১১:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিশু পুত্রকে হত্যা করে বাবার আত্মহত্যা 

যশোরের ঝিকরগাছায় শিশু সন্তান আয়মানকে হত্যার পর পিতা ইমামুল গাজী (২৮) আত্মহত্যা করেছেন। পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে রোববার (১১ আগস্ট) গভীর রাতে উপজেলার নাভারণ ইউনিয়নের শরীফপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। ইমামুল ওই গ্রামের আমজাদ গাজীর ছেলে।
রহিমা বেগম জানিয়েছেন, তার ছেলে ইমামুল দীর্ঘদিন বিদেশ ছিলেন। কয়েক বছর আগে দেশে ফিরে আসেন। রোববার (১১ আগস্ট) সকালে বউ মা মমতাজ বেগম বাবার বাড়ি যেতে চাইলে ইমামুল না করে দেন৷ এই নিয়ে তাদের স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়। এসময় মমতাজ অভিমান করে ১১ শিশু সন্তান আয়মান হোসেনকে রেখে  হাড়িয়াদেয়াড়া গ্রামে পিতার বাড়ি চলে যান। রাতে শিশু পিত্রকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন ইমামুল। সকালে দেখি ইমামুল রশিতে ঝুলছে। পাশে পড়ে রয়েছে শিশু আয়মানের মরদেহ।
রহিমা বেগমের ধারণা শিশু সন্তানকে সামলাতে না পেরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর নিজে ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ইমামুল। কান্নায় ভেঙে পড়েন রহিমা বেগম।
এদিকে, মর্মান্তিক এই ঘটনায় শরীফপুর গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্ত্রীর ওপর অভিমানে শিশু সন্তানকে হত্যার পর ইমামুলের আত্মহত্যার ঘটনাটি খুবই কষ্টকর।
ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামাল হোসেন ভূইয়া জানিয়েছেন, সোমবার (১২ আগস্ট) সকালে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে শিশু পুত্র আয়মানকে হত্যার পর ইমামুল আত্মহত্যা করেছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

শিশু পুত্রকে হত্যা করে বাবার আত্মহত্যা 

আপডেট সময় : ১২:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অগাস্ট ২০২৪
যশোরের ঝিকরগাছায় শিশু সন্তান আয়মানকে হত্যার পর পিতা ইমামুল গাজী (২৮) আত্মহত্যা করেছেন। পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে রোববার (১১ আগস্ট) গভীর রাতে উপজেলার নাভারণ ইউনিয়নের শরীফপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। ইমামুল ওই গ্রামের আমজাদ গাজীর ছেলে।
রহিমা বেগম জানিয়েছেন, তার ছেলে ইমামুল দীর্ঘদিন বিদেশ ছিলেন। কয়েক বছর আগে দেশে ফিরে আসেন। রোববার (১১ আগস্ট) সকালে বউ মা মমতাজ বেগম বাবার বাড়ি যেতে চাইলে ইমামুল না করে দেন৷ এই নিয়ে তাদের স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়। এসময় মমতাজ অভিমান করে ১১ শিশু সন্তান আয়মান হোসেনকে রেখে  হাড়িয়াদেয়াড়া গ্রামে পিতার বাড়ি চলে যান। রাতে শিশু পিত্রকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন ইমামুল। সকালে দেখি ইমামুল রশিতে ঝুলছে। পাশে পড়ে রয়েছে শিশু আয়মানের মরদেহ।
রহিমা বেগমের ধারণা শিশু সন্তানকে সামলাতে না পেরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর নিজে ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ইমামুল। কান্নায় ভেঙে পড়েন রহিমা বেগম।
এদিকে, মর্মান্তিক এই ঘটনায় শরীফপুর গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্ত্রীর ওপর অভিমানে শিশু সন্তানকে হত্যার পর ইমামুলের আত্মহত্যার ঘটনাটি খুবই কষ্টকর।
ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামাল হোসেন ভূইয়া জানিয়েছেন, সোমবার (১২ আগস্ট) সকালে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে শিশু পুত্র আয়মানকে হত্যার পর ইমামুল আত্মহত্যা করেছে।