০২:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দীঘিনালায় কফি ও কাজুবাদামের চারা বিতরণ

oplus_2

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় কাজুবাদাম ও কফি চাষ সম্প্রসারণে কৃষকদের মাঝে চারা ও সার বিতরণ করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে “কাজুবাদাম ও কফি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ” প্রকল্পের আওতায় এ প্রদর্শনী উপকরণ বিতরণ করে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

শনিবার (২৬ জুলাই) সকাল ১১টায় দীঘিনালা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ৭ জন কৃষকের মাঝে ৫,৬৮০টি কফি চারা এবং ৭ জন কৃষকের মাঝে ১,৯৮০টি কাজুবাদাম চারা ও সার বিতরণ করা হয়। বিতরণ করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. সোহেল রানা, কৃষি উদ্ভিদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পরেশ চাকমা, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুপন চাকমা প্রমুখ।

কৃষি কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন বলেন, “সরকার পাহাড়ে উচ্চমূল্যের ফসল চাষে উৎসাহ দিচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় কফি ও কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বান্দরবানের বালাঘাট এলাকায় ১৭টি কফি ও কাজুবাদাম প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। বাজারজাত নিয়ে কৃষকদের দুশ্চিন্তার কিছু নেই।”

তিনি আরও বলেন, “আধুনিক চাষ পদ্ধতির ওপর কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও হাতে-কলমে কাজ শেখানো হচ্ছে। পাহাড়ে কফি ও কাজুবাদাম চাষ করে কৃষকরা শুধু স্বাবলম্বী নয়, উদ্যোক্তাও হতে পারবেন।”

জনপ্রিয় সংবাদ

দীঘিনালায় কফি ও কাজুবাদামের চারা বিতরণ

আপডেট সময় : ০৪:৫০:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় কাজুবাদাম ও কফি চাষ সম্প্রসারণে কৃষকদের মাঝে চারা ও সার বিতরণ করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে “কাজুবাদাম ও কফি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ” প্রকল্পের আওতায় এ প্রদর্শনী উপকরণ বিতরণ করে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

শনিবার (২৬ জুলাই) সকাল ১১টায় দীঘিনালা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ৭ জন কৃষকের মাঝে ৫,৬৮০টি কফি চারা এবং ৭ জন কৃষকের মাঝে ১,৯৮০টি কাজুবাদাম চারা ও সার বিতরণ করা হয়। বিতরণ করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. সোহেল রানা, কৃষি উদ্ভিদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পরেশ চাকমা, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুপন চাকমা প্রমুখ।

কৃষি কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন বলেন, “সরকার পাহাড়ে উচ্চমূল্যের ফসল চাষে উৎসাহ দিচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় কফি ও কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বান্দরবানের বালাঘাট এলাকায় ১৭টি কফি ও কাজুবাদাম প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। বাজারজাত নিয়ে কৃষকদের দুশ্চিন্তার কিছু নেই।”

তিনি আরও বলেন, “আধুনিক চাষ পদ্ধতির ওপর কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও হাতে-কলমে কাজ শেখানো হচ্ছে। পাহাড়ে কফি ও কাজুবাদাম চাষ করে কৃষকরা শুধু স্বাবলম্বী নয়, উদ্যোক্তাও হতে পারবেন।”