০৭:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে আবারও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, কনকনে ঠান্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত

একদিনের বিরতির পর কুড়িগ্রামে আবারও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। হিমেল বাতাস ও কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জেলার জনজীবন। প্রচণ্ড শীতে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে অনেককে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুর ও পরিবহন শ্রমিকরা।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৯ শতাংশ। রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানিয়েছে, জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

কুড়িগ্রাম পৌর শহরের রিকশাচালক নুর আলম মিয়া বলেন, “ঠান্ডায় হাত-পা অবশ হয়ে আসে, রিকশা চালানো খুব কষ্ট। কিন্তু কাজ না করলে সংসার চলবে না।”

ধরলা নদীর পাড় এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান (৬৫) বলেন, “নদী এলাকায় শীত বেশি পড়ে। বয়স্ক মানুষদের খুব কষ্ট হচ্ছে, ঘর থেকে বের হওয়াই দায়।”

রাজারহাট উপজেলার টকরাইহাট এলাকার ভ্যানচালক আজাহার আলী বলেন, “ঠান্ডায় কাজ কমে গেছে। তারপরও আল্লাহর ভরসায় ভ্যান নিয়ে বের হই।”

রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং আপাতত এই শীতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

বাউড়া পাড়া যুব সংঘকে ৫ গোলে হারাল পানছড়ি ফাতেমা নগর বন্ধু একাদশ

কুড়িগ্রামে আবারও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, কনকনে ঠান্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

একদিনের বিরতির পর কুড়িগ্রামে আবারও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। হিমেল বাতাস ও কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জেলার জনজীবন। প্রচণ্ড শীতে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে অনেককে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুর ও পরিবহন শ্রমিকরা।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৯ শতাংশ। রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানিয়েছে, জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

কুড়িগ্রাম পৌর শহরের রিকশাচালক নুর আলম মিয়া বলেন, “ঠান্ডায় হাত-পা অবশ হয়ে আসে, রিকশা চালানো খুব কষ্ট। কিন্তু কাজ না করলে সংসার চলবে না।”

ধরলা নদীর পাড় এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান (৬৫) বলেন, “নদী এলাকায় শীত বেশি পড়ে। বয়স্ক মানুষদের খুব কষ্ট হচ্ছে, ঘর থেকে বের হওয়াই দায়।”

রাজারহাট উপজেলার টকরাইহাট এলাকার ভ্যানচালক আজাহার আলী বলেন, “ঠান্ডায় কাজ কমে গেছে। তারপরও আল্লাহর ভরসায় ভ্যান নিয়ে বের হই।”

রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং আপাতত এই শীতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

শু/সবা