প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, দেশের মা-বোনদের রান্নাবান্নার কষ্ট কমাতে ফ্যামিলি কার্ডের মতো করে তাদের হাতে এলপিজি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তিনি বলেন, “রান্নার কাজে মা-বোনদের অনেক কষ্ট হয়—গ্রাম ও শহর উভয় জায়গাতেই। আমরা যেভাবে ফ্যামিলি কার্ড দিচ্ছি, সেভাবেই এলপিজি কার্ডও পৌঁছে দেওয়া হবে।”
সোমবার (২৭ এপ্রিল) যশোরের শার্শায় জিয়াউর রহমান-এর স্মৃতিবিজড়িত উলাশী-যদুনাথপুর খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রায় ৫০ বছর আগে খনন করা এই খালটি পুনরায় খনন করা হলে এলাকার পানি সংকট অনেকাংশে কমবে। চার কিলোমিটার দীর্ঘ এই খাল পুনঃখননের ফলে প্রায় ২০ হাজার কৃষক উপকৃত হবেন এবং প্রায় ১,৪০০ টন খাদ্যশস্য উৎপাদন সম্ভব হবে। এছাড়া খালের পানির মাধ্যমে প্রায় ৭২ হাজার মানুষ সরাসরি উপকার পাবেন। প্রকল্প শেষ হলে খালের পাড়ে তিন হাজার গাছ রোপণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার খাল পুনঃখনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে এবং আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হয়।
নারী উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নারীদের জন্য ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত শিক্ষা বিনামূল্যে করেছিলেন। বর্তমান সরকার সেই উদ্যোগকে আরও সম্প্রসারণ করে নারীদের উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিনামূল্যে করার পরিকল্পনা নিয়েছে। পাশাপাশি মেধাবী নারী শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তির ব্যবস্থাও করা হবে।
অনুষ্ঠানে যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত-এর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহেদ আলম, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
শু/সবা
























