০৪:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিয়োগ বোর্ডে প্রথম হওয়ার চার মাস পেরিয়ে গেলেও নিয়োগপত্র না পাওয়ার অভিযোগ

স্কুলের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার পর চার মাস পার হলেও নিয়োগপত্র না দেয়ার অভিযোগ উঠেছে জেলার আকবরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সারোয়ার জাহানের বিরুদ্ধে। গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর আশায় বুক বাঁধলেও সেই আশা পূরণ হয়নি চাকরিপ্রার্থী মো. সিফাতুল্লাহ। এ ঘটনায় বারবার অভিযোগ করেও নিয়োগপত্র পাননি।
জানা যায়, গত ২১ ফেব্রুয়ারি পত্রিকায় আকবরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী, নিরাপত্তাকর্মী, নৈশপ্রহরী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, আয়া ও অফিস সহায়কসহ মোট ৬টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখে অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী পদে চাকুরীর জন্য আবেদন করেন সিফাতুল্লাহ নামের ওই চাকুরি প্রার্থী। গত ২৬ এপ্রিল ওই বিদ্যালয়ের নিয়োগবোর্ড অনুষ্ঠিত হয়। সেই নিয়োগ বোর্ডে ডিসির প্রতিনিধি সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আশীষ কুমার বসু ও ডিজির প্রতিনিধি সাপাহার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী পদের নিয়োগ নির্বাচনী পরীক্ষায় তাকে প্রথম ঘোষণা করেন। বাকি ৫ জনকে নিয়োগ দিলেও এ পর্যন্ত চাকুরী প্রার্থী সিফাতুল্লাহকে নিয়োগপত্র দেননি।
চাকুরী প্রার্থী মো. সিফাতুল্লাহ বলেন, নিয়োগবিধি অনুসারে নিয়োগ বোর্ডে নিয়োগ প্রার্থী হিসাবে যদি কারো স্বজন বা নিকট আত্মীয় থাকে তাহলে সে ওই নিয়োগ বোর্ডের কোন পদে থাকতে পারবেন না বলা হলেও এই সবকে তোয়াক্কা না করে সেই নিয়োগ বোর্ডের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে ততকালীন সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন। পরীক্ষায় দ্বিতীয় হওয়ার পরও সভাপতির নাতি মো. শহিদুজ্জামানকে অফিস সহকারী কাম হিসাবে সহকারী পদে নিয়োগ দেওয়ার পায়তারা চালান এবং তার আপন ভাতিজা সোহাগ রানাকে নৈশপ্রহরী ও তার ভায়রার নাতি সোলাইমানকে পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদে নিয়োগ দেন।
জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) সারোয়ার হোসেন বলেন, আমরা বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করি। আমরা চাইলেও ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্তের বাহিরে যেতে পারিনা। তাদের মতের বাহিরে গেলেই আমাদের উপর নেমে আসে বিভিন্ন নির্যাতন। তাই ইচ্ছে থাকলেও আমাদের হাত-পা বাঁধা সেখানে। এখন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মহোদয় যেটা সিদ্ধান্ত দেবেন সে অনুযায়ী কাজ করবো।
এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পপি খাতুনের সরকারি নাম্বারে একাধিকবার  কল দিলেও সেটা বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
জনপ্রিয় সংবাদ

নিয়োগ বোর্ডে প্রথম হওয়ার চার মাস পেরিয়ে গেলেও নিয়োগপত্র না পাওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:১২:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪
স্কুলের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার পর চার মাস পার হলেও নিয়োগপত্র না দেয়ার অভিযোগ উঠেছে জেলার আকবরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সারোয়ার জাহানের বিরুদ্ধে। গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর আশায় বুক বাঁধলেও সেই আশা পূরণ হয়নি চাকরিপ্রার্থী মো. সিফাতুল্লাহ। এ ঘটনায় বারবার অভিযোগ করেও নিয়োগপত্র পাননি।
জানা যায়, গত ২১ ফেব্রুয়ারি পত্রিকায় আকবরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী, নিরাপত্তাকর্মী, নৈশপ্রহরী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, আয়া ও অফিস সহায়কসহ মোট ৬টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখে অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী পদে চাকুরীর জন্য আবেদন করেন সিফাতুল্লাহ নামের ওই চাকুরি প্রার্থী। গত ২৬ এপ্রিল ওই বিদ্যালয়ের নিয়োগবোর্ড অনুষ্ঠিত হয়। সেই নিয়োগ বোর্ডে ডিসির প্রতিনিধি সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আশীষ কুমার বসু ও ডিজির প্রতিনিধি সাপাহার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী পদের নিয়োগ নির্বাচনী পরীক্ষায় তাকে প্রথম ঘোষণা করেন। বাকি ৫ জনকে নিয়োগ দিলেও এ পর্যন্ত চাকুরী প্রার্থী সিফাতুল্লাহকে নিয়োগপত্র দেননি।
চাকুরী প্রার্থী মো. সিফাতুল্লাহ বলেন, নিয়োগবিধি অনুসারে নিয়োগ বোর্ডে নিয়োগ প্রার্থী হিসাবে যদি কারো স্বজন বা নিকট আত্মীয় থাকে তাহলে সে ওই নিয়োগ বোর্ডের কোন পদে থাকতে পারবেন না বলা হলেও এই সবকে তোয়াক্কা না করে সেই নিয়োগ বোর্ডের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে ততকালীন সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন। পরীক্ষায় দ্বিতীয় হওয়ার পরও সভাপতির নাতি মো. শহিদুজ্জামানকে অফিস সহকারী কাম হিসাবে সহকারী পদে নিয়োগ দেওয়ার পায়তারা চালান এবং তার আপন ভাতিজা সোহাগ রানাকে নৈশপ্রহরী ও তার ভায়রার নাতি সোলাইমানকে পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদে নিয়োগ দেন।
জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) সারোয়ার হোসেন বলেন, আমরা বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করি। আমরা চাইলেও ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্তের বাহিরে যেতে পারিনা। তাদের মতের বাহিরে গেলেই আমাদের উপর নেমে আসে বিভিন্ন নির্যাতন। তাই ইচ্ছে থাকলেও আমাদের হাত-পা বাঁধা সেখানে। এখন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মহোদয় যেটা সিদ্ধান্ত দেবেন সে অনুযায়ী কাজ করবো।
এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পপি খাতুনের সরকারি নাম্বারে একাধিকবার  কল দিলেও সেটা বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।