ঈদুল ফিতরের আগে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী চাক্তাই–রাজাখালী এলাকার সমোই কারখানাগুলোতে উত্পাদন এবং বিক্রি বেড়ে যায় কয়েক গুণ। পবিত্র রমজান শুরুর পর থেকেই কারখানাগুলোতে পদচারণা বেড়ে যায়, দিনের পর দিন চলে সাবকে, লাচ্ছা ও ভাজা সমোই প্রস্তুতির মহাযজ্ঞ।
প্রথমে ময়দার খামি তৈরি করা হয়। এরপর সেটি হস্তচালিত ডাইসে ভরে ঘানি ঘোরানোর মাধ্যমে সমোই তৈরি করা হয়। কাঁচা সমোই রোদে শুকিয়ে, ব্রয়লারে ভাজা হয় এবং বাজারে বিক্রির জন্য প্রস্তুত হয়। ব্যবসায়ীদের তথ্যমতে, এই ঈদ মৌসুমে এখানকার কারখানাগুলোতে প্রায় ২০ হাজার টন সমোই উৎপাদন হয়।
তবে প্রযুক্তির প্রভাবে অনেক ছোট হাতে চালিত কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। চাক্তাই লাঠরি পুল এলাকার এক ব্যবসায়ী বলেন, “আগে রমজান শুরুর দুই-তিন মাস আগেই সমোই তৈরি শুরু হতো। এখন বছরের বাকি সময়েও উৎপাদন হয় এবং ছোট ছোট কারখানা ছড়িয়ে পড়ায় ঐতিহ্যিক একক আধিপত্য কমে গেছে।”
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছেন, ঈদের সময় চাহিদাকে পুঁজি করে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে সমোই তৈরি করা চলবে না। সম্প্রতি বাকলয়িয়া এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সমোই উৎপাদনের দায়ে ‘আমান ফুড প্রোডাক্টস’ ও ‘রফকি ফুড প্রডাক্টস’-কে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
নগরের ভ্রাম্যমাণ আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এ ধরনের তদারকি ও অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
শু/সবা

























