মুন্সিগঞ্জ বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে এখন পেপের মূল্য ৫০ টাকা,আলু ৬০ টাকা, সবচেয়ে কম দামে পাওয়া যাচ্ছে দুইটা সবজি আর অন্য কোন সবজি পেঁয়াজ,টমেটো,সিম,কাঁচমরিচ,রসুন সহ নিত্যপন্য নিতে হলে গুনতে হয় ১০০ থেকে ১২০ টাকা কোনো কোনো ক্ষেত্রে আরো বেশি। তারপরও ভালো মানের সবজি পাচ্ছেনা অভিযোগ ক্রেতাদের। বিক্রেতা কে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান টানা কয়েকদিন বৃষ্টি থাকার কারণে সবজির মূল্য বেশি এবং ভালো সবজি আমরা পাচ্ছি না।সবজির এই চড়া দামে ক্রয় করে খাওয়াটা নিম্ন আয়ের মানুষের সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।মধ্যবিত্তরা যাচ্ছে না বাজারে দ্রব্যমূলের উর্ধ্বগতির করনে।
সবজির দোকান মালিক জানায় আগের মতো এখন আর দোকানে ক্রেতা যাচ্ছে আচ্ছে না। আমরা যেই টার্গেট নিয়ে সবজি ক্রয় করে নিয়ে আসি টার্গেট অনুযায়ী ক্রেতা পাচ্ছি না আমাদের প্রতিদিন নষ্ট হয়ে লস হচ্ছে অনেক মূলধন। অনেক সবজি নষ্ট হয়ে যায় পরে ফেলে দিতে হয় এভাবে চললে আমরা ব্যবসা করতে পারবো না। আমরাও চাই সবজির বাজার নিয়ন্ত্রণে আসুক,আমরা কম দামে ক্রয় করে সবজি নিয়ে আসতে পারলে,কম দামেই বিক্রি করবো।
বাজারের সভাপতি জানায় দ্রব্যমূল উর্ধ্বগতির কারণে ক্রেতা কম যে কারণে বিক্রেতারা প্রতিদিন গুনতে হয় হাজার হাজার টাকা লস এর কমন ভাবে ব্যবসা চললে বিক্রেতা খুঁজে পাওয়া যাবে না অবিলম্বে সরকারিভাবে দাম নির্ধারণ মূল্য জড়ালো দাবি জানাচ্ছি।
























