০৬:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টেকনাফে স্থলমাইনের প্রেশার প্লেট উদ্ধার

কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকায় মিয়ানমার সীমান্ত থেকে স্থলমাইনের প্রেশার প্লেট উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী ও বিজিবি।
উখিয়ার ৬৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে হোয়াইক্যং উলুবনিয়া এলাকা থেকে উদ্ধারকৃত এসব সরঞ্জাম খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে সরঞ্জামগুলোতে কোনো বিস্ফোরক ধরা পড়েনি।
সেনাবাহিনী ও বিজিবি যৌথভাবে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ৫০-৬০টি প্রেশার প্লেট উদ্ধার করে। এগুলো বর্তমানে হোয়াইক্যং বিজিবি ফাঁড়িতে রাখা হয়েছে।
বিজিবি সূত্রে জানানো হয়েছে, একটি পূর্ণাঙ্গ স্থলমাইনের চারটি প্রধান অংশ থাকে, যার একটি হলো ‘প্রেশার প্লেট’। এটি মাটির উপরে বা সামান্য নিচে বসানো থাকে এবং এর ওপর চাপ পড়লে মাইনটি সক্রিয় হয়।
সীমান্তে এ ধরনের সরঞ্জাম উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
উল্লেখ্য গত ১২ জানুয়ারি সকালে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লাম্বাবিল এলাকায় নাফ নদীর তীরবর্তী বেড়িবাঁধ সংলগ্ন স্থানে স্থলমাইন বিস্ফোরণে মো. হানিফ (২৮) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হন। তিনি লাম্বাবিল এলাকার বাসিন্দা। বিস্ফোরণে তার একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মিয়ানামারের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে রাখাইন রাজ্যের বাংলাদেশ লাগোয়া সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বিভিন্ন সময়ে মাইন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। অবৈধভাবে মিয়ানমারে সীমান্তে প্রবেশ করে এসব মাইন বিস্ফোরণের মুখে পড়ে অনেকে হতাহতও হয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ) নাফ নদী পার হয়ে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে প্রবেশ করে এসব মাইন পুঁতে গেছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে স্থলমাইনের প্রেশার প্লেট উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৪:৩৭:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকায় মিয়ানমার সীমান্ত থেকে স্থলমাইনের প্রেশার প্লেট উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী ও বিজিবি।
উখিয়ার ৬৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে হোয়াইক্যং উলুবনিয়া এলাকা থেকে উদ্ধারকৃত এসব সরঞ্জাম খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে সরঞ্জামগুলোতে কোনো বিস্ফোরক ধরা পড়েনি।
সেনাবাহিনী ও বিজিবি যৌথভাবে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ৫০-৬০টি প্রেশার প্লেট উদ্ধার করে। এগুলো বর্তমানে হোয়াইক্যং বিজিবি ফাঁড়িতে রাখা হয়েছে।
বিজিবি সূত্রে জানানো হয়েছে, একটি পূর্ণাঙ্গ স্থলমাইনের চারটি প্রধান অংশ থাকে, যার একটি হলো ‘প্রেশার প্লেট’। এটি মাটির উপরে বা সামান্য নিচে বসানো থাকে এবং এর ওপর চাপ পড়লে মাইনটি সক্রিয় হয়।
সীমান্তে এ ধরনের সরঞ্জাম উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
উল্লেখ্য গত ১২ জানুয়ারি সকালে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লাম্বাবিল এলাকায় নাফ নদীর তীরবর্তী বেড়িবাঁধ সংলগ্ন স্থানে স্থলমাইন বিস্ফোরণে মো. হানিফ (২৮) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হন। তিনি লাম্বাবিল এলাকার বাসিন্দা। বিস্ফোরণে তার একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মিয়ানামারের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে রাখাইন রাজ্যের বাংলাদেশ লাগোয়া সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বিভিন্ন সময়ে মাইন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। অবৈধভাবে মিয়ানমারে সীমান্তে প্রবেশ করে এসব মাইন বিস্ফোরণের মুখে পড়ে অনেকে হতাহতও হয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ) নাফ নদী পার হয়ে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে প্রবেশ করে এসব মাইন পুঁতে গেছে।