০৫:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানের বিরুদ্ধে আবারও হুমকি ট্রাম্প

ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে আবারও কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত সপ্তাহে ইরানে হামলার পরিকল্পনা থেকে সরে এলেও এখনো তিনি তার সহযোগীদের ওপর এমন সামরিক বিকল্প তৈরির চাপ দিচ্ছেন, যেগুলোকে তিনি “চূড়ান্ত” বা “নির্ণায়ক” বলে অভিহিত করছেন।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রকাশিত ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের ভেতরে সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী আন্দোলন দমনে হাজারো মানুষ নিহত হওয়ার খবর এবং তেহরানের নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর হওয়ার প্রেক্ষাপটেই এই আলোচনা নতুন করে জোরদার হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতিও বাড়ানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে অঞ্চলটিতে যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়েছে এবং একটি বিমানবাহী রণতরীও মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, এই মোতায়েন ভবিষ্যতে আরও বড় আকারের সামরিক সমাবেশের সূচনা হতে পারে, যা প্রয়োজনে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি হামলার সক্ষমতা তৈরি করবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প একাধিকবার “চূড়ান্ত” শব্দটি ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো পদক্ষেপের ফলাফল কী হওয়া উচিত, সে বিষয়ে নিজের প্রত্যাশা স্পষ্ট করেছেন। তার এই অবস্থান পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের নতুন করে বিভিন্ন সামরিক বিকল্প নিয়ে ভাবতে বাধ্য করছে।

আলোচনায় থাকা বিকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরানের শাসনব্যবস্থাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার মতো কঠোর পদক্ষেপ, পাশাপাশি তুলনামূলক সীমিত পরিসরের সামরিক অভিযানও। এসবের মধ্যে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-র স্থাপনায় লক্ষ্যভিত্তিক হামলার বিকল্পও বিবেচনায় রয়েছে।

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের বিরুদ্ধে আবারও হুমকি ট্রাম্প

আপডেট সময় : ০৪:১৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে আবারও কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত সপ্তাহে ইরানে হামলার পরিকল্পনা থেকে সরে এলেও এখনো তিনি তার সহযোগীদের ওপর এমন সামরিক বিকল্প তৈরির চাপ দিচ্ছেন, যেগুলোকে তিনি “চূড়ান্ত” বা “নির্ণায়ক” বলে অভিহিত করছেন।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রকাশিত ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের ভেতরে সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী আন্দোলন দমনে হাজারো মানুষ নিহত হওয়ার খবর এবং তেহরানের নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর হওয়ার প্রেক্ষাপটেই এই আলোচনা নতুন করে জোরদার হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতিও বাড়ানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে অঞ্চলটিতে যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়েছে এবং একটি বিমানবাহী রণতরীও মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, এই মোতায়েন ভবিষ্যতে আরও বড় আকারের সামরিক সমাবেশের সূচনা হতে পারে, যা প্রয়োজনে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি হামলার সক্ষমতা তৈরি করবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প একাধিকবার “চূড়ান্ত” শব্দটি ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো পদক্ষেপের ফলাফল কী হওয়া উচিত, সে বিষয়ে নিজের প্রত্যাশা স্পষ্ট করেছেন। তার এই অবস্থান পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের নতুন করে বিভিন্ন সামরিক বিকল্প নিয়ে ভাবতে বাধ্য করছে।

আলোচনায় থাকা বিকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরানের শাসনব্যবস্থাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার মতো কঠোর পদক্ষেপ, পাশাপাশি তুলনামূলক সীমিত পরিসরের সামরিক অভিযানও। এসবের মধ্যে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-র স্থাপনায় লক্ষ্যভিত্তিক হামলার বিকল্পও বিবেচনায় রয়েছে।

শু/সবা