মুন্সিগঞ্জে চলছে আগাম আলু তোলার মহা উৎসব।দেখা যায় মুন্সিগঞ্জের চরাঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলায় উত্তরবঙ্গের নেয়,আগাম আলু উত্তোলন শুরু করছেন। বাংলাদেশ কৃষক প্রধান দেশ।এ দেশে সব অঞ্চলে কমবেশি কৃষি পণ্য উৎপাদন হয়।তারি সাথে বিভিন্ন অঞ্চলের ভূগোলিক দিক ও আবহাওয়া উপর ভিত্তি বিবেচনা করে,নানা জাতের কৃষি পণ্য উৎপাদন হয় কম বেশি। তেমনি বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ঢাকা বিভাগের মুন্সিগঞ্জ জেলার মাঠির উর্বরতার কারনে সব ধরনের কৃষি পণ্য উৎপাদন হয় বেশি।মুন্সিগঞ্জ একটি নদী বেষ্টিত জেলা,এ নদীর কারনে সব সময় মাটির উর্বরতা বেশি থাকে।
মুন্সিগঞ্জ জেলা সারা বাংলাদেশের মধ্যে আলুর জন্য বিখ্যাত।মুন্সিগঞ্জের আলুর গুণগত মান ও উত্তম।সে জন্য মুন্সিগঞ্জের আলু দেশ সহ দেশের বাহিরে ও অনেক চাহিদা।তাছাড়া মুন্সিগঞ্জের আলু অন্যান্য অঞ্চলের আলু থেকে একটু বেশি দামে বিক্রি হয়,ক্রেতাদের চাহিদার কারনে।
এ সিজনে কৃষকদের কেউ কেউ একি জমিতে দুই থেকে তিনবার আলু রোপণ করতে হয়েছে টাকা নিম্নচাপ এর কারনে নভেম্বর মাসে একবার এবং ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহের টাকা বারি বর্ষণের কারনে রোপণ কৃত আলুর জমি বীজ সহ নষ্ট হয়ে যায়।সারের দাম ও ছিল লাগাম ছাড়া।সে জন্য দেশে আলুর বীজ এর উপর অনেকটা প্রভাব পরে।ফলে এক এক বীজ আলুর বস্তায় দুই থেকে চার গুণ দাম বৃদ্ধিপায়।ফলে গত বছরের তোলনায় কানি(৩৬ শতাংশ) প্রতি অতিরিক্ত উৎপাদন খরচ হয় আরো,১৫/২০হাজার টাকা।
তবে অনেকটা ক্ষতির প্রভাব কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছেন মুন্সিগঞ্জের আগাম আলু উত্তোলন কারি কৃষকেরা।বর্তমানে আগাম আলু উত্তোলন করে চাহিদার চাইতে কিছুটা বেশি মুনাফায় আলু বিক্রি করতে পারছেন কৃষকরা।
বর্তমানে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে আগাম আলু উত্তলনের দৃশ্য দেখা যায়।কয়েক জন কৃষকদের সঙ্গে কথা বললে জানান,তারা বর্তমানে খুচরা বাজারে আলু বিক্রি করছেন ৬০ টাকা কেজি।পাইকারি বিক্রি করছেন ৫০ টাকার উপরে। এ দাম মাত্র কয়েক দিনের জন্য, যখন মুন্সিগঞ্জের সব জায়গায় আলু উত্তলন শুরু হবে, তখন এ দামের অর্ধেক ও থাকবেনা।তখন আলুর দাম থাকবে ১০ টাকা মধ্যে। এ বছর কৃষকরা যদি মাঠে ২০ টাকার নিচে আলু বিক্রি করে তবে তাদের লভ্যাংশ থাকবেনা বললেই চলে।




















