০৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ৩৩টি অজগর ছানার জন্ম

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় কৃত্রিম উপায়ে ডিম ফুটে অজগর ছানার জন্ম হয়েছে। এ
নিয়ে চিড়িয়াখানায় হাতে তৈরি ইনকিউবেটরে ষষ্ঠবারের মতো অজগর ছানার জন্ম হলো।
এ চিড়িয়াখানায় বিভিন্ন সময়ে কৃত্রিম উপায়ে জন্ম নেওয়া ১১৫টি অজগর ছানার
মধ্যে ৮০টি সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক, হাজারীখিল, চুনতি রিজার্ভ ফরেস্টসহ বিভিন্ন
সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।গত ৪ এপ্রিল প্রথম দফায় সংরক্ষণ করা ২৪টি
ডিমের মধ্যে ১১-১৩ জুন ১৭টি, দ্বিতীয় দফায় ১৪ এপ্রিল সংরক্ষণ করা ২১টির মধ্যে ২১-
২৪ জুন ১৬টি বাচ্চা ফুটেছে।চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর শাহাদাত হোসেন শুভ
জানিয়েছেন, দুটি অজগরের ৪৫টি ডিমের মধ্যে ৩৩টি থেকে বাচ্চা হয়েছে। খাঁচায়
ডিমগুলো রেখে দিলে সেগুলো নষ্ট হয়ে যেত। তাই আগের বছরগুলোর মতো এবারও ডিম
সংরক্ষণ করে বিভিন্ন তাপমাত্রায় ৬৭ থেকে ৬৯ দিন রাখার পর অজগর ছানা জন্ম নিয়েছে।শুভ
বলেন, অজগর ছানাগুলো ১৫ দিন পর চামড়া বদল করবে। এরপর ধীরে ধীরে সেগুলোকে খাবার
দেওয়া হবে। তারপর কিছুদিন পর্যবেক্ষণে রেখে সাপগুলো প্রকৃতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর
সক্ষমতা অর্জন করলে জেলা প্রশাসকের অনুমতি নিয়ে আগের বছরগুলোর মতো সংরক্ষিত
বনে ছেড়ে দেওয়া হবে।২০১৯ সালে প্রথমবার হাতে তৈরি ইনকিউবেটরে পরীক্ষামূলকভাবে
অজগরের ডিম ফোটানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন ডেপুটি কিউরেটর শুভ। প্রথমবার ২৫টি
বাচ্চা ফোটাতে সক্ষম হওয়ার পর প্রতি বছর এ উদ্যোগ নেন তিনি।এরপর ২০২১ সালে
২৮টি, পরের বছরগুলোতে ১১টি ও ১৬টি করে অজগর ছানার জন্ম হয় চট্টগ্রাম
চিড়িয়াখানায়। ২০২৪ সালে সব থেকে বেশি ৩৫টি অজগর ছানা জন্ম নেয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ৩৩টি অজগর ছানার জন্ম

আপডেট সময় : ০৪:১৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় কৃত্রিম উপায়ে ডিম ফুটে অজগর ছানার জন্ম হয়েছে। এ
নিয়ে চিড়িয়াখানায় হাতে তৈরি ইনকিউবেটরে ষষ্ঠবারের মতো অজগর ছানার জন্ম হলো।
এ চিড়িয়াখানায় বিভিন্ন সময়ে কৃত্রিম উপায়ে জন্ম নেওয়া ১১৫টি অজগর ছানার
মধ্যে ৮০টি সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক, হাজারীখিল, চুনতি রিজার্ভ ফরেস্টসহ বিভিন্ন
সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।গত ৪ এপ্রিল প্রথম দফায় সংরক্ষণ করা ২৪টি
ডিমের মধ্যে ১১-১৩ জুন ১৭টি, দ্বিতীয় দফায় ১৪ এপ্রিল সংরক্ষণ করা ২১টির মধ্যে ২১-
২৪ জুন ১৬টি বাচ্চা ফুটেছে।চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর শাহাদাত হোসেন শুভ
জানিয়েছেন, দুটি অজগরের ৪৫টি ডিমের মধ্যে ৩৩টি থেকে বাচ্চা হয়েছে। খাঁচায়
ডিমগুলো রেখে দিলে সেগুলো নষ্ট হয়ে যেত। তাই আগের বছরগুলোর মতো এবারও ডিম
সংরক্ষণ করে বিভিন্ন তাপমাত্রায় ৬৭ থেকে ৬৯ দিন রাখার পর অজগর ছানা জন্ম নিয়েছে।শুভ
বলেন, অজগর ছানাগুলো ১৫ দিন পর চামড়া বদল করবে। এরপর ধীরে ধীরে সেগুলোকে খাবার
দেওয়া হবে। তারপর কিছুদিন পর্যবেক্ষণে রেখে সাপগুলো প্রকৃতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর
সক্ষমতা অর্জন করলে জেলা প্রশাসকের অনুমতি নিয়ে আগের বছরগুলোর মতো সংরক্ষিত
বনে ছেড়ে দেওয়া হবে।২০১৯ সালে প্রথমবার হাতে তৈরি ইনকিউবেটরে পরীক্ষামূলকভাবে
অজগরের ডিম ফোটানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন ডেপুটি কিউরেটর শুভ। প্রথমবার ২৫টি
বাচ্চা ফোটাতে সক্ষম হওয়ার পর প্রতি বছর এ উদ্যোগ নেন তিনি।এরপর ২০২১ সালে
২৮টি, পরের বছরগুলোতে ১১টি ও ১৬টি করে অজগর ছানার জন্ম হয় চট্টগ্রাম
চিড়িয়াখানায়। ২০২৪ সালে সব থেকে বেশি ৩৫টি অজগর ছানা জন্ম নেয়।