০১:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

 টেকনাফ স্থলবন্দরে মিয়ানমারের গুলি, সাময়িক কার্যক্রম বন্ধ 

Oplus_131072

মিয়ানমারের সীমান্ত থেকে পর পর তিন গুলি। আতঙ্ক বিরাজ করছে টেকনাফ স্থলবন্দরে। সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে স্থলবন্দরের সকল কার্যক্রম।
১৮ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা থেকে টেকনাফ স্থলবন্দরে পর পর ৩ টি গুলি এসে পড়ে। একটি গুলি স্থলবন্দরের অফিসে এসে পড়লে অফিসের কাচ ভেঙে যায়। ২য় গুলি এসে পড়ে স্থলবন্দরের মালামাল বহনকারী ট্রাকে। অপরটি নারিকেল গাছে এসে লাগে। এমনটি জানিয়েছেন টেকনাফ স্থলবন্দরের ব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আদনান চৌধুরী, বলেন খবর পেয়েছি টেকনাফ স্থলবন্দরে হঠাৎ তিনটি গুলি এসে পড়ে। এতে জানালার কাচ ভেঙে গেছে। তবে কেউ হতাহত হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে মিয়ানমারে চলমান সংঘর্ষের ঘটনা থেকে ছুঁড়া গুলি স্থলবন্দরে এসে পড়েছে। আমরা তা খতিয়ে দেখছি।
এতে স্থলবন্দরে কর্মরত সবার মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।  ভয়ে সবাই স্থলবন্দর থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায়। আপাতত স্থলবন্দরের সকল কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।
সুত্রমতে বাংলাদেশ-মিয়ানমারের সীমান্তের নাফ নদীর ওপারে লাল দ্বীপে দুই-তিন সপ্তাহজুড়ে মিয়ানমারের দুই সশস্ত্র সংগঠন রোহিঙ্গা সলিডারিটি অরগানাইজেশন (আরএসও) ও আরাকান আর্মির (এএ) মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে। এ ঘটনায় সীমান্তে উত্তেজনা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তবে মিয়ানমার সীমান্তের ওই দ্বীপে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) নামে আরও একটি সশস্ত্র সংগঠন  অবস্থান করছে বলে জানা গেছে। অপরদিকে, রাখাইনের মংডুর শহরে দেশটির সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মিসহ তিনটি বিদ্রোহী গ্রুপের মধ্যে সংঘাত চলমান রয়েছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

 টেকনাফ স্থলবন্দরে মিয়ানমারের গুলি, সাময়িক কার্যক্রম বন্ধ 

আপডেট সময় : ০৭:৪১:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪
মিয়ানমারের সীমান্ত থেকে পর পর তিন গুলি। আতঙ্ক বিরাজ করছে টেকনাফ স্থলবন্দরে। সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে স্থলবন্দরের সকল কার্যক্রম।
১৮ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা থেকে টেকনাফ স্থলবন্দরে পর পর ৩ টি গুলি এসে পড়ে। একটি গুলি স্থলবন্দরের অফিসে এসে পড়লে অফিসের কাচ ভেঙে যায়। ২য় গুলি এসে পড়ে স্থলবন্দরের মালামাল বহনকারী ট্রাকে। অপরটি নারিকেল গাছে এসে লাগে। এমনটি জানিয়েছেন টেকনাফ স্থলবন্দরের ব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আদনান চৌধুরী, বলেন খবর পেয়েছি টেকনাফ স্থলবন্দরে হঠাৎ তিনটি গুলি এসে পড়ে। এতে জানালার কাচ ভেঙে গেছে। তবে কেউ হতাহত হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে মিয়ানমারে চলমান সংঘর্ষের ঘটনা থেকে ছুঁড়া গুলি স্থলবন্দরে এসে পড়েছে। আমরা তা খতিয়ে দেখছি।
এতে স্থলবন্দরে কর্মরত সবার মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।  ভয়ে সবাই স্থলবন্দর থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায়। আপাতত স্থলবন্দরের সকল কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।
সুত্রমতে বাংলাদেশ-মিয়ানমারের সীমান্তের নাফ নদীর ওপারে লাল দ্বীপে দুই-তিন সপ্তাহজুড়ে মিয়ানমারের দুই সশস্ত্র সংগঠন রোহিঙ্গা সলিডারিটি অরগানাইজেশন (আরএসও) ও আরাকান আর্মির (এএ) মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে। এ ঘটনায় সীমান্তে উত্তেজনা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তবে মিয়ানমার সীমান্তের ওই দ্বীপে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) নামে আরও একটি সশস্ত্র সংগঠন  অবস্থান করছে বলে জানা গেছে। অপরদিকে, রাখাইনের মংডুর শহরে দেশটির সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মিসহ তিনটি বিদ্রোহী গ্রুপের মধ্যে সংঘাত চলমান রয়েছে।