০১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুন্সিগঞ্জে মেঘনা নদীর কুখ্যাত নৌ-ডাকাত সর্দার বাবলা গুলা-গুলিতে নিহত। 

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনা নদীতে  ডাকাতি,চাঁদাবাজি, অবৈধ বালু উত্তোলন এর একক নিয়ন্ত্রক নৌ ডাকাত বাবলা বাহিনীর প্রধান বাবলা ওরফে উজ্জ্বল খালাসী  ( ৩৮)  অন্ত:কোন্দলে গুলি বিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন,এ ঘটনায় একাধিক গুলিবিদ্ধ ও চৌদ্দ নৌ ডাকাতকে আটক করেছে গজারিয়া থানা পুলিশ। এ-সময় ডাকাতদের সাথে থাকা একটি ব্যগে বিশ লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয় ।
নৌ ডাকাত বাবলা চাঁদপুর জেলার মতলব উপজেলার মোহনপুর এলাকার বাচ্চু খালাসীর ছেলে।তাঁরা নামে দেশের বিভিন্ন থানায় অস্ত্র, হত্যা,ডাকাতি,চাঁদাবাজিসহ ২৫টি মামলা রয়েছে।
মঙ্গলবার ২২(অক্টোবর)সকাল আনুৃানিক নয়টায় উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়ন এর প্রত্যন্ত মল্লিকেরচর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। জানা যায়,ডাকাত সর্দার বাবলা মল্লিকেরচর গ্রামের রাজা মিয়ার ছেলে রহিম বাদশার দ্বিতলা বাড়িতে গত ক’মাস যাবৎ অবস্থান করতো।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে নৌ ডাকাত বাবলা মল্লিকের চর রহিম বাদশার বাড়িতে থেকে দীর্ঘদিন যাবৎ গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ সদর, চাঁদপুর এলাকায় বালু মহল নিয়ন্ত্রন করতো। অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রির সাথে জড়িত ছিলো সে। বৈধ ইজারাদারদেরও তাকে দিতো হতে বালু তুললে চাদাঁ।মুন্সীগঞ্জ সদর,গজারিয়া, মতলব , চাদঁপুর, শরিয়তপুর এলাকার পদ্মা মেঘনা নদীতে সে গড়ে তুলে স্বশস্ত্র ডাকাত চক্র। সে চাঁদাবাজি লুটতরাজে বেপোরোয়া হয়ে উঠে।
প্রত্যক্ষদর্শী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, সকালে   আমি গরুর ঘাস কাটার জন্য নৌকা নিয়ে রহিম বাদশার বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিলাম। এ সময় দেখি দুটি স্পিডবোড ও দুটি ইঞ্চিন চালিত ট্রলার নিয়ে হেলমেড পরে ২০/২৫ জন লোক রহিম বাদশার বাড়ির সামনে এসে নামে। এ সময় তারা স্পিডবোট ও ট্রলার হতে নেমে রহিম বাদশার বাড়ির সামনে গুলি  ছুড়ে আতঙ্ক ছড়াতে থাকে। পরে তারা রহিম বাদশার পাকাঁ ভবনের দোতলায় উঠে বাবলাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার আগে ওই বিল্ডিংয়ের দরজা বন্ধ করে ৯জনকে আটক করে ফেলে স্থানীয়রা।
এই ঘটনায় বাড়ির মালিক রহিম বাদশা (৫৫) পিতাঃ রাজা বেপারী,আক্তার হোসেন (৩৮)পিতাঃ ডেঙ্গর বেপারী, লিটন মিয়াজী (৪০),পিতা:আ:রব মিয়াজি সাং মল্লিকেরচর গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
এদিকে মেঘনা নদী তীরবর্তী গ্রামের সাধারণ মানুষ তার মৃত্যুর খবরে এলাকায় উল্লাস করছে।
 মেঘনা নদী তীরবর্তী এলাকার গ্রামের মানুষগুলো  বাবলা ডাকাতের কাছে জিম্মি  ছিল বলে জানান তারা।
এ ব্যাপারে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, বাবলা একজন  কুখ্যাত নৌ ডাকাত। তার বিরুদ্ধে গজারিয়া থানা সহ বিভিন্ন থানায় ২৫ টি ডাকাতি ও চাদাঁবাজি মামলা রয়েছে। উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের মল্লিকের চর এলকায় তাকে গুলি করে হত্যা করছে দূর্বত্তরা। এলাকাটি দূর্গম হওয়ায় পুলিশ পাঠাতে দেরী হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে আছে।অধিকতর তদন্ত সাপেক্ষ এবিষয়ে ডাকাতি সংঘটিত ও কারা কারা জড়িত পুলিশের কার্যক্রম চলমান থাকবে ।
জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সিগঞ্জে মেঘনা নদীর কুখ্যাত নৌ-ডাকাত সর্দার বাবলা গুলা-গুলিতে নিহত। 

আপডেট সময় : ০৬:৫৫:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০২৪
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনা নদীতে  ডাকাতি,চাঁদাবাজি, অবৈধ বালু উত্তোলন এর একক নিয়ন্ত্রক নৌ ডাকাত বাবলা বাহিনীর প্রধান বাবলা ওরফে উজ্জ্বল খালাসী  ( ৩৮)  অন্ত:কোন্দলে গুলি বিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন,এ ঘটনায় একাধিক গুলিবিদ্ধ ও চৌদ্দ নৌ ডাকাতকে আটক করেছে গজারিয়া থানা পুলিশ। এ-সময় ডাকাতদের সাথে থাকা একটি ব্যগে বিশ লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয় ।
নৌ ডাকাত বাবলা চাঁদপুর জেলার মতলব উপজেলার মোহনপুর এলাকার বাচ্চু খালাসীর ছেলে।তাঁরা নামে দেশের বিভিন্ন থানায় অস্ত্র, হত্যা,ডাকাতি,চাঁদাবাজিসহ ২৫টি মামলা রয়েছে।
মঙ্গলবার ২২(অক্টোবর)সকাল আনুৃানিক নয়টায় উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়ন এর প্রত্যন্ত মল্লিকেরচর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। জানা যায়,ডাকাত সর্দার বাবলা মল্লিকেরচর গ্রামের রাজা মিয়ার ছেলে রহিম বাদশার দ্বিতলা বাড়িতে গত ক’মাস যাবৎ অবস্থান করতো।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে নৌ ডাকাত বাবলা মল্লিকের চর রহিম বাদশার বাড়িতে থেকে দীর্ঘদিন যাবৎ গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ সদর, চাঁদপুর এলাকায় বালু মহল নিয়ন্ত্রন করতো। অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রির সাথে জড়িত ছিলো সে। বৈধ ইজারাদারদেরও তাকে দিতো হতে বালু তুললে চাদাঁ।মুন্সীগঞ্জ সদর,গজারিয়া, মতলব , চাদঁপুর, শরিয়তপুর এলাকার পদ্মা মেঘনা নদীতে সে গড়ে তুলে স্বশস্ত্র ডাকাত চক্র। সে চাঁদাবাজি লুটতরাজে বেপোরোয়া হয়ে উঠে।
প্রত্যক্ষদর্শী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, সকালে   আমি গরুর ঘাস কাটার জন্য নৌকা নিয়ে রহিম বাদশার বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিলাম। এ সময় দেখি দুটি স্পিডবোড ও দুটি ইঞ্চিন চালিত ট্রলার নিয়ে হেলমেড পরে ২০/২৫ জন লোক রহিম বাদশার বাড়ির সামনে এসে নামে। এ সময় তারা স্পিডবোট ও ট্রলার হতে নেমে রহিম বাদশার বাড়ির সামনে গুলি  ছুড়ে আতঙ্ক ছড়াতে থাকে। পরে তারা রহিম বাদশার পাকাঁ ভবনের দোতলায় উঠে বাবলাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার আগে ওই বিল্ডিংয়ের দরজা বন্ধ করে ৯জনকে আটক করে ফেলে স্থানীয়রা।
এই ঘটনায় বাড়ির মালিক রহিম বাদশা (৫৫) পিতাঃ রাজা বেপারী,আক্তার হোসেন (৩৮)পিতাঃ ডেঙ্গর বেপারী, লিটন মিয়াজী (৪০),পিতা:আ:রব মিয়াজি সাং মল্লিকেরচর গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
এদিকে মেঘনা নদী তীরবর্তী গ্রামের সাধারণ মানুষ তার মৃত্যুর খবরে এলাকায় উল্লাস করছে।
 মেঘনা নদী তীরবর্তী এলাকার গ্রামের মানুষগুলো  বাবলা ডাকাতের কাছে জিম্মি  ছিল বলে জানান তারা।
এ ব্যাপারে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, বাবলা একজন  কুখ্যাত নৌ ডাকাত। তার বিরুদ্ধে গজারিয়া থানা সহ বিভিন্ন থানায় ২৫ টি ডাকাতি ও চাদাঁবাজি মামলা রয়েছে। উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের মল্লিকের চর এলকায় তাকে গুলি করে হত্যা করছে দূর্বত্তরা। এলাকাটি দূর্গম হওয়ায় পুলিশ পাঠাতে দেরী হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে আছে।অধিকতর তদন্ত সাপেক্ষ এবিষয়ে ডাকাতি সংঘটিত ও কারা কারা জড়িত পুলিশের কার্যক্রম চলমান থাকবে ।