ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় বেখসুর খালাস পেলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য এস সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টু। গত সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে হাজির হয়ে তিনি জামিন নেন।
বিচারক গোলাম ফারুক তার জামিন মঞ্জুর করেছেন। এছাড়া আসামি সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু মামলা থেকে অব্যাহতির জন্য আবেদন করেন। ওই আবেদনের শুনানির দিনও ধার্য করা হয়েছিল ৩রা অক্টোবর বলে বেঞ্চ সহকারী নাজমুল হাসান জানান।
এস.সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২ আসনের ২০ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ছিলেন। তিনি উজিরপুর বানারীপাড়া উপজেলার সাধারণ মানুষের কাছে পরোপকারী, জনবান্ধন ও দানবীর নেতা হিসেবে সর্বত্র পরিচিত।
মামলার বরাতে বেঞ্চ সহকারী জানান, ২০১৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য আতাহার আলী খান উজিরপুর মডেল থানায় উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় এস.সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টুকে একমাত্র আসামি করা হয়।
তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মোবাইল ফোনালাপের মাধ্যমে আক্রমণাত্মক তথ্য উপাত্ত প্রেরণ করে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো পরিকল্পনার অভিযোগ আনা হয়।উজিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হেলালউদ্দিন মামলায় আনা অভিযোগ তদন্ত করে বিএনপি নেতা এস. সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টুকে অভিযুক্ত করে ২০১৯ সালের ১৫ মে আদালতে চার্জশিট জমা দেন।এই বিএনপি নেতার আইনজীবী হাফিজউদ্দিন আহমেদ বাবলু বলেন, যে ধারায় মামলা করা হয়েছে সে ধারায় বহু আগেই জামিন পাওয়ার যোগ্য। তাই বিচারক তাকে জামিন দিয়েছেন এবং একই সাথে মামলা থেকে বিএনপি নেতা সান্টু অব্যাহতিও চেয়েছেন। আবেদনের ভিত্তিতর সুস্পষ্ট তথ্য প্রমাণ যাচাই করে ৩ অক্টোবর সাইবার ট্রাইবুনাল আদালত এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুকে মামলা থেকে বেখসুর খালাস দেন।
























