বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামির জয়পুরহাট জেলা আমীর ডাঃ মোঃ ফজলুর রহমান সাঈদ বলেছেন”আমাদের ১১ জন শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের নেতৃবৃন্দ আপোষ করেন নাই, দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান নাই। আমাদের নেতৃবৃন্দ জীবন বাজি রেখে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের মুক্তির জন্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন, আপোষ করেন নাই।
তিনি আরও বললে, স্বৈরাচার পতনের পর দেশে লুটপাট ও চাঁদাবাজির মহোৎসব আমরা দেখেছি। এটা মহা অন্যায়। আমরা চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস ও লুটেরা মুক্ত বাংলাদেশ চাই। চাঁদাবাজদের এ সমাজে ঠাঁই হবে না। কেউ চাঁদাবাজি করলে তাকে প্রতিহত করুন। প্রশাসনের হাতে তুলে দিন। সাহস নিয়ে মাজলুমের পক্ষে দাঁড়ান।
বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায় জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আয়মা রসূলপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বড়মানিক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দীর্ঘ ষোল বছর পর প্রকাশ্যে অনুষ্ঠিত জামায়ত ইসলামীর কর্মী ও সূধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
আয়মারসুলপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর মোঃ আহসান হাবিব এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে আলোচনা পেশ করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার অন্যতম সদস্য ও জয়পুরহাটন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা গোলাম কিবরিয়া মন্ডল, জেলা জামায়াতের অন্যতম কর্মপরিষদ সদস্য ও পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান প্রভাষক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান,পাঁচবিবি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডাঃ মোঃ সুজাউল করিম, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী মোঃ আবু সুফিয়ান (মুক্তার), সহকারী সেক্রেটারী মোঃ আবু রায়হান।
এছাড়া সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, ধরঞ্জী ইউনিয়ন জামায়াতে আমীর ও ছাত্রশিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি মোঃ সাজেদুর রহমান সরকার সাজু, আটাপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা মোঃ সামছুল আলম, ছাত্রশিবিরের পূর্ব সাংগঠনিক থানা শাখার সংগ্রামী সভাপতি হাফেজ মোঃ রুহুল আমিন, ছাত্রশিবিরের পশ্চিম সাংগঠনিক থানা শাখার সংগ্রামী সভাপতি মোঃ আব্দুল মুকিত,ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারী মোঃ আহম্মদ আলী, সহ বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল বৃন্দ।
























