রংপুর সিটি বাজারে এক ব্যবসায়ীর সরলতার সুযোগ নিয়ে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী নগদ ১ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়েছে। ঘটনার দেড় মাস অতিক্রান্ত হলেও টাকা উদ্ধার না হওয়ায় বর্তমান দ্রব্যমূল্যের বাজারে মালামাল ক্রয়ে আর্থিক সংকটে দুঃশ্চিন্তায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন ব্যবসায়ী মো, ফজলসহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
ভুক্তভোগি ও মামলার বিবরণে জানা যায়, রংপুর মহানগরীর জুম্মাপাড়া চার্চলেন এলাকার মো. ফজল এর সিটি বাজারস্থ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘সাদিয়া বাণিজ্যালয়’। তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, লাইন নং-৪, সেকশন-১১, ব্লক-বি, মিরপুর-১২১৬, পল্লবী এলাকার মো. দেলোয়ার এর পুত্র মো. রতন (৫৬), জাতীয় পরিচয়পত্র নং-১৪৮৯৯২৬৫৮২ বিগত ৫/৬ বছর যাবৎ ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। দীর্ঘ সময়ে দোকান মালিক ম্যানেজার রতন’র ওপর বিশ্বস্ততার পাশাপাশি অনেকটা নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। এরই মধ্যে চলতি বছরের ২৭ আগস্ট তারিখ সকাল ৯ টার দিকে বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে কর্মচারী রতন দোকানের ক্যাশে রক্ষিত নগদ ১ লক্ষ টাকা ও অন্যান্য সাইট ব্যবসার জন্য রাখা আরও নগদ ৩৫ হাজার টাকাসহ ১ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা মালামাল বাবদ পার্টিকে দেওয়ার কথা বলে নিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার দিন দীর্ঘসময় ম্যানেজার রতন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ফিরে না আসায় পরবর্তীতে ওই দোকানের সিসি ক্যামেরায় ধারণ হওয়া ভিডিও ফুটেজে সকল অপকর্ম ধরা পরে। ঘটনা পরবর্তী দোকান মালিক মো. ফজল, কর্মচারী রতনের আত্মীয়-স্বজনের কাছে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারেন, তাদের সাথে রতনের কোনোও প্রকার যোগাযোগ হয় নাই। আকস্মিক এ ঘটনায় ব্যবসায়ী মো. ফজল হতবিহ্বল হয়ে রংপুর মেট্রো কোতয়ালী থানায় ম্যানেজার মো. রতনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জনের জড়িতের কথা বলে লিখিত এজাহার দেন। থানা পুলিশ টাকা চুরির ঘটনাস্থল পরিদর্শন, ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা ও আশপাশের ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে আরপিএমপি কোতয়ালী থানায় ১৮.০৯.২০২৪ তারিখে মামলা নং ২১ রুজু করেন। অভিযোগকারী ব্যবসায়ী মো. ফজল এ প্রতিবেদককে বলেন, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের বাজারে মালামাল ক্রয়ের ক্ষেত্রে চুরি যাওয়া টাকার বিষয়টি তার ব্যবসায়ের জন্য অনেকটা সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে। টাকা চুরির ঘটনার দীর্ঘ দেড় মাস হয়ে গেলো এখন পর্যন্ত টাকা উদ্ধারসহ চোর গ্রেফতার না হওয়ায় তিনি দুঃশ্চিন্তায় রয়েছেন। এ ব্যাপারে আরপিএমপি কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আতাউর রহমান বলেন, মামলার তথ্য-উপাত্ত ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আসামীর বাড়ির ঠিকানাসহ তার খোঁজ-খবর নেয়া অব্যাহত রয়েছে।
























