০১:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেঘনা নদী ভাঙ্গন রোধে ৪০ লাখ টাকার জিও ব্যাগ ফেলা শুরু

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদী ভাঙ্গন রোধে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা শুরু হয়েছে । গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে উপজেলার বারদী ইউনিয়নের নদী বেষ্টিত নুনেরটেক সবুজবাগ এলাকায় বিভিন্ন পয়েন্টে নদীর তীর রক্ষা বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ স্থান রক্ষায় নদীতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার এ উদ্যোগ নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে নুনেরটেক নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রাকিবুল রাজিব, ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন ও বারদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লায়ন মাহবুবুর রহমান বাবুল। এসময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প অফিসার আমির হোসেন, স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, বারদী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব রাসেল আহমেদসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
চলতি বর্ষা মৌসুমে বারদীর নুনেরটেক গুচ্ছগ্রাম, রঘুনাথচর ও সবুজবাগ টেকপাড়ার নদীর তীরবর্তী স্থানে ২শ’ মিটার  এলাকা জুড়ে  প্রায় ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে এ বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। পাউবোর কর্মকর্তাকে নিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান গতকাল মঙ্গলবার তীর রক্ষা প্রকল্প ও বিভিন্ন স্থানে জিও ব্যাগ ডাম্পিং পরিদর্শন করেন।
জানা যায়, উপজেলার বারদী ইউনিয়নের মেঘনা নদীর পানির তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় নদীবেষ্ঠিত নুনেরটেক গুচ্ছগ্রাম, রঘুনাথচর ও সবুজবাগ টেকপাড়া গ্রামে তীব্র ভাঙ্গন দেখা দেয়। দীর্ঘ ৩২ বছরে নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়ে নুনেরটেকে নি:স্ব হয়েছেন প্রায় তিন শতাধিক। এ বছরের ভাঙ্গনের ফলে ভাঙ্গন রোধে প্রতিকার চেয়ে এলাকাবাসী সাবেক সাংসদ আব্দুল্লাহ আল কায়সারসহ স্থানীয়  চেয়ারম্যানের নিকট জোরালো দাবি করে। পরে সাবেক সাংসদ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিকট ডিও পাঠালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা সম্প্রতি নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে এসে ভাঙ্গন রোধে গুরুত্ব দেয়।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রাকিবুল রাজিব জানান, জরুরি ভিত্তিতে নদী রক্ষা বাঁধ প্রকল্পের আওতায় বারদী নুনেরটেক এলাকায় প্রায় ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছি।
বারদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লায়ন মাহবুবুর রহমান বাবুল বলেন, আমার এলাকার নুনেরটেকের লোকজন যুগ যুগ ধরে নদী ভাঙ্গনের সাথে যুদ্ধ করে আসছে। এ বছর নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকাবাসীকে নদী ভাঙ্গন থেকে বাঁচাবো ওয়াদা দিয়েছি। নদী ভাঙ্গন নিয়ে গত ২ বছর ধরেই আমি বিভিন্ন দপ্তরে জানিয়ে আসছি। অবশেষে ২শ’ মিটার এলাকায় ফেলা হচ্ছে জিও ব্যাগ।
জনপ্রিয় সংবাদ

মেঘনা নদী ভাঙ্গন রোধে ৪০ লাখ টাকার জিও ব্যাগ ফেলা শুরু

আপডেট সময় : ০৬:৪১:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদী ভাঙ্গন রোধে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা শুরু হয়েছে । গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে উপজেলার বারদী ইউনিয়নের নদী বেষ্টিত নুনেরটেক সবুজবাগ এলাকায় বিভিন্ন পয়েন্টে নদীর তীর রক্ষা বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ স্থান রক্ষায় নদীতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার এ উদ্যোগ নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে নুনেরটেক নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রাকিবুল রাজিব, ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন ও বারদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লায়ন মাহবুবুর রহমান বাবুল। এসময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প অফিসার আমির হোসেন, স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, বারদী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব রাসেল আহমেদসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
চলতি বর্ষা মৌসুমে বারদীর নুনেরটেক গুচ্ছগ্রাম, রঘুনাথচর ও সবুজবাগ টেকপাড়ার নদীর তীরবর্তী স্থানে ২শ’ মিটার  এলাকা জুড়ে  প্রায় ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে এ বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। পাউবোর কর্মকর্তাকে নিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান গতকাল মঙ্গলবার তীর রক্ষা প্রকল্প ও বিভিন্ন স্থানে জিও ব্যাগ ডাম্পিং পরিদর্শন করেন।
জানা যায়, উপজেলার বারদী ইউনিয়নের মেঘনা নদীর পানির তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় নদীবেষ্ঠিত নুনেরটেক গুচ্ছগ্রাম, রঘুনাথচর ও সবুজবাগ টেকপাড়া গ্রামে তীব্র ভাঙ্গন দেখা দেয়। দীর্ঘ ৩২ বছরে নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়ে নুনেরটেকে নি:স্ব হয়েছেন প্রায় তিন শতাধিক। এ বছরের ভাঙ্গনের ফলে ভাঙ্গন রোধে প্রতিকার চেয়ে এলাকাবাসী সাবেক সাংসদ আব্দুল্লাহ আল কায়সারসহ স্থানীয়  চেয়ারম্যানের নিকট জোরালো দাবি করে। পরে সাবেক সাংসদ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিকট ডিও পাঠালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা সম্প্রতি নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে এসে ভাঙ্গন রোধে গুরুত্ব দেয়।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রাকিবুল রাজিব জানান, জরুরি ভিত্তিতে নদী রক্ষা বাঁধ প্রকল্পের আওতায় বারদী নুনেরটেক এলাকায় প্রায় ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছি।
বারদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লায়ন মাহবুবুর রহমান বাবুল বলেন, আমার এলাকার নুনেরটেকের লোকজন যুগ যুগ ধরে নদী ভাঙ্গনের সাথে যুদ্ধ করে আসছে। এ বছর নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকাবাসীকে নদী ভাঙ্গন থেকে বাঁচাবো ওয়াদা দিয়েছি। নদী ভাঙ্গন নিয়ে গত ২ বছর ধরেই আমি বিভিন্ন দপ্তরে জানিয়ে আসছি। অবশেষে ২শ’ মিটার এলাকায় ফেলা হচ্ছে জিও ব্যাগ।