সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ব্যবসায়ী মোঃ হাফিজুর রহমান চাঁদাবাজি, মানহানি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। মঙ্গলবার সকালে গ্রাম পাঙ্গাসী বাজারে তিনি এ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেন।
মো: শাহীন মাহমুদ সরকারের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন হাফিজুর রহমান। তিনি জানান, একটি সংঘবদ্ধ কুচক্রী মহল দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করছে। এসব অপপ্রচারের মাধ্যমে তাকে সামাজিকভাবে হেয় করা, ব্যবসায়িক ক্ষতি সাধন এবং প্রায় ৫ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্তরা শুধু অপপ্রচারেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং গত ৭ জানুয়ারি তার মুরগির খামারে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ৪ হাজার মুরগি মেরে ফেলেছে, যা ব্যবসায়িক ক্ষতির পাশাপাশি তাকে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নাশকতার অংশ।
হাফিজুর রহমান বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমাকে ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে হয়রানি করার চেষ্টা করা হয়েছে। তাই আমি আদালতের আশ্রয় নিয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।” মামলায় মানহানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, চাঁদাবাজি, ডিজিটাল মাধ্যমে গুজব ছড়ানো ও নাশকতার চেষ্টাসহ অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মোঃ কে.এম শাহজাহান সিরাজ, মোঃ আকতার হোসেন, মোঃ আলম শেখ, বকুল মাস্টার, ফরহাদ হোসেন, বাবু শেখ ও জিয়া উদ্দিন। তারা সবাই মিথ্যা অভিযোগ, চাঁদাবাজি ও নাশকতার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
এ বিষয়ে, রায়গঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম কিবরিয়া জানান, “মামলা দায়ের হওয়ায় পুলিশ আইনি প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে তদন্ত চালাবে। কেউ যদি চাঁদাবাজি, অপপ্রচার বা নাশকতার সঙ্গে জড়িত থাকে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সংবাদ সম্মেলন শেষে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়—চাঁদাবাজি, মানহানি, গুজব ও নাশকতার বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
শু/সবা
























