উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পৌরসভার মেয়র, ইউনিয়ন পরিষদ ৫ জন চেয়ারম্যান, ৫ টি কলেজ, ২৮ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয় সভাপতি এবং নিজ দপ্তর উপজেলা ভূমি অফিস এর সব কয়টি দপ্তরের প্রধান কর্তার দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাহিমা বিনতে আখতার।
উপজেলায় নির্বাহী অফিসার নেই, পৌরসভায় মেয়র নেই, ইউনিয়ন পরিষদ ৫ জন চেয়ারম্যান নেই, ৫ টি কলেজ, ২৮ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সভাপতি নেই।
বদলী জনিত কারণে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পদটি শূন্য রয়েছে, সরকারি সিদ্ধান্ত ও রাজনৈতিক কারণে আত্মগোপনে রয়েছেন পৌর মেয়র মাসুদুল হক মাসুদ, ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে শুধু মাত্র গাবসারা ইউপি চেয়ারম্যান ব্যতিরেকে ৫ জন চেয়ারম্যান আত্মগোপনে রয়েছেন। ৭ টি কলেজের মধ্যে ৫ টি কলেজ, ২৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতির পদ শূন্য।
ভূঞাপুরে সব সেক্টরে প্রধান পদগুলো শূন্য থাকায় জনভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। সাধারণ মানুষ সেবা বঞ্চিত রয়েছে। জন্ম নিবন্ধন সনদ, পরিচয়পত্রসহ নানাবিধ কাজ দারুণ ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদের কাজে আসা মানুষদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। ফলদা ইউনিয়নের আল আমিন জানান, পরিষদে ৩ দিন ঘুরে ব্যর্থ হয়ে এসিল্যান্ড অফিসে এসেছি।
সব দপ্তরের দায়িত্ব সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাহিমা বিনতে আখতার একক ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সভাপতি না থাকায় একক ভাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাহিমা বিনতে আখতার।
নিকরাইল শমসের ফকির ডিগ্রি কলেজে ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এবং শহীদ জিয়া মহিলা ডিগ্রি কলেজে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সভাপতি মনোনীত হয়েছেন। সবগুলো শূন্যপদের বিপরীতে দায়িত্ব পালন করছেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাহিমা বিনতে আখতার।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাহিমা বিনতে আখতার বলেন, ” সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমার ওপর অর্পিত দপ্তরসমূহের দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করে যাচ্ছি।”
























