০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ছয়ঘরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়

গ্রামবাংলার প্রতিকূলতা পেরিয়ে শিক্ষার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় এখন গোটা এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়ানো এক উজ্জ্বল নাম। প্রাকৃতিক ও অবকাঠামোগত প্রতিকূলতা পেরিয়ে বিদ্যালয়টি শিক্ষার গুণগত মানে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

শান্ত গ্রামীণ পরিবেশেও আধুনিক শিক্ষার ছোঁয়া
শহরের কোলাহল থেকে অনেক দূরে, শান্ত গ্রামীণ পরিবেশে অবস্থিত এই বিদ্যালয়ে দেখা যায় শৃঙ্খলাপূর্ণ শিক্ষা কার্যক্রম এবং শিক্ষকদের আন্তরিক পাঠদান। বিদ্যালয়ের বর্তমান সাফল্যের পেছনে অন্যতম মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছেন প্রধান শিক্ষক মো. হামিদুর রহমান। তাঁর নেতৃত্বে শিক্ষকরা কেবল পাঠ্যপুস্তকই নয়, শিক্ষার্থীদের নৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়ামূলক শিক্ষায়ও সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন।

প্রতিবন্ধকতা নয়, এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা
অন্য অনেক গ্রামীণ প্রতিষ্ঠানের মতো ছয়ঘরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়কেও আর্থিক সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়। তবুও প্রধান শিক্ষক ও তাঁর দলবদ্ধ প্রচেষ্টায় এসব চ্যালেঞ্জ পরিণত হয়েছে সাফল্যের সোপানে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পাবলিক পরীক্ষায় ধারাবাহিকভাবে ভালো ফলাফল করছে এবং বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমেও দক্ষতার প্রমাণ দিচ্ছে।

মানবিক মূল্যবোধই প্রধান লক্ষ্য
প্রধান শিক্ষক মো. হামিদুর রহমান বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু ভালো ছাত্র নয়, ভালো মানুষ তৈরি করা। প্রতিটি শিক্ষার্থীর মাঝে সুপ্ত প্রতিভা থাকে, আমরা চেষ্টা করি সেই সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তুলতে।” তিনি আরও যোগ করেন, বিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত সহযোগিতা ও আন্তরিকতা।

গ্রামীণ শিক্ষার রোল মডেল
ছয়ঘরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রমাণ করেছে, সদিচ্ছা, সঠিক নেতৃত্ব এবং একাগ্র প্রয়াস থাকলে যেকোনো প্রতিকূল পরিবেশেও একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সাফল্যের বাতিঘরে রূপান্তর করা সম্ভব। প্রতিষ্ঠানটি এখন গোবিন্দগঞ্জ ছাড়িয়ে সারাদেশের গ্রামীণ শিক্ষার জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

ছয়ঘরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়

গ্রামবাংলার প্রতিকূলতা পেরিয়ে শিক্ষার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

আপডেট সময় : ০৫:৩২:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় এখন গোটা এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়ানো এক উজ্জ্বল নাম। প্রাকৃতিক ও অবকাঠামোগত প্রতিকূলতা পেরিয়ে বিদ্যালয়টি শিক্ষার গুণগত মানে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

শান্ত গ্রামীণ পরিবেশেও আধুনিক শিক্ষার ছোঁয়া
শহরের কোলাহল থেকে অনেক দূরে, শান্ত গ্রামীণ পরিবেশে অবস্থিত এই বিদ্যালয়ে দেখা যায় শৃঙ্খলাপূর্ণ শিক্ষা কার্যক্রম এবং শিক্ষকদের আন্তরিক পাঠদান। বিদ্যালয়ের বর্তমান সাফল্যের পেছনে অন্যতম মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছেন প্রধান শিক্ষক মো. হামিদুর রহমান। তাঁর নেতৃত্বে শিক্ষকরা কেবল পাঠ্যপুস্তকই নয়, শিক্ষার্থীদের নৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়ামূলক শিক্ষায়ও সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন।

প্রতিবন্ধকতা নয়, এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা
অন্য অনেক গ্রামীণ প্রতিষ্ঠানের মতো ছয়ঘরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়কেও আর্থিক সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়। তবুও প্রধান শিক্ষক ও তাঁর দলবদ্ধ প্রচেষ্টায় এসব চ্যালেঞ্জ পরিণত হয়েছে সাফল্যের সোপানে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পাবলিক পরীক্ষায় ধারাবাহিকভাবে ভালো ফলাফল করছে এবং বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমেও দক্ষতার প্রমাণ দিচ্ছে।

মানবিক মূল্যবোধই প্রধান লক্ষ্য
প্রধান শিক্ষক মো. হামিদুর রহমান বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু ভালো ছাত্র নয়, ভালো মানুষ তৈরি করা। প্রতিটি শিক্ষার্থীর মাঝে সুপ্ত প্রতিভা থাকে, আমরা চেষ্টা করি সেই সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তুলতে।” তিনি আরও যোগ করেন, বিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত সহযোগিতা ও আন্তরিকতা।

গ্রামীণ শিক্ষার রোল মডেল
ছয়ঘরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রমাণ করেছে, সদিচ্ছা, সঠিক নেতৃত্ব এবং একাগ্র প্রয়াস থাকলে যেকোনো প্রতিকূল পরিবেশেও একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সাফল্যের বাতিঘরে রূপান্তর করা সম্ভব। প্রতিষ্ঠানটি এখন গোবিন্দগঞ্জ ছাড়িয়ে সারাদেশের গ্রামীণ শিক্ষার জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

এমআর/সবা