যশোর জেলা যুবলীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট জেলা শাখার সভাপতি কেরামত আলী মোল্লার বাসায় অভিযান চালিয়ে ১৭৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় ওই নেতার স্ত্রী সুলতানা বেগমকে (৫৩) আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) যশোর শহরতলীর বিরামপুর এলাকার বাসায় অভিযান চালিয়ে ফেনসিডিলসহ ওই নারীকে আটক করা হয়। অভিযানের সময় কেরামত আলী মোল্লা পালিয়ে যান। এই ঘটনায় সুলতানা বেগম ও কেরামত আলী মোল্লার নামে মামলা হয়েছে।
জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে যশোর শহরতলীর বিরামপুর ফকিরার মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৭৫ বোতল ফেনসিডিলসহ এলাকার কেরামত আলী মোল্লার স্ত্রী সুলতানা বেগমকে আটক করা হয়। এ সময় কেরামত আলী মোল্লা মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরে সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। কেরামত আলীর বিরুদ্ধে যশোর জেলার বিভিন্ন থানায় অস্ত্রসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর যশোরের উপপরিচালক আসলাম হোসেন জানান, কেরামত আলী মোল্লা (৬০) ও তার স্ত্রী এলাকায় মাদক ব্যবসা করেন। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা ছদ্মবেশে বেশ কয়েকদিন এলাকায় তদারকি করি। অনুসন্ধানে বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কেরামত আলী মোল্লার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের খবর জানতে পেরে কেরামত আলী মোল্লা পালিয়ে যান। তার বসতঘরে অভিযান চালিয়ে ৭টি বান্ডিলে ২৫ বোতল করে মোট ১৭৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। ফেনসিডিল তার শোয়ার ঘরে (বেড রুম) খাটের নিচে সাজানো ছিল। এসময় কেরামত আলী মোল্লার স্ত্রী সুলতানা বেগমকে আটক করা হয়। এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উপপরিদর্শক শাহীন পারভেজ বাদি হয়ে সুলতানা বেগম ও তার স্বামী কেরামত আলী মোল্লাকে আসামি করে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা করেছেন।
























