটা যন্ত্র নষ্ট হয়েছে। কয়েক মিনিট সময় দিলে আমার এ ক্ষতি হতোনা।

ঢাকা ফার্নিচার এর মালিক তুষার শেখ অভিযোগ করেন, পূর্বে তারা কোনো নোটিশ তো দেয় ই নি বরং কাজ শুরু করার সময় আমাকে আমার মালামাল সরাতে দুই মিনিট ও সময় দেয়া হয়নি। আমাদের ঘর থেকে বের হতে পর্যন্ত না দিয়ে, আমরা ঘরে ভিতর থাকা অবস্থায় সব কিছু ভেঙে ফেলেছে। আমার প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা এই ঘটনার ক্ষতিপূরণ ও বিচার দাবী করি।

স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম পিন্টু বলেন, এগুলো আমাদের ১৯৬২ সালের সম্পত্তি। কোন লিখিত না দিয়ে তারা হঠাৎ ভাঙতে শুরু করে। এর আগে তারা দোকানের দেওয়ালে একটা লাল দাগের ক্রস চিহ্ন দিয়ে গিয়েছিল। সেই দাগ অনুযায়ি আমার দোকান ১ হাতের মতো ভাঙার কথা। কিন্তু প্রায় সম্পুর্ন দোকানই ভেঙে ফেলেছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।