০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজারহাটে এনআইডি জালিয়াতি করে নেওয়া চাকরি ছাড়লেন সেলিনা আক্তার 

শারিরীক অসুস্থতা দেখিয়ে আয়া পদের চাকরি থেকে ইস্তফা দিলেন রাজারহাট উপজেলার সরকারবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সেলিনা আক্তার। সেলিনা আক্তার ২০২২ সালের  ১৭ই মে জাতীয় পরিচয়পত্র দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে সংশোধনের মাধ্যমে বয়স কমিয়ে আয়া পদের চাকরি নেন। শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে সেলিনা আক্তার উচ্চ মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ করলেও অনৈতিক পন্থা অবলম্বনের মাধ্যমে চাকরির সুবাদে ৮ম শ্রেণী পাসের সনদ সংগ্রহ করেন। সবুজ বাংলা পত্রিকার প্রতিনিধির তদন্তে “এনআইডি জালিয়াতি করে স্কুলে আয়া নিয়োগের অভিযোগ” শিরোনামে দৈনিক সবুজ বাংলা পত্রিকায় গত ২৯ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে এতে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান ও আয়া সেলিনা আক্তারকে নোটিশের মাধ্যমে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা । উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জালিয়াতির ঘটনা উদঘাটন না করে বিষয়টি সুরাহা করার চেষ্টা করলে এতে করে এলাকাবাসী ও সচেতন মহল ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারা আরও বেশি তৎপর হয়ে উঠলে পরিস্থিতি বেগতিক মনে হলে সেলিনা আক্তার চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে সেলিনা আক্তার প্রধান শিক্ষক বরাবর ১লা আগষ্ট ২০২৪ তারিখে একটি অব্যাহতি পত্র জমা দেন। বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল লতিফ সরকার ১৫ই আগষ্ট ২০২৪ তারিখে বিদ্যালয়ের এক আলোচনা সভায় সেলিনা আক্তারের অব্যাহতি কার্যকর করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রধান শিক্ষককে সেলিনা আক্তারের নিয়োগপ্রাপ্ত ইনডেক্স নম্বর –৫৬৮২৭৫৬৫ কর্তনের ব্যবস্থা গ্রহণের অনুমতি প্রদান করা হয়।

চাকরি থেকে অব্যাহতি নেওয়ার বিষয়ে জানতে সেলিনা আক্তারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রব বলেন, ১লা আগস্ট সেলিনা আক্তার আয়া পদ থেকে  অব্যাহতিপত্র জমা দেন। তার ইনডেক্স নম্বর বাতিলের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে যা শীঘ্রই কার্যকর হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজারহাটে এনআইডি জালিয়াতি করে নেওয়া চাকরি ছাড়লেন সেলিনা আক্তার 

আপডেট সময় : ০৫:১৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪

শারিরীক অসুস্থতা দেখিয়ে আয়া পদের চাকরি থেকে ইস্তফা দিলেন রাজারহাট উপজেলার সরকারবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সেলিনা আক্তার। সেলিনা আক্তার ২০২২ সালের  ১৭ই মে জাতীয় পরিচয়পত্র দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে সংশোধনের মাধ্যমে বয়স কমিয়ে আয়া পদের চাকরি নেন। শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে সেলিনা আক্তার উচ্চ মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ করলেও অনৈতিক পন্থা অবলম্বনের মাধ্যমে চাকরির সুবাদে ৮ম শ্রেণী পাসের সনদ সংগ্রহ করেন। সবুজ বাংলা পত্রিকার প্রতিনিধির তদন্তে “এনআইডি জালিয়াতি করে স্কুলে আয়া নিয়োগের অভিযোগ” শিরোনামে দৈনিক সবুজ বাংলা পত্রিকায় গত ২৯ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে এতে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান ও আয়া সেলিনা আক্তারকে নোটিশের মাধ্যমে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা । উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জালিয়াতির ঘটনা উদঘাটন না করে বিষয়টি সুরাহা করার চেষ্টা করলে এতে করে এলাকাবাসী ও সচেতন মহল ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারা আরও বেশি তৎপর হয়ে উঠলে পরিস্থিতি বেগতিক মনে হলে সেলিনা আক্তার চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে সেলিনা আক্তার প্রধান শিক্ষক বরাবর ১লা আগষ্ট ২০২৪ তারিখে একটি অব্যাহতি পত্র জমা দেন। বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল লতিফ সরকার ১৫ই আগষ্ট ২০২৪ তারিখে বিদ্যালয়ের এক আলোচনা সভায় সেলিনা আক্তারের অব্যাহতি কার্যকর করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রধান শিক্ষককে সেলিনা আক্তারের নিয়োগপ্রাপ্ত ইনডেক্স নম্বর –৫৬৮২৭৫৬৫ কর্তনের ব্যবস্থা গ্রহণের অনুমতি প্রদান করা হয়।

চাকরি থেকে অব্যাহতি নেওয়ার বিষয়ে জানতে সেলিনা আক্তারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রব বলেন, ১লা আগস্ট সেলিনা আক্তার আয়া পদ থেকে  অব্যাহতিপত্র জমা দেন। তার ইনডেক্স নম্বর বাতিলের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে যা শীঘ্রই কার্যকর হবে।