রংপুরে নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত না থাকা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ » দৈনিক সবুজ বাংলা
১১:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুরে নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত না থাকা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী অফিসে উপস্থিত না থাকার অভিযোগে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

গত ৩ মার্চ জারি করা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংস্থাপন শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব নুসরাত আজমেরী হক স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বিদ্যমান বিধিমালা অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে এবং গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে বিভাগকে অবহিত করতে হবে।

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯ এবং সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪-এর ৮৬ নম্বর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অফিসে উপস্থিতি ও প্রস্থান বাধ্যতামূলক। এ বিষয়ে এর আগে ১৪ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি পৃথক স্মারকের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

গত ১ মার্চ একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, সকাল ৯টা ৪০ মিনিটেও রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকসহ কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না। বিষয়টি প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রে বলা হয়েছে, যারা বিনা অনুমতিতে বিলম্বে অফিসে উপস্থিত হয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯-এর বিধি ৫ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

এছাড়া গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিতি ও অফিস ত্যাগ নিশ্চিত করতে নির্দেশনা জারি করা হয়। সে সময় সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব/সচিব, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়।

চিঠিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়, মাঠ পর্যায়ের সব অফিসে সময়ানুবর্তিতা কঠোরভাবে নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে সাপ্তাহিক বা অন্যান্য ছুটির দিনে কর্মস্থল ত্যাগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।

প্রশাসন সংশ্লিষ্টরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি দপ্তরে উপস্থিতি ও কর্মঘণ্টা মেনে চলার বিষয়ে কেন্দ্র থেকে জোরালো তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। ডিজিটাল হাজিরা পদ্ধতি চালুর পাশাপাশি মাঠ প্রশাসনে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

বিমানবন্দরে জোরদার নিরাপত্তা, শাহজালালে বাড়তি নজরদারি

রংপুরে নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত না থাকা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৪:২৫:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী অফিসে উপস্থিত না থাকার অভিযোগে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

গত ৩ মার্চ জারি করা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংস্থাপন শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব নুসরাত আজমেরী হক স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বিদ্যমান বিধিমালা অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে এবং গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে বিভাগকে অবহিত করতে হবে।

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯ এবং সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪-এর ৮৬ নম্বর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অফিসে উপস্থিতি ও প্রস্থান বাধ্যতামূলক। এ বিষয়ে এর আগে ১৪ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি পৃথক স্মারকের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

গত ১ মার্চ একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, সকাল ৯টা ৪০ মিনিটেও রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকসহ কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না। বিষয়টি প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রে বলা হয়েছে, যারা বিনা অনুমতিতে বিলম্বে অফিসে উপস্থিত হয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯-এর বিধি ৫ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

এছাড়া গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিতি ও অফিস ত্যাগ নিশ্চিত করতে নির্দেশনা জারি করা হয়। সে সময় সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব/সচিব, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়।

চিঠিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়, মাঠ পর্যায়ের সব অফিসে সময়ানুবর্তিতা কঠোরভাবে নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে সাপ্তাহিক বা অন্যান্য ছুটির দিনে কর্মস্থল ত্যাগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।

প্রশাসন সংশ্লিষ্টরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি দপ্তরে উপস্থিতি ও কর্মঘণ্টা মেনে চলার বিষয়ে কেন্দ্র থেকে জোরালো তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। ডিজিটাল হাজিরা পদ্ধতি চালুর পাশাপাশি মাঠ প্রশাসনে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

শু/সবা