ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনকে (মসিক) বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নকশা বহির্ভূত বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে জুয়েল গংদের
বিরুদ্ধে।
জুয়েল বর্তমানে হালুয়াঘাট ধারা ডিগ্রি কলেজের প্রফেসার হিসেবে কর্তব্যরত রয়েছে। পূর্বে তাঁর সাথে ৬ জন পার্টনারশীপ থাকলেও বর্তমানে ১২ জন যুক্ত রয়েছে। তাঁর খুঁটির জোড় কোথায়, কে এই জুয়েল এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
সিটি কর্পোরেশনের নগর পরিকল্পনাবিদ মানস বিশ্বাস এ প্রসঙ্গে বলেন, এ বিল্ডিংয়ের বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। আমরা কয়েকদিন আগে সরেজমিনে তদন্তে গিয়েছিলাম। বিল্ডিংয়ের বেজমেন্ট নিচু তাই মালিক পক্ষ উঁচু করে ৬ তলা ভবণ নির্মাণ করেছে। তবে ৭ তলা ভবণ নির্মাণের অভিযোগের বিষয়টি সরেজমিনে পুনরায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান নগর পরিকল্পনাবিদ।
এ বিষয়ে ভবন মালিক জুয়েলের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, আমরা সিটি কর্পোরেশন থেকে ৬ তলা ভবণ নির্মাণের নকশা অনুমোদন পেয়েছি। এবং গ্রাউন্ড ফ্লোর বাদ দিয়ে ৬ তলা ভবণ নির্মাণ করেছি। আমরা যে ভবনটি করেছি, সেটি সিটি কর্পোরেশনের নিয়ম মেনেই করেছি।
সরেজমিনে দেখা গেছে,
সিটি কর্পোরেশনের ১৮নং ওয়ার্ড কৃষ্টপুর দৌলত মুন্সি বাইলেন এলাকায় সিটি কর্পোরেশনের ৬ তলা নকশা অনুমোদন থাকলেও সেখানে নিয়ম না মেনে ৭ তলা ভবন নির্মাণ কাজ শেষ করে ফেলেছে ভবনটির মালিকাপক্ষ ।
এলাকাবাসীর দাবি, আইন ভঙ্গ করে সিটি কর্পোরেশনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর সাহস পেল কীভাবে এই ভবন কতৃপক্ষ। তবে কি নেপথ্যে মসিকের কেউ কলকাঠি নাড়ছে।
বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসির মধ্যে ব্যাপক গুঞ্জন চলছে। তাঁরা বলছে মসিক কতৃপক্ষ মোটা অংকের বিনিময়ে ঘুষ বানিজ্যের মাধ্যমে অবৈধভাবে ভবণ নির্মাণ কাজ করাতে সাহায্য করছে।
























